রাজধানীর গুলশানে সরকারি বাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানো হয়েছে। আগামী ২০ মে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ দিন নির্ধারণ করেন। এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী সালাম মুর্শেদীর অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন এবং একই সঙ্গে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, মামলার দুই আসামির পক্ষে অব্যাহতির আবেদন শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুলশান আবাসিক এলাকার একটি প্লট জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত ওই প্লট অবমুক্ত না করেই ভুয়া রেকর্ড তৈরি, হস্তান্তর অনুমতি এবং নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
রাজধানীর গুলশানে সরকারি বাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানো হয়েছে। আগামী ২০ মে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ দিন নির্ধারণ করেন। এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী সালাম মুর্শেদীর অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন এবং একই সঙ্গে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, মামলার দুই আসামির পক্ষে অব্যাহতির আবেদন শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুলশান আবাসিক এলাকার একটি প্লট জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত ওই প্লট অবমুক্ত না করেই ভুয়া রেকর্ড তৈরি, হস্তান্তর অনুমতি এবং নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
রাজধানীর গুলশানে সরকারি বাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানো হয়েছে। আগামী ২০ মে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ দিন নির্ধারণ করেন। এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী সালাম মুর্শেদীর অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন এবং একই সঙ্গে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, মামলার দুই আসামির পক্ষে অব্যাহতির আবেদন শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুলশান আবাসিক এলাকার একটি প্লট জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত ওই প্লট অবমুক্ত না করেই ভুয়া রেকর্ড তৈরি, হস্তান্তর অনুমতি এবং নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
রাজধানীর গুলশানে সরকারি বাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছানো হয়েছে। আগামী ২০ মে এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ দিন নির্ধারণ করেন। এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী সালাম মুর্শেদীর অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন এবং একই সঙ্গে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন জানান, মামলার দুই আসামির পক্ষে অব্যাহতির আবেদন শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে গুলশান আবাসিক এলাকার একটি প্লট জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের চেষ্টা করেন। পরিত্যক্ত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত ওই প্লট অবমুক্ত না করেই ভুয়া রেকর্ড তৈরি, হস্তান্তর অনুমতি এবং নামজারি অনুমোদনের মাধ্যমে আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আব্দুস সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!