
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের প্রধান ড. কামাল খারাজি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত ১ এপ্রিল একই হামলায় তার স্ত্রীও নিহত হন বলে জানিয়েছে প্রেস টিভি।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর দীর্ঘ কর্মজীবনে ড. খারাজি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসে-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন।
২০০৬ সালের জুনে প্রতিষ্ঠিত এই কাউন্সিলটি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও উপদেষ্টা সংস্থা, যা সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কাছে প্রতিবেদন দেয়। বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে কৌশলগত বিশ্লেষণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ড. খারাজি ১৯৯৭ সালের ২০ আগস্ট থেকে ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি এক্সপিডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্যও ছিলেন।
তার মৃত্যুতে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের প্রধান ড. কামাল খারাজি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত ১ এপ্রিল একই হামলায় তার স্ত্রীও নিহত হন বলে জানিয়েছে প্রেস টিভি।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর দীর্ঘ কর্মজীবনে ড. খারাজি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসে-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন।
২০০৬ সালের জুনে প্রতিষ্ঠিত এই কাউন্সিলটি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও উপদেষ্টা সংস্থা, যা সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কাছে প্রতিবেদন দেয়। বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে কৌশলগত বিশ্লেষণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ড. খারাজি ১৯৯৭ সালের ২০ আগস্ট থেকে ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি এক্সপিডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্যও ছিলেন।
তার মৃত্যুতে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের প্রধান ড. কামাল খারাজি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত ১ এপ্রিল একই হামলায় তার স্ত্রীও নিহত হন বলে জানিয়েছে প্রেস টিভি।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর দীর্ঘ কর্মজীবনে ড. খারাজি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসে-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন।
২০০৬ সালের জুনে প্রতিষ্ঠিত এই কাউন্সিলটি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও উপদেষ্টা সংস্থা, যা সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কাছে প্রতিবেদন দেয়। বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে কৌশলগত বিশ্লেষণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ড. খারাজি ১৯৯৭ সালের ২০ আগস্ট থেকে ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি এক্সপিডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্যও ছিলেন।
তার মৃত্যুতে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের প্রধান ড. কামাল খারাজি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত ১ এপ্রিল একই হামলায় তার স্ত্রীও নিহত হন বলে জানিয়েছে প্রেস টিভি।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর দীর্ঘ কর্মজীবনে ড. খারাজি ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্ট্র্যাটেজিক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসে-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন।
২০০৬ সালের জুনে প্রতিষ্ঠিত এই কাউন্সিলটি ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও উপদেষ্টা সংস্থা, যা সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার কাছে প্রতিবেদন দেয়। বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে কৌশলগত বিশ্লেষণ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ড. খারাজি ১৯৯৭ সালের ২০ আগস্ট থেকে ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি এক্সপিডিয়েন্সি ডিসার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্যও ছিলেন।
তার মৃত্যুতে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!