
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার খবরে রোববার (১ মার্চ) লেনদেন শুরুতেই বড় ধরনের ধস নেমেছে দেশের পুঁজিবাজারে। বিক্রির চাপে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-উভয় বাজারেই সব সূচকের বড় পতন হয়েছে।
ডিএসইতে বড় পতন
দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৩৮ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ৫,৪৬১ দশমিক ৭০ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক কমেছে ২৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক কমেছে ৫২ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কম। বাজার মূলধন কমেছে ৮ হাজার ৮৬ কোটি টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ৩৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টির।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংক। এছাড়া খান ব্রাদার্স, ওরিয়ন ইনফিউশন, রবি আজিয়াটা, ব্যাংক এশিয়া এবং ব্র্যাক ব্যাংক-এর শেয়ার লেনদেনে এগিয়ে ছিল। দর কমার শীর্ষে ছিল বিডি ওয়েল্ডিং (৭ দশমিক ৬০ শতাংশ)। আর দর বাড়ার শীর্ষে ছিল শাইনপুকুর সিরামিকস (৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ)।
লেনদেনের শুরুতেই আতঙ্ক
লেনদেন শুরুর প্রথম তিন মিনিটেই ডিএসইএক্স ২১২ পয়েন্ট পড়ে যায়। ৯০ শতাংশের বেশি কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যায়। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ে। আতঙ্কে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রিতে ঝুঁকেন, ফলে সাময়িকভাবে ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। পরে কিছুটা স্থিতি ফেরে।
ডিএসইর একাধিক কর্মকর্তা বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন।
সিএসইতেও পতন
সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৪৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৩৫১ দশমিক ২৬ পয়েন্টে। সিএসই৫০, সিএসই-৩০, সিএসসিএক্স ও সিএসআই—সব সূচকই কমেছে।
সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের তুলনায় কম। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৫টির, কমেছে ১৩৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টির।
লেনদেনে এগিয়ে ছিল ওরিয়ন ইনফিউশন, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, এমএল ডায়িং, লাভেলো আইসক্রিম, রবি আজিয়াটা ও সিটি ব্যাংক।
দর কমার শীর্ষে ছিল এপিক্স ট্যানারি (১০ শতাংশ) এবং দর বাড়ার শীর্ষে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স (১০ শতাংশ)।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার খবরে রোববার (১ মার্চ) লেনদেন শুরুতেই বড় ধরনের ধস নেমেছে দেশের পুঁজিবাজারে। বিক্রির চাপে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-উভয় বাজারেই সব সূচকের বড় পতন হয়েছে।
ডিএসইতে বড় পতন
দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৩৮ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ৫,৪৬১ দশমিক ৭০ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক কমেছে ২৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক কমেছে ৫২ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কম। বাজার মূলধন কমেছে ৮ হাজার ৮৬ কোটি টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ৩৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টির।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংক। এছাড়া খান ব্রাদার্স, ওরিয়ন ইনফিউশন, রবি আজিয়াটা, ব্যাংক এশিয়া এবং ব্র্যাক ব্যাংক-এর শেয়ার লেনদেনে এগিয়ে ছিল। দর কমার শীর্ষে ছিল বিডি ওয়েল্ডিং (৭ দশমিক ৬০ শতাংশ)। আর দর বাড়ার শীর্ষে ছিল শাইনপুকুর সিরামিকস (৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ)।
লেনদেনের শুরুতেই আতঙ্ক
লেনদেন শুরুর প্রথম তিন মিনিটেই ডিএসইএক্স ২১২ পয়েন্ট পড়ে যায়। ৯০ শতাংশের বেশি কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যায়। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ে। আতঙ্কে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রিতে ঝুঁকেন, ফলে সাময়িকভাবে ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। পরে কিছুটা স্থিতি ফেরে।
ডিএসইর একাধিক কর্মকর্তা বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন।
সিএসইতেও পতন
সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৪৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৩৫১ দশমিক ২৬ পয়েন্টে। সিএসই৫০, সিএসই-৩০, সিএসসিএক্স ও সিএসআই—সব সূচকই কমেছে।
সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের তুলনায় কম। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৫টির, কমেছে ১৩৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টির।
লেনদেনে এগিয়ে ছিল ওরিয়ন ইনফিউশন, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, এমএল ডায়িং, লাভেলো আইসক্রিম, রবি আজিয়াটা ও সিটি ব্যাংক।
দর কমার শীর্ষে ছিল এপিক্স ট্যানারি (১০ শতাংশ) এবং দর বাড়ার শীর্ষে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স (১০ শতাংশ)।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার খবরে রোববার (১ মার্চ) লেনদেন শুরুতেই বড় ধরনের ধস নেমেছে দেশের পুঁজিবাজারে। বিক্রির চাপে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-উভয় বাজারেই সব সূচকের বড় পতন হয়েছে।
ডিএসইতে বড় পতন
দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৩৮ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ৫,৪৬১ দশমিক ৭০ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক কমেছে ২৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক কমেছে ৫২ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কম। বাজার মূলধন কমেছে ৮ হাজার ৮৬ কোটি টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ৩৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টির।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংক। এছাড়া খান ব্রাদার্স, ওরিয়ন ইনফিউশন, রবি আজিয়াটা, ব্যাংক এশিয়া এবং ব্র্যাক ব্যাংক-এর শেয়ার লেনদেনে এগিয়ে ছিল। দর কমার শীর্ষে ছিল বিডি ওয়েল্ডিং (৭ দশমিক ৬০ শতাংশ)। আর দর বাড়ার শীর্ষে ছিল শাইনপুকুর সিরামিকস (৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ)।
লেনদেনের শুরুতেই আতঙ্ক
লেনদেন শুরুর প্রথম তিন মিনিটেই ডিএসইএক্স ২১২ পয়েন্ট পড়ে যায়। ৯০ শতাংশের বেশি কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যায়। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ে। আতঙ্কে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রিতে ঝুঁকেন, ফলে সাময়িকভাবে ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। পরে কিছুটা স্থিতি ফেরে।
ডিএসইর একাধিক কর্মকর্তা বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন।
সিএসইতেও পতন
সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৪৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৩৫১ দশমিক ২৬ পয়েন্টে। সিএসই৫০, সিএসই-৩০, সিএসসিএক্স ও সিএসআই—সব সূচকই কমেছে।
সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের তুলনায় কম। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৫টির, কমেছে ১৩৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টির।
লেনদেনে এগিয়ে ছিল ওরিয়ন ইনফিউশন, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, এমএল ডায়িং, লাভেলো আইসক্রিম, রবি আজিয়াটা ও সিটি ব্যাংক।
দর কমার শীর্ষে ছিল এপিক্স ট্যানারি (১০ শতাংশ) এবং দর বাড়ার শীর্ষে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স (১০ শতাংশ)।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার খবরে রোববার (১ মার্চ) লেনদেন শুরুতেই বড় ধরনের ধস নেমেছে দেশের পুঁজিবাজারে। বিক্রির চাপে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-উভয় বাজারেই সব সূচকের বড় পতন হয়েছে।
ডিএসইতে বড় পতন
দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৩৮ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ৫,৪৬১ দশমিক ৭০ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক কমেছে ২৬ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট এবং ডিএস৩০ সূচক কমেছে ৫২ দশমিক ০৮ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় কম। বাজার মূলধন কমেছে ৮ হাজার ৮৬ কোটি টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩০টির, কমেছে ৩৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৬টির।
লেনদেনের শীর্ষে ছিল সিটি ব্যাংক। এছাড়া খান ব্রাদার্স, ওরিয়ন ইনফিউশন, রবি আজিয়াটা, ব্যাংক এশিয়া এবং ব্র্যাক ব্যাংক-এর শেয়ার লেনদেনে এগিয়ে ছিল। দর কমার শীর্ষে ছিল বিডি ওয়েল্ডিং (৭ দশমিক ৬০ শতাংশ)। আর দর বাড়ার শীর্ষে ছিল শাইনপুকুর সিরামিকস (৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ)।
লেনদেনের শুরুতেই আতঙ্ক
লেনদেন শুরুর প্রথম তিন মিনিটেই ডিএসইএক্স ২১২ পয়েন্ট পড়ে যায়। ৯০ শতাংশের বেশি কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যায়। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাব দেশীয় বাজারেও পড়ে। আতঙ্কে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রিতে ঝুঁকেন, ফলে সাময়িকভাবে ক্রেতা সংকট দেখা দেয়। পরে কিছুটা স্থিতি ফেরে।
ডিএসইর একাধিক কর্মকর্তা বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কে শেয়ার বিক্রি না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন।
সিএসইতেও পতন
সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই কমেছে ২৪৫ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট, নেমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৩৫১ দশমিক ২৬ পয়েন্টে। সিএসই৫০, সিএসই-৩০, সিএসসিএক্স ও সিএসআই—সব সূচকই কমেছে।
সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের তুলনায় কম। লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৩৫টির, কমেছে ১৩৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১১টির।
লেনদেনে এগিয়ে ছিল ওরিয়ন ইনফিউশন, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, এমএল ডায়িং, লাভেলো আইসক্রিম, রবি আজিয়াটা ও সিটি ব্যাংক।
দর কমার শীর্ষে ছিল এপিক্স ট্যানারি (১০ শতাংশ) এবং দর বাড়ার শীর্ষে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স (১০ শতাংশ)।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকলে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!