তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মামলার মুখে পড়া অনেক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করলেও তারা প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা হিসেবে বিভিন্ন নির্যাতন-নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারের তিন মাস পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সময় মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। তিনি জানান, মোট ৯২ জন সাংবাদিক তাদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সব মামলার বাদী সরকার নয়। ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেও মামলা হয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অনেকের পেশাই সাংবাদিকতা নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের অনেকেই আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী সংগঠনের পদে থেকে নানা অপকর্ম ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা মামলা করেছেন। কিন্তু কেউ কেউ ভুঁইফোড় মিডিয়ার পরিচয় ব্যবহার করে সাংবাদিক হিসেবে সুবিধা নিতে চাইছেন।’
সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের তালিকা দেওয়ার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীও তালিকা চেয়েছেন।
গণমাধ্যম খাতে শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের অরাজকতা বিরাজ করছে। এখানে গ্রহণযোগ্য নিয়ম-কানুন প্রয়োজন।’ মন্ত্রী জানান, সরকার একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি পরামর্শ কমিটি গঠন করে খসড়া প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল–কে আরও সক্রিয় করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মামলার মুখে পড়া অনেক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করলেও তারা প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা হিসেবে বিভিন্ন নির্যাতন-নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারের তিন মাস পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সময় মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। তিনি জানান, মোট ৯২ জন সাংবাদিক তাদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সব মামলার বাদী সরকার নয়। ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেও মামলা হয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অনেকের পেশাই সাংবাদিকতা নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের অনেকেই আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী সংগঠনের পদে থেকে নানা অপকর্ম ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা মামলা করেছেন। কিন্তু কেউ কেউ ভুঁইফোড় মিডিয়ার পরিচয় ব্যবহার করে সাংবাদিক হিসেবে সুবিধা নিতে চাইছেন।’
সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের তালিকা দেওয়ার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীও তালিকা চেয়েছেন।
গণমাধ্যম খাতে শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের অরাজকতা বিরাজ করছে। এখানে গ্রহণযোগ্য নিয়ম-কানুন প্রয়োজন।’ মন্ত্রী জানান, সরকার একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি পরামর্শ কমিটি গঠন করে খসড়া প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল–কে আরও সক্রিয় করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মামলার মুখে পড়া অনেক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করলেও তারা প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা হিসেবে বিভিন্ন নির্যাতন-নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারের তিন মাস পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সময় মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। তিনি জানান, মোট ৯২ জন সাংবাদিক তাদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সব মামলার বাদী সরকার নয়। ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেও মামলা হয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অনেকের পেশাই সাংবাদিকতা নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের অনেকেই আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী সংগঠনের পদে থেকে নানা অপকর্ম ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা মামলা করেছেন। কিন্তু কেউ কেউ ভুঁইফোড় মিডিয়ার পরিচয় ব্যবহার করে সাংবাদিক হিসেবে সুবিধা নিতে চাইছেন।’
সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের তালিকা দেওয়ার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীও তালিকা চেয়েছেন।
গণমাধ্যম খাতে শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের অরাজকতা বিরাজ করছে। এখানে গ্রহণযোগ্য নিয়ম-কানুন প্রয়োজন।’ মন্ত্রী জানান, সরকার একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি পরামর্শ কমিটি গঠন করে খসড়া প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল–কে আরও সক্রিয় করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর মামলার মুখে পড়া অনেক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করলেও তারা প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা হিসেবে বিভিন্ন নির্যাতন-নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারের তিন মাস পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের সময় মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে। তিনি জানান, মোট ৯২ জন সাংবাদিক তাদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলার বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সব মামলার বাদী সরকার নয়। ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেও মামলা হয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অনেকের পেশাই সাংবাদিকতা নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের অনেকেই আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী সংগঠনের পদে থেকে নানা অপকর্ম ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা মামলা করেছেন। কিন্তু কেউ কেউ ভুঁইফোড় মিডিয়ার পরিচয় ব্যবহার করে সাংবাদিক হিসেবে সুবিধা নিতে চাইছেন।’
সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হওয়া হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের তালিকা দেওয়ার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সম্পাদক পরিষদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীও তালিকা চেয়েছেন।
গণমাধ্যম খাতে শৃঙ্খলা আনার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের অরাজকতা বিরাজ করছে। এখানে গ্রহণযোগ্য নিয়ম-কানুন প্রয়োজন।’ মন্ত্রী জানান, সরকার একটি মিডিয়া কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে এ বিষয়ে একটি পরামর্শ কমিটি গঠন করে খসড়া প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল–কে আরও সক্রিয় করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!