গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে হাম উপসর্গে ৯ ও নিশ্চিত হামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৩৭ জন। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দুই মাসে সারা দেশে ৪৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৭৭ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৯৮ শিশু।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। আর দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে। এর মধ্যে ৭৭ জনের হামে মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে তিনজন করে রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছে। জেলা হিসেবে ঢাকা ও মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি দুজন করে মারা গেছে।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ২৬৪। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১১৫ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক হাজার ১১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর চট্টগ্রামে ২৩০ ও বরিশালে ১৪৭ জন। নিশ্চিত হাম শনাক্তের ক্ষেত্রেও ঢাকা বিভাগে সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে হাম উপসর্গে ৯ ও নিশ্চিত হামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৩৭ জন। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দুই মাসে সারা দেশে ৪৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৭৭ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৯৮ শিশু।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। আর দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে। এর মধ্যে ৭৭ জনের হামে মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে তিনজন করে রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছে। জেলা হিসেবে ঢাকা ও মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি দুজন করে মারা গেছে।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ২৬৪। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১১৫ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক হাজার ১১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর চট্টগ্রামে ২৩০ ও বরিশালে ১৪৭ জন। নিশ্চিত হাম শনাক্তের ক্ষেত্রেও ঢাকা বিভাগে সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে হাম উপসর্গে ৯ ও নিশ্চিত হামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৩৭ জন। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দুই মাসে সারা দেশে ৪৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৭৭ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৯৮ শিশু।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। আর দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে। এর মধ্যে ৭৭ জনের হামে মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে তিনজন করে রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছে। জেলা হিসেবে ঢাকা ও মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি দুজন করে মারা গেছে।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ২৬৪। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১১৫ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক হাজার ১১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর চট্টগ্রামে ২৩০ ও বরিশালে ১৪৭ জন। নিশ্চিত হাম শনাক্তের ক্ষেত্রেও ঢাকা বিভাগে সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরো ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে হাম উপসর্গে ৯ ও নিশ্চিত হামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৩৭ জন। আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, হাম এবং হামের উপসর্গ নিয়ে গত দুই মাসে সারা দেশে ৪৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৭৭ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৯৮ শিশু।
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। আর দুই শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে। এর মধ্যে ৭৭ জনের হামে মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে তিনজন করে রয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছে। জেলা হিসেবে ঢাকা ও মৌলভীবাজারে সবচেয়ে বেশি দুজন করে মারা গেছে।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ছিল এক হাজার ২৬৪। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১১৫ জন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক হাজার ১১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৪ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর চট্টগ্রামে ২৩০ ও বরিশালে ১৪৭ জন। নিশ্চিত হাম শনাক্তের ক্ষেত্রেও ঢাকা বিভাগে সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!