বাণিজ্য মেলা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও গতিশীল করে তোলে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফইসি) ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্য মেলা কেবল পণ্য প্রদর্শনের জায়গা নয়; এটি দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করার পাশাপাশি বিদেশি পণ্যের মান ও গুণগত দিক সম্পর্কে দেশের ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের ধারণা দেয়। এ মেলার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। এছাড়া বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান।
মাসব্যাপী এই মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। বাংলাদেশসহ ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়াসহ ছয়টি দেশের মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।
এবারের মেলায় অনলাইনভিত্তিক স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ, ই-টিকিটিং ব্যবস্থা এবং কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রবেশের সুবিধা রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের যাতায়াতের জন্য বিআরটিসির ডেডিকেটেড বাস সার্ভিসের পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে পাঠাও সার্ভিস যুক্ত করা হয়েছে।
পরিবেশ সুরক্ষায় মেলায় পলিথিন ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হচ্ছে। মেলায় থাকছে সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশু পার্ক, মা ও শিশু কেন্দ্র এবং বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা।
আয়োজকদের জানানো হয়, এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৭টি প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
মেলায় প্রবেশের টিকিট মূল্য ৫০ টাকা এবং ১২ বছরের নিচে শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও জুলাই আহতরা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।
বাণিজ্য মেলা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও গতিশীল করে তোলে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফইসি) ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্য মেলা কেবল পণ্য প্রদর্শনের জায়গা নয়; এটি দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করার পাশাপাশি বিদেশি পণ্যের মান ও গুণগত দিক সম্পর্কে দেশের ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের ধারণা দেয়। এ মেলার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। এছাড়া বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান।
মাসব্যাপী এই মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। বাংলাদেশসহ ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়াসহ ছয়টি দেশের মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।
এবারের মেলায় অনলাইনভিত্তিক স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ, ই-টিকিটিং ব্যবস্থা এবং কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রবেশের সুবিধা রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের যাতায়াতের জন্য বিআরটিসির ডেডিকেটেড বাস সার্ভিসের পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে পাঠাও সার্ভিস যুক্ত করা হয়েছে।
পরিবেশ সুরক্ষায় মেলায় পলিথিন ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হচ্ছে। মেলায় থাকছে সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশু পার্ক, মা ও শিশু কেন্দ্র এবং বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা।
আয়োজকদের জানানো হয়, এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৭টি প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
মেলায় প্রবেশের টিকিট মূল্য ৫০ টাকা এবং ১২ বছরের নিচে শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও জুলাই আহতরা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।
বাণিজ্য মেলা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও গতিশীল করে তোলে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফইসি) ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্য মেলা কেবল পণ্য প্রদর্শনের জায়গা নয়; এটি দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করার পাশাপাশি বিদেশি পণ্যের মান ও গুণগত দিক সম্পর্কে দেশের ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের ধারণা দেয়। এ মেলার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। এছাড়া বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান।
মাসব্যাপী এই মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। বাংলাদেশসহ ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়াসহ ছয়টি দেশের মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।
এবারের মেলায় অনলাইনভিত্তিক স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ, ই-টিকিটিং ব্যবস্থা এবং কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রবেশের সুবিধা রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের যাতায়াতের জন্য বিআরটিসির ডেডিকেটেড বাস সার্ভিসের পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে পাঠাও সার্ভিস যুক্ত করা হয়েছে।
পরিবেশ সুরক্ষায় মেলায় পলিথিন ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হচ্ছে। মেলায় থাকছে সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশু পার্ক, মা ও শিশু কেন্দ্র এবং বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা।
আয়োজকদের জানানো হয়, এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৭টি প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
মেলায় প্রবেশের টিকিট মূল্য ৫০ টাকা এবং ১২ বছরের নিচে শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও জুলাই আহতরা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।
বাণিজ্য মেলা একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা রপ্তানি বৃদ্ধি, বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও গতিশীল করে তোলে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফইসি) ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্য মেলা কেবল পণ্য প্রদর্শনের জায়গা নয়; এটি দেশীয় পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করার পাশাপাশি বিদেশি পণ্যের মান ও গুণগত দিক সম্পর্কে দেশের ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের ধারণা দেয়। এ মেলার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ। এছাড়া বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এবং এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান।
মাসব্যাপী এই মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। বাংলাদেশসহ ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়াসহ ছয়টি দেশের মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে।
এবারের মেলায় অনলাইনভিত্তিক স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ, ই-টিকিটিং ব্যবস্থা এবং কিউআর কোড স্ক্যান করে প্রবেশের সুবিধা রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের যাতায়াতের জন্য বিআরটিসির ডেডিকেটেড বাস সার্ভিসের পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে পাঠাও সার্ভিস যুক্ত করা হয়েছে।
পরিবেশ সুরক্ষায় মেলায় পলিথিন ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব শপিং ব্যাগ সরবরাহ করা হচ্ছে। মেলায় থাকছে সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশু পার্ক, মা ও শিশু কেন্দ্র এবং বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা।
আয়োজকদের জানানো হয়, এবারের মেলায় দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩২৭টি প্যাভিলিয়ন, স্টল ও রেস্টুরেন্ট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে নিয়মিত ভেজালবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
মেলায় প্রবেশের টিকিট মূল্য ৫০ টাকা এবং ১২ বছরের নিচে শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী ও জুলাই আহতরা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!