
দিন দিন বেড়েই চলছে কিডনি রোগীর সংখ্যা। সেই তুলনায় যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা খুবই কম। তবে কিছু খাবার আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
কিডনি প্রস্রাবের গঠন এবং শরীরের বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণের জন্য রক্ত পরিষ্কার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার আমাদের কিডনিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে এবং কিডনির কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করে। চলুন জেনে নেই সেই সব খাবার সম্পর্কে—
ফুলকপি
ফুলকপি ভিটামিন কে, ফোলেট এবং ফাইবারসহ অনেক পুষ্টি সরবরাহ করে। এটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগ রয়েছে, যা আপনার কিডনি পরিষ্কার রাখতে সহয়তা করে। এ ছাড়া আপনি চাইলে কম পটাসিয়াম যুক্ত সাইড খাবার হিসেবে আলুর জায়গায় ম্যাশ করা ফুলকপি ব্যবহার করতে পারেন।
সাইট্রাস জাতীয় ফল
লেবু বা কমলা আমাদের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। এই ফলগুলোতে উচ্চ মাত্রার সাইট্রেটের উপস্থিতির থাকে, যা কিডনিতে পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এসব ফল আপনার কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ব্লুবেরি
ব্লুবেরি পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা অ্যান্থোসায়ানিন নামে পরিচিত। এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়া ব্লুবেরিতে কম সোডিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।
সামুদ্রিক মাছ
স্যামন, টুনা জাতীয় চর্বিযুক্ত মাছ কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের একটি গবেষণা অনুসারে, ওমেগা -৩ চর্বি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া রক্তে চর্বির মাত্রা কমাতে এবং রক্তচাপকে কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগের ঝুঁকির কারণ, এটি কমানোর প্রাকৃতিক উপায় মেনে চলুন। এতে কিডনি ভালো রাখা সহজ হবে। সামুদ্রিক মাছ উচ্চ মানের প্রোটিন সরবরাহ করে। এতে ওমেগা-৩ নামক স্বাস্থ্যকর চর্বিও রয়েছে।
লাল আঙ্গুর
লাল আঙুরের বাইরের আবরণ ও বীজে রিসভারিট্রল নামের এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মেলে। এটি আমাদের ত্বক ও শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে লাল আঙুরে থাকা রিসভারিট্রল, পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামক তিন ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। লাল আঙুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। এই দুই ভিটামিন দূষণ থেকে রক্ষা করে ত্বককে। এছাড়া ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও আঙুরের জুড়ি নেই।

দিন দিন বেড়েই চলছে কিডনি রোগীর সংখ্যা। সেই তুলনায় যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা খুবই কম। তবে কিছু খাবার আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
কিডনি প্রস্রাবের গঠন এবং শরীরের বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণের জন্য রক্ত পরিষ্কার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার আমাদের কিডনিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে এবং কিডনির কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করে। চলুন জেনে নেই সেই সব খাবার সম্পর্কে—
ফুলকপি
ফুলকপি ভিটামিন কে, ফোলেট এবং ফাইবারসহ অনেক পুষ্টি সরবরাহ করে। এটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগ রয়েছে, যা আপনার কিডনি পরিষ্কার রাখতে সহয়তা করে। এ ছাড়া আপনি চাইলে কম পটাসিয়াম যুক্ত সাইড খাবার হিসেবে আলুর জায়গায় ম্যাশ করা ফুলকপি ব্যবহার করতে পারেন।
সাইট্রাস জাতীয় ফল
লেবু বা কমলা আমাদের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। এই ফলগুলোতে উচ্চ মাত্রার সাইট্রেটের উপস্থিতির থাকে, যা কিডনিতে পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এসব ফল আপনার কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ব্লুবেরি
ব্লুবেরি পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা অ্যান্থোসায়ানিন নামে পরিচিত। এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়া ব্লুবেরিতে কম সোডিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।
সামুদ্রিক মাছ
স্যামন, টুনা জাতীয় চর্বিযুক্ত মাছ কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের একটি গবেষণা অনুসারে, ওমেগা -৩ চর্বি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া রক্তে চর্বির মাত্রা কমাতে এবং রক্তচাপকে কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগের ঝুঁকির কারণ, এটি কমানোর প্রাকৃতিক উপায় মেনে চলুন। এতে কিডনি ভালো রাখা সহজ হবে। সামুদ্রিক মাছ উচ্চ মানের প্রোটিন সরবরাহ করে। এতে ওমেগা-৩ নামক স্বাস্থ্যকর চর্বিও রয়েছে।
লাল আঙ্গুর
লাল আঙুরের বাইরের আবরণ ও বীজে রিসভারিট্রল নামের এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মেলে। এটি আমাদের ত্বক ও শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে লাল আঙুরে থাকা রিসভারিট্রল, পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামক তিন ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। লাল আঙুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। এই দুই ভিটামিন দূষণ থেকে রক্ষা করে ত্বককে। এছাড়া ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও আঙুরের জুড়ি নেই।

দিন দিন বেড়েই চলছে কিডনি রোগীর সংখ্যা। সেই তুলনায় যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা খুবই কম। তবে কিছু খাবার আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
কিডনি প্রস্রাবের গঠন এবং শরীরের বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণের জন্য রক্ত পরিষ্কার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার আমাদের কিডনিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে এবং কিডনির কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করে। চলুন জেনে নেই সেই সব খাবার সম্পর্কে—
ফুলকপি
ফুলকপি ভিটামিন কে, ফোলেট এবং ফাইবারসহ অনেক পুষ্টি সরবরাহ করে। এটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগ রয়েছে, যা আপনার কিডনি পরিষ্কার রাখতে সহয়তা করে। এ ছাড়া আপনি চাইলে কম পটাসিয়াম যুক্ত সাইড খাবার হিসেবে আলুর জায়গায় ম্যাশ করা ফুলকপি ব্যবহার করতে পারেন।
সাইট্রাস জাতীয় ফল
লেবু বা কমলা আমাদের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। এই ফলগুলোতে উচ্চ মাত্রার সাইট্রেটের উপস্থিতির থাকে, যা কিডনিতে পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এসব ফল আপনার কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ব্লুবেরি
ব্লুবেরি পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা অ্যান্থোসায়ানিন নামে পরিচিত। এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়া ব্লুবেরিতে কম সোডিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।
সামুদ্রিক মাছ
স্যামন, টুনা জাতীয় চর্বিযুক্ত মাছ কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের একটি গবেষণা অনুসারে, ওমেগা -৩ চর্বি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া রক্তে চর্বির মাত্রা কমাতে এবং রক্তচাপকে কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগের ঝুঁকির কারণ, এটি কমানোর প্রাকৃতিক উপায় মেনে চলুন। এতে কিডনি ভালো রাখা সহজ হবে। সামুদ্রিক মাছ উচ্চ মানের প্রোটিন সরবরাহ করে। এতে ওমেগা-৩ নামক স্বাস্থ্যকর চর্বিও রয়েছে।
লাল আঙ্গুর
লাল আঙুরের বাইরের আবরণ ও বীজে রিসভারিট্রল নামের এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মেলে। এটি আমাদের ত্বক ও শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে লাল আঙুরে থাকা রিসভারিট্রল, পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামক তিন ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। লাল আঙুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। এই দুই ভিটামিন দূষণ থেকে রক্ষা করে ত্বককে। এছাড়া ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও আঙুরের জুড়ি নেই।

দিন দিন বেড়েই চলছে কিডনি রোগীর সংখ্যা। সেই তুলনায় যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা খুবই কম। তবে কিছু খাবার আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
কিডনি প্রস্রাবের গঠন এবং শরীরের বিপাকীয় বর্জ্য নিঃসরণের জন্য রক্ত পরিষ্কার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু খাবার আমাদের কিডনিকে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে এবং কিডনির কার্যকারিতা বাড়াতে কাজ করে। চলুন জেনে নেই সেই সব খাবার সম্পর্কে—
ফুলকপি
ফুলকপি ভিটামিন কে, ফোলেট এবং ফাইবারসহ অনেক পুষ্টি সরবরাহ করে। এটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি যৌগ রয়েছে, যা আপনার কিডনি পরিষ্কার রাখতে সহয়তা করে। এ ছাড়া আপনি চাইলে কম পটাসিয়াম যুক্ত সাইড খাবার হিসেবে আলুর জায়গায় ম্যাশ করা ফুলকপি ব্যবহার করতে পারেন।
সাইট্রাস জাতীয় ফল
লেবু বা কমলা আমাদের শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে এবং কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে। এই ফলগুলোতে উচ্চ মাত্রার সাইট্রেটের উপস্থিতির থাকে, যা কিডনিতে পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়তা করে। এসব ফল আপনার কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
ব্লুবেরি
ব্লুবেরি পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা অ্যান্থোসায়ানিন নামে পরিচিত। এটি হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়া ব্লুবেরিতে কম সোডিয়াম, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে।
সামুদ্রিক মাছ
স্যামন, টুনা জাতীয় চর্বিযুক্ত মাছ কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ন্যাশনাল কিডনি ফাউন্ডেশনের একটি গবেষণা অনুসারে, ওমেগা -৩ চর্বি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া রক্তে চর্বির মাত্রা কমাতে এবং রক্তচাপকে কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগের ঝুঁকির কারণ, এটি কমানোর প্রাকৃতিক উপায় মেনে চলুন। এতে কিডনি ভালো রাখা সহজ হবে। সামুদ্রিক মাছ উচ্চ মানের প্রোটিন সরবরাহ করে। এতে ওমেগা-৩ নামক স্বাস্থ্যকর চর্বিও রয়েছে।
লাল আঙ্গুর
লাল আঙুরের বাইরের আবরণ ও বীজে রিসভারিট্রল নামের এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মেলে। এটি আমাদের ত্বক ও শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে লাল আঙুরে থাকা রিসভারিট্রল, পলিফেনল ও ফ্ল্যাভোনয়েড নামক তিন ধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। লাল আঙুরে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। এই দুই ভিটামিন দূষণ থেকে রক্ষা করে ত্বককে। এছাড়া ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতেও আঙুরের জুড়ি নেই।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!