
শীতকাল এলেই ঠান্ডা লাগা ও গলা ব্যথার আশঙ্কা বাড়ে। ঠান্ডা বা গলা ব্যথা হলে অনেকেই অস্বস্তি কমাতে ঘন ঘন গরম পানি পান করেন। আবার কেউ কেউ শরীর স্বস্তিতে রাখা, ওজন কমানো বা ডিটক্সের জন্যও নিয়মিত গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস করেন।
সাধারণভাবে গরম পানি হজমের জন্য ভালো বলে মনে করা হয়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে—শীতে যদি খুব বেশি গরম পানি পান করা হয়, তাহলে কি হজমের কোনো সমস্যা হতে পারে? ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলুন বিষয়টি সহজভাবে জেনে নেওয়া যাক।
গরম পানি পানের উপকারিতা
হজমে সহায়তা: গরম পানি খাদ্যনালীকে সক্রিয় করে এবং অন্ত্রের পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে। ফলে হজম দ্রুত হয় এবং খাবার সহজে নেমে যায়।
ডিটক্সিফিকেশন: গরম পানি শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ায়, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: পর্যাপ্ত পরিমাণ গরম পানি পান করলে অন্ত্রের গতি বাড়ে ও খাবার নরম থাকে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য ধীরে ধীরে কমে।
সম্ভাব্য ক্ষতি
সমস্যা মূলত পানির অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে হতে পারে।
খাদ্যনালীর ক্ষতি: অত্যধিক গরম পানি মুখ ও খাদ্যনালীর সংবেদনশীল টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে প্রদাহ বা দগ্ধ হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
হজম এনজাইমে প্রভাব: খুব গরম পানি পেটের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাময়িকভাবে পরিবর্তন করে এনজাইমের কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা (দুর্লভ):
অত্যধিক গরম পানীয় শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে কিছু ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশন ঘটাতে পারে।
পরামর্শ
শীতে পরিমিত উষ্ণ পানি পান হজমের জন্য ভালো এবং সাধারণত কোনো সমস্যা করে না। তবে পানি এত গরম হওয়া উচিত নয় যে মুখ বা গলা পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। হজম ভালো রাখতে অতিরিক্ত গরম পানি এড়িয়ে, আরামদায়ক উষ্ণ পানি পান করাই উত্তম।

শীতকাল এলেই ঠান্ডা লাগা ও গলা ব্যথার আশঙ্কা বাড়ে। ঠান্ডা বা গলা ব্যথা হলে অনেকেই অস্বস্তি কমাতে ঘন ঘন গরম পানি পান করেন। আবার কেউ কেউ শরীর স্বস্তিতে রাখা, ওজন কমানো বা ডিটক্সের জন্যও নিয়মিত গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস করেন।
সাধারণভাবে গরম পানি হজমের জন্য ভালো বলে মনে করা হয়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে—শীতে যদি খুব বেশি গরম পানি পান করা হয়, তাহলে কি হজমের কোনো সমস্যা হতে পারে? ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলুন বিষয়টি সহজভাবে জেনে নেওয়া যাক।
গরম পানি পানের উপকারিতা
হজমে সহায়তা: গরম পানি খাদ্যনালীকে সক্রিয় করে এবং অন্ত্রের পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে। ফলে হজম দ্রুত হয় এবং খাবার সহজে নেমে যায়।
ডিটক্সিফিকেশন: গরম পানি শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ায়, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: পর্যাপ্ত পরিমাণ গরম পানি পান করলে অন্ত্রের গতি বাড়ে ও খাবার নরম থাকে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য ধীরে ধীরে কমে।
সম্ভাব্য ক্ষতি
সমস্যা মূলত পানির অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে হতে পারে।
খাদ্যনালীর ক্ষতি: অত্যধিক গরম পানি মুখ ও খাদ্যনালীর সংবেদনশীল টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে প্রদাহ বা দগ্ধ হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
হজম এনজাইমে প্রভাব: খুব গরম পানি পেটের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাময়িকভাবে পরিবর্তন করে এনজাইমের কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা (দুর্লভ):
অত্যধিক গরম পানীয় শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে কিছু ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশন ঘটাতে পারে।
পরামর্শ
শীতে পরিমিত উষ্ণ পানি পান হজমের জন্য ভালো এবং সাধারণত কোনো সমস্যা করে না। তবে পানি এত গরম হওয়া উচিত নয় যে মুখ বা গলা পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। হজম ভালো রাখতে অতিরিক্ত গরম পানি এড়িয়ে, আরামদায়ক উষ্ণ পানি পান করাই উত্তম।

শীতকাল এলেই ঠান্ডা লাগা ও গলা ব্যথার আশঙ্কা বাড়ে। ঠান্ডা বা গলা ব্যথা হলে অনেকেই অস্বস্তি কমাতে ঘন ঘন গরম পানি পান করেন। আবার কেউ কেউ শরীর স্বস্তিতে রাখা, ওজন কমানো বা ডিটক্সের জন্যও নিয়মিত গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস করেন।
সাধারণভাবে গরম পানি হজমের জন্য ভালো বলে মনে করা হয়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে—শীতে যদি খুব বেশি গরম পানি পান করা হয়, তাহলে কি হজমের কোনো সমস্যা হতে পারে? ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলুন বিষয়টি সহজভাবে জেনে নেওয়া যাক।
গরম পানি পানের উপকারিতা
হজমে সহায়তা: গরম পানি খাদ্যনালীকে সক্রিয় করে এবং অন্ত্রের পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে। ফলে হজম দ্রুত হয় এবং খাবার সহজে নেমে যায়।
ডিটক্সিফিকেশন: গরম পানি শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ায়, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: পর্যাপ্ত পরিমাণ গরম পানি পান করলে অন্ত্রের গতি বাড়ে ও খাবার নরম থাকে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য ধীরে ধীরে কমে।
সম্ভাব্য ক্ষতি
সমস্যা মূলত পানির অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে হতে পারে।
খাদ্যনালীর ক্ষতি: অত্যধিক গরম পানি মুখ ও খাদ্যনালীর সংবেদনশীল টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে প্রদাহ বা দগ্ধ হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
হজম এনজাইমে প্রভাব: খুব গরম পানি পেটের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাময়িকভাবে পরিবর্তন করে এনজাইমের কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা (দুর্লভ):
অত্যধিক গরম পানীয় শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে কিছু ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশন ঘটাতে পারে।
পরামর্শ
শীতে পরিমিত উষ্ণ পানি পান হজমের জন্য ভালো এবং সাধারণত কোনো সমস্যা করে না। তবে পানি এত গরম হওয়া উচিত নয় যে মুখ বা গলা পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। হজম ভালো রাখতে অতিরিক্ত গরম পানি এড়িয়ে, আরামদায়ক উষ্ণ পানি পান করাই উত্তম।

শীতকাল এলেই ঠান্ডা লাগা ও গলা ব্যথার আশঙ্কা বাড়ে। ঠান্ডা বা গলা ব্যথা হলে অনেকেই অস্বস্তি কমাতে ঘন ঘন গরম পানি পান করেন। আবার কেউ কেউ শরীর স্বস্তিতে রাখা, ওজন কমানো বা ডিটক্সের জন্যও নিয়মিত গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস করেন।
সাধারণভাবে গরম পানি হজমের জন্য ভালো বলে মনে করা হয়। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে—শীতে যদি খুব বেশি গরম পানি পান করা হয়, তাহলে কি হজমের কোনো সমস্যা হতে পারে? ভারতের একটি সংবাদমাধ্যম এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলুন বিষয়টি সহজভাবে জেনে নেওয়া যাক।
গরম পানি পানের উপকারিতা
হজমে সহায়তা: গরম পানি খাদ্যনালীকে সক্রিয় করে এবং অন্ত্রের পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে। ফলে হজম দ্রুত হয় এবং খাবার সহজে নেমে যায়।
ডিটক্সিফিকেশন: গরম পানি শরীরের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ায়, রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সাহায্য করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়: পর্যাপ্ত পরিমাণ গরম পানি পান করলে অন্ত্রের গতি বাড়ে ও খাবার নরম থাকে, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য ধীরে ধীরে কমে।
সম্ভাব্য ক্ষতি
সমস্যা মূলত পানির অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে হতে পারে।
খাদ্যনালীর ক্ষতি: অত্যধিক গরম পানি মুখ ও খাদ্যনালীর সংবেদনশীল টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে প্রদাহ বা দগ্ধ হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
হজম এনজাইমে প্রভাব: খুব গরম পানি পেটের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাময়িকভাবে পরিবর্তন করে এনজাইমের কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
ডিহাইড্রেশনের সম্ভাবনা (দুর্লভ):
অত্যধিক গরম পানীয় শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে কিছু ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশন ঘটাতে পারে।
পরামর্শ
শীতে পরিমিত উষ্ণ পানি পান হজমের জন্য ভালো এবং সাধারণত কোনো সমস্যা করে না। তবে পানি এত গরম হওয়া উচিত নয় যে মুখ বা গলা পুড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। হজম ভালো রাখতে অতিরিক্ত গরম পানি এড়িয়ে, আরামদায়ক উষ্ণ পানি পান করাই উত্তম।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!