
পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনের পর ৩০টির বেশি স্থানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই সহিংসতার জন্য তিনি সরাসরি বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, ‘এখন পর্যন্ত পঞ্চগড়-১ আসনে প্রায় ৩০টির বেশি জায়গায় বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর, তাদের বাড়িঘরে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে, হুমকি দিয়েছে। অনেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আছে।’
বিএনপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কি এখনো পুরোনো কায়দায় প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চায় কি না, সেটা তাদের স্পষ্ট করতে হবে।’
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত এই প্রার্থী বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করতে এসেছি। পুরোনো নোংরা রাজনৈতিক কালচারগুলোকে পরিবর্তন করে নতুন রাজনীতি করতে এসেছি। ক্ষমতা চিরস্থায়ী কোনো বিষয় নয়। যারা অতি উৎসাহী হয়ে এই কাজগুলো করছেন, তাদেরকে সংশোধন হওয়ার আহ্বান করছি।’
বিজয়ী শিবিরের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সারজিস আলম লেখেন, ‘অতীত থেকে শিক্ষা নেন, মনে রাখবেন-এক মাঘে শীত যায় না।’
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের কাছে হেরে যান সারজিস আলম। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পর রাতেই সারজিস আলম সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হামলার এই অভিযোগ সামনে এলো।
এই অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনের পর ৩০টির বেশি স্থানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই সহিংসতার জন্য তিনি সরাসরি বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, ‘এখন পর্যন্ত পঞ্চগড়-১ আসনে প্রায় ৩০টির বেশি জায়গায় বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর, তাদের বাড়িঘরে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে, হুমকি দিয়েছে। অনেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আছে।’
বিএনপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কি এখনো পুরোনো কায়দায় প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চায় কি না, সেটা তাদের স্পষ্ট করতে হবে।’
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত এই প্রার্থী বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করতে এসেছি। পুরোনো নোংরা রাজনৈতিক কালচারগুলোকে পরিবর্তন করে নতুন রাজনীতি করতে এসেছি। ক্ষমতা চিরস্থায়ী কোনো বিষয় নয়। যারা অতি উৎসাহী হয়ে এই কাজগুলো করছেন, তাদেরকে সংশোধন হওয়ার আহ্বান করছি।’
বিজয়ী শিবিরের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সারজিস আলম লেখেন, ‘অতীত থেকে শিক্ষা নেন, মনে রাখবেন-এক মাঘে শীত যায় না।’
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের কাছে হেরে যান সারজিস আলম। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পর রাতেই সারজিস আলম সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হামলার এই অভিযোগ সামনে এলো।
এই অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনের পর ৩০টির বেশি স্থানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই সহিংসতার জন্য তিনি সরাসরি বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, ‘এখন পর্যন্ত পঞ্চগড়-১ আসনে প্রায় ৩০টির বেশি জায়গায় বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর, তাদের বাড়িঘরে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে, হুমকি দিয়েছে। অনেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আছে।’
বিএনপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কি এখনো পুরোনো কায়দায় প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চায় কি না, সেটা তাদের স্পষ্ট করতে হবে।’
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত এই প্রার্থী বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করতে এসেছি। পুরোনো নোংরা রাজনৈতিক কালচারগুলোকে পরিবর্তন করে নতুন রাজনীতি করতে এসেছি। ক্ষমতা চিরস্থায়ী কোনো বিষয় নয়। যারা অতি উৎসাহী হয়ে এই কাজগুলো করছেন, তাদেরকে সংশোধন হওয়ার আহ্বান করছি।’
বিজয়ী শিবিরের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সারজিস আলম লেখেন, ‘অতীত থেকে শিক্ষা নেন, মনে রাখবেন-এক মাঘে শীত যায় না।’
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের কাছে হেরে যান সারজিস আলম। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পর রাতেই সারজিস আলম সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হামলার এই অভিযোগ সামনে এলো।
এই অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পঞ্চগড়-১ আসনে নির্বাচনের পর ৩০টির বেশি স্থানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই সহিংসতার জন্য তিনি সরাসরি বিএনপির নেতাকর্মীদের দায়ী করেছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, ‘এখন পর্যন্ত পঞ্চগড়-১ আসনে প্রায় ৩০টির বেশি জায়গায় বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর, তাদের বাড়িঘরে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে, হুমকি দিয়েছে। অনেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে আছে।’
বিএনপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি কি এখনো পুরোনো কায়দায় প্রতিহিংসার রাজনীতি করতে চায় কি না, সেটা তাদের স্পষ্ট করতে হবে।’
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত এই প্রার্থী বলেন, ‘আমরা রাজনীতি করতে এসেছি। পুরোনো নোংরা রাজনৈতিক কালচারগুলোকে পরিবর্তন করে নতুন রাজনীতি করতে এসেছি। ক্ষমতা চিরস্থায়ী কোনো বিষয় নয়। যারা অতি উৎসাহী হয়ে এই কাজগুলো করছেন, তাদেরকে সংশোধন হওয়ার আহ্বান করছি।’
বিজয়ী শিবিরের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে সারজিস আলম লেখেন, ‘অতীত থেকে শিক্ষা নেন, মনে রাখবেন-এক মাঘে শীত যায় না।’
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের কাছে হেরে যান সারজিস আলম। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, নওশাদ জমির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট। ফলাফল ঘোষণার পর রাতেই সারজিস আলম সশরীরে উপস্থিত হয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। তবে এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হামলার এই অভিযোগ সামনে এলো।
এই অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!