মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সমর্থন পেতে হিমশিম খাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে সামরিক সহায়তার আহ্বান জানালেও তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে জাপান ও ফ্রান্স।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-এর সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ফলে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে।
শনিবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, ইরানের অবরোধের মুখে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে কাজ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য এই উদ্যোগে যুক্ত হবে।
তবে জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এর নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি দেশটির সংবাদমাধ্যমকে জানান, সাংবিধানিক ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো টোকিওর জন্য অত্যন্ত কঠিন।
তিনি বলেন, জাপান সামরিক অংশগ্রহণের পরিবর্তে সতর্ক ও রক্ষণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখবে। দেশটির শান্তিবাদী সংবিধান সরাসরি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের অনুমতি দেয় না।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে না। বর্তমানে ফরাসি বিমানবাহী রণতরী পূর্ব ভূমধ্যসাগরে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এবং বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এই পথ কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও দ্রুত বেড়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প যখন মিত্রদের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন ইরান তার ঘনিষ্ঠ দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে সীমিতভাবে জাহাজ চলাচল চালু রেখেছে। ইতোমধ্যে ভারত ও তুরস্ক-এর সঙ্গে আলোচনার পর তাদের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিয়েছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সমর্থন পেতে হিমশিম খাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে সামরিক সহায়তার আহ্বান জানালেও তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে জাপান ও ফ্রান্স।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-এর সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ফলে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে।
শনিবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, ইরানের অবরোধের মুখে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে কাজ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য এই উদ্যোগে যুক্ত হবে।
তবে জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এর নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি দেশটির সংবাদমাধ্যমকে জানান, সাংবিধানিক ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো টোকিওর জন্য অত্যন্ত কঠিন।
তিনি বলেন, জাপান সামরিক অংশগ্রহণের পরিবর্তে সতর্ক ও রক্ষণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখবে। দেশটির শান্তিবাদী সংবিধান সরাসরি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের অনুমতি দেয় না।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে না। বর্তমানে ফরাসি বিমানবাহী রণতরী পূর্ব ভূমধ্যসাগরে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এবং বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এই পথ কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও দ্রুত বেড়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প যখন মিত্রদের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন ইরান তার ঘনিষ্ঠ দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে সীমিতভাবে জাহাজ চলাচল চালু রেখেছে। ইতোমধ্যে ভারত ও তুরস্ক-এর সঙ্গে আলোচনার পর তাদের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিয়েছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সমর্থন পেতে হিমশিম খাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে সামরিক সহায়তার আহ্বান জানালেও তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে জাপান ও ফ্রান্স।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-এর সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ফলে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে।
শনিবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, ইরানের অবরোধের মুখে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে কাজ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য এই উদ্যোগে যুক্ত হবে।
তবে জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এর নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি দেশটির সংবাদমাধ্যমকে জানান, সাংবিধানিক ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো টোকিওর জন্য অত্যন্ত কঠিন।
তিনি বলেন, জাপান সামরিক অংশগ্রহণের পরিবর্তে সতর্ক ও রক্ষণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখবে। দেশটির শান্তিবাদী সংবিধান সরাসরি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের অনুমতি দেয় না।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে না। বর্তমানে ফরাসি বিমানবাহী রণতরী পূর্ব ভূমধ্যসাগরে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এবং বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এই পথ কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও দ্রুত বেড়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প যখন মিত্রদের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন ইরান তার ঘনিষ্ঠ দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে সীমিতভাবে জাহাজ চলাচল চালু রেখেছে। ইতোমধ্যে ভারত ও তুরস্ক-এর সঙ্গে আলোচনার পর তাদের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিয়েছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের সমর্থন পেতে হিমশিম খাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে সামরিক সহায়তার আহ্বান জানালেও তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে জাপান ও ফ্রান্স।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র-এর সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ফলে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে।
শনিবার ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেন, ইরানের অবরোধের মুখে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে হরমুজ প্রণালী নিরাপদ রাখতে কাজ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন চীন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য এই উদ্যোগে যুক্ত হবে।
তবে জাপানের ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এর নীতি নির্ধারণী প্রধান তাকায়ুকি কোবায়াশি দেশটির সংবাদমাধ্যমকে জানান, সাংবিধানিক ও আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো টোকিওর জন্য অত্যন্ত কঠিন।
তিনি বলেন, জাপান সামরিক অংশগ্রহণের পরিবর্তে সতর্ক ও রক্ষণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখবে। দেশটির শান্তিবাদী সংবিধান সরাসরি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের অনুমতি দেয় না।
অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কোনো যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে না। বর্তমানে ফরাসি বিমানবাহী রণতরী পূর্ব ভূমধ্যসাগরে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ব্যারেল তেল এবং বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এই পথ কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামও দ্রুত বেড়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্প যখন মিত্রদের সমর্থন আদায়ে ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন ইরান তার ঘনিষ্ঠ দেশগুলোর সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে সীমিতভাবে জাহাজ চলাচল চালু রেখেছে। ইতোমধ্যে ভারত ও তুরস্ক-এর সঙ্গে আলোচনার পর তাদের জাহাজ চলাচলে ছাড় দিয়েছে তেহরান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!