
হুয়াওয়ে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষে সমৃদ্ধ, উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠন’। অনুষ্ঠানে সরকারি নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবকরা বাংলাদেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, মোবাইল অপারেটর, ফিনটেক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, এনডিসি-এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর প্রশাসন, ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে এআই, ফাইভজি, ক্লাউড, আইওটি ও ফিনটেক প্রযুক্তির রূপান্তরমূলক প্রভাব নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
আইসিটি বিভাগের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বিভাগের কৌশলগত উদ্যোগ ব্যাখ্যা করেন। জিএসএমএ এশিয়া প্যাসিফিক প্রধান জুলিয়ান গোরম্যান ‘ব্রিজিং দ্য ডিজিটাল ডিভাইড: এশিয়া প্যাসিফিক ইনসাইটস’ শীর্ষক বক্তব্য দেন। এছাড়া বিসিসি-এর নির্বাহী পরিচালক মো. আবু সাঈদ এবং এটুআই ও এনসিএসএ-এর প্রতিনিধিরা ‘এম্পাওয়ারিং এন্টারপ্রাইজেস থ্রু ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
‘ইন্ডাস্ট্রি ডিজিটাইজেশন’ বিষয়ে একটি প্যানেল সেশন পরিচালনা করেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এতে বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক, মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর, ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং হুয়াওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন শিল্পখাতে ডিজিটাল অবকাঠামো, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন,বাংলাদেশ আগেই ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা শুরু করেছে। আমরা এখন এই যাত্রার ধাপ ও দিকনির্দেশনা আরও স্পষ্ট করেছি। অংশীদারদের সহযোগিতায় ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে মানুষের আরও ক্ষমতায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য।
আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ আমাদের নীতিনির্ধারক, শিল্প নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী ও উদ্ভাবকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে। হুয়াওয়ে সহ সকল অংশীদারের সহযোগিতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ যাত্রা আরও গতিশীল হবে।
২০২৫ সালের মার্চে হুয়াওয়ে ও আইসিটি বিভাগ উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালীকরণে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ সেই অংশীদারত্বের মূল উদ্দেশ্যগুলো সামনে এনেছে।
গত প্রায় এক দশক ধরে হুয়াওয়ের সহযোগিতায় আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ করছে। হুয়াওয়ের ক্লাউড স্ট্যাক সল্যুশন ব্যবহার করে দেশের প্রথম সরকারি ক্লাউড প্ল্যাটফর্মও স্থাপন করা হয়, যা সরকারকে বহুমুখী সেবা দিচ্ছে। আইসিটি বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে নীতিনির্ধারণ, সংস্কার এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারসহ মাইগভ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি ডিজিটাল সেবা সহজলভ্য করেছে।
হুয়াওয়ে গত ২৭ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। টেলিকম অপারেটর, সরকারি সংস্থা ও করপোরেটদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভবিষ্যতে ‘সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাংলাদেশ’ গড়তে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।

হুয়াওয়ে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষে সমৃদ্ধ, উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠন’। অনুষ্ঠানে সরকারি নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবকরা বাংলাদেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, মোবাইল অপারেটর, ফিনটেক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, এনডিসি-এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর প্রশাসন, ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে এআই, ফাইভজি, ক্লাউড, আইওটি ও ফিনটেক প্রযুক্তির রূপান্তরমূলক প্রভাব নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
আইসিটি বিভাগের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বিভাগের কৌশলগত উদ্যোগ ব্যাখ্যা করেন। জিএসএমএ এশিয়া প্যাসিফিক প্রধান জুলিয়ান গোরম্যান ‘ব্রিজিং দ্য ডিজিটাল ডিভাইড: এশিয়া প্যাসিফিক ইনসাইটস’ শীর্ষক বক্তব্য দেন। এছাড়া বিসিসি-এর নির্বাহী পরিচালক মো. আবু সাঈদ এবং এটুআই ও এনসিএসএ-এর প্রতিনিধিরা ‘এম্পাওয়ারিং এন্টারপ্রাইজেস থ্রু ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
‘ইন্ডাস্ট্রি ডিজিটাইজেশন’ বিষয়ে একটি প্যানেল সেশন পরিচালনা করেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এতে বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক, মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর, ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং হুয়াওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন শিল্পখাতে ডিজিটাল অবকাঠামো, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন,বাংলাদেশ আগেই ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা শুরু করেছে। আমরা এখন এই যাত্রার ধাপ ও দিকনির্দেশনা আরও স্পষ্ট করেছি। অংশীদারদের সহযোগিতায় ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে মানুষের আরও ক্ষমতায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য।
আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ আমাদের নীতিনির্ধারক, শিল্প নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী ও উদ্ভাবকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে। হুয়াওয়ে সহ সকল অংশীদারের সহযোগিতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ যাত্রা আরও গতিশীল হবে।
২০২৫ সালের মার্চে হুয়াওয়ে ও আইসিটি বিভাগ উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালীকরণে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ সেই অংশীদারত্বের মূল উদ্দেশ্যগুলো সামনে এনেছে।
গত প্রায় এক দশক ধরে হুয়াওয়ের সহযোগিতায় আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ করছে। হুয়াওয়ের ক্লাউড স্ট্যাক সল্যুশন ব্যবহার করে দেশের প্রথম সরকারি ক্লাউড প্ল্যাটফর্মও স্থাপন করা হয়, যা সরকারকে বহুমুখী সেবা দিচ্ছে। আইসিটি বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে নীতিনির্ধারণ, সংস্কার এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারসহ মাইগভ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি ডিজিটাল সেবা সহজলভ্য করেছে।
হুয়াওয়ে গত ২৭ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। টেলিকম অপারেটর, সরকারি সংস্থা ও করপোরেটদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভবিষ্যতে ‘সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাংলাদেশ’ গড়তে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।

হুয়াওয়ে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষে সমৃদ্ধ, উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠন’। অনুষ্ঠানে সরকারি নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবকরা বাংলাদেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, মোবাইল অপারেটর, ফিনটেক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, এনডিসি-এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর প্রশাসন, ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে এআই, ফাইভজি, ক্লাউড, আইওটি ও ফিনটেক প্রযুক্তির রূপান্তরমূলক প্রভাব নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
আইসিটি বিভাগের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বিভাগের কৌশলগত উদ্যোগ ব্যাখ্যা করেন। জিএসএমএ এশিয়া প্যাসিফিক প্রধান জুলিয়ান গোরম্যান ‘ব্রিজিং দ্য ডিজিটাল ডিভাইড: এশিয়া প্যাসিফিক ইনসাইটস’ শীর্ষক বক্তব্য দেন। এছাড়া বিসিসি-এর নির্বাহী পরিচালক মো. আবু সাঈদ এবং এটুআই ও এনসিএসএ-এর প্রতিনিধিরা ‘এম্পাওয়ারিং এন্টারপ্রাইজেস থ্রু ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
‘ইন্ডাস্ট্রি ডিজিটাইজেশন’ বিষয়ে একটি প্যানেল সেশন পরিচালনা করেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এতে বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক, মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর, ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং হুয়াওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন শিল্পখাতে ডিজিটাল অবকাঠামো, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন,বাংলাদেশ আগেই ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা শুরু করেছে। আমরা এখন এই যাত্রার ধাপ ও দিকনির্দেশনা আরও স্পষ্ট করেছি। অংশীদারদের সহযোগিতায় ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে মানুষের আরও ক্ষমতায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য।
আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ আমাদের নীতিনির্ধারক, শিল্প নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী ও উদ্ভাবকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে। হুয়াওয়ে সহ সকল অংশীদারের সহযোগিতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ যাত্রা আরও গতিশীল হবে।
২০২৫ সালের মার্চে হুয়াওয়ে ও আইসিটি বিভাগ উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালীকরণে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ সেই অংশীদারত্বের মূল উদ্দেশ্যগুলো সামনে এনেছে।
গত প্রায় এক দশক ধরে হুয়াওয়ের সহযোগিতায় আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ করছে। হুয়াওয়ের ক্লাউড স্ট্যাক সল্যুশন ব্যবহার করে দেশের প্রথম সরকারি ক্লাউড প্ল্যাটফর্মও স্থাপন করা হয়, যা সরকারকে বহুমুখী সেবা দিচ্ছে। আইসিটি বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে নীতিনির্ধারণ, সংস্কার এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারসহ মাইগভ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি ডিজিটাল সেবা সহজলভ্য করেছে।
হুয়াওয়ে গত ২৭ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। টেলিকম অপারেটর, সরকারি সংস্থা ও করপোরেটদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভবিষ্যতে ‘সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাংলাদেশ’ গড়তে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।

হুয়াওয়ে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের উদ্যোগে আজ বুধবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উৎকর্ষে সমৃদ্ধ, উদ্ভাবনী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠন’। অনুষ্ঠানে সরকারি নীতিনির্ধারক, শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবকরা বাংলাদেশের চলমান ডিজিটাল রূপান্তরের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, মোবাইল অপারেটর, ফিনটেক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
হুয়াওয়ে বাংলাদেশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, এনডিসি-এর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর প্রশাসন, ব্যবসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে এআই, ফাইভজি, ক্লাউড, আইওটি ও ফিনটেক প্রযুক্তির রূপান্তরমূলক প্রভাব নিয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
আইসিটি বিভাগের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। অতিরিক্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বিভাগের কৌশলগত উদ্যোগ ব্যাখ্যা করেন। জিএসএমএ এশিয়া প্যাসিফিক প্রধান জুলিয়ান গোরম্যান ‘ব্রিজিং দ্য ডিজিটাল ডিভাইড: এশিয়া প্যাসিফিক ইনসাইটস’ শীর্ষক বক্তব্য দেন। এছাড়া বিসিসি-এর নির্বাহী পরিচালক মো. আবু সাঈদ এবং এটুআই ও এনসিএসএ-এর প্রতিনিধিরা ‘এম্পাওয়ারিং এন্টারপ্রাইজেস থ্রু ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
‘ইন্ডাস্ট্রি ডিজিটাইজেশন’ বিষয়ে একটি প্যানেল সেশন পরিচালনা করেন আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী। এতে বিটিআরসি, বাংলাদেশ ব্যাংক, মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর, ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং হুয়াওয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিভিন্ন শিল্পখাতে ডিজিটাল অবকাঠামো, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন,বাংলাদেশ আগেই ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রা শুরু করেছে। আমরা এখন এই যাত্রার ধাপ ও দিকনির্দেশনা আরও স্পষ্ট করেছি। অংশীদারদের সহযোগিতায় ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে মানুষের আরও ক্ষমতায়ন করাই আমাদের লক্ষ্য।
আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ আমাদের নীতিনির্ধারক, শিল্প নেতৃবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী ও উদ্ভাবকদের এক প্ল্যাটফর্মে এনেছে। হুয়াওয়ে সহ সকল অংশীদারের সহযোগিতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ যাত্রা আরও গতিশীল হবে।
২০২৫ সালের মার্চে হুয়াওয়ে ও আইসিটি বিভাগ উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালীকরণে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে। ‘বাংলাদেশ টেককানেক্ট ২০২৫’ সেই অংশীদারত্বের মূল উদ্দেশ্যগুলো সামনে এনেছে।
গত প্রায় এক দশক ধরে হুয়াওয়ের সহযোগিতায় আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ করছে। হুয়াওয়ের ক্লাউড স্ট্যাক সল্যুশন ব্যবহার করে দেশের প্রথম সরকারি ক্লাউড প্ল্যাটফর্মও স্থাপন করা হয়, যা সরকারকে বহুমুখী সেবা দিচ্ছে। আইসিটি বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে নীতিনির্ধারণ, সংস্কার এবং সাইবার নিরাপত্তা জোরদারসহ মাইগভ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি ডিজিটাল সেবা সহজলভ্য করেছে।
হুয়াওয়ে গত ২৭ বছর ধরে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। টেলিকম অপারেটর, সরকারি সংস্থা ও করপোরেটদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশে ডিজিটাল রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ভবিষ্যতে ‘সম্পূর্ণ সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাংলাদেশ’ গড়তে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!