বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে থাকা কুমিরটিকে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বন বিভাগের সহায়তায় কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাজার কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, কুমিরটি স্থানান্তরের জন্য বুধবার খুলনা থেকে বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাগেরহাটে আসবে। তারা কুমিরটির অবস্থান ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ধরার কৌশল, স্থানান্তরের সময় এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয় নির্ধারণ করবেন।
সম্প্রতি মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নেমে ফাতেমা আক্তার নামে এক শিশু কুমিরের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দিঘিতে থাকা কুমিরের বিষয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি ওঠে।
এর পরিপ্রেক্ষিতেই কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে থাকা কুমিরটিকে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বন বিভাগের সহায়তায় কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাজার কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, কুমিরটি স্থানান্তরের জন্য বুধবার খুলনা থেকে বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাগেরহাটে আসবে। তারা কুমিরটির অবস্থান ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ধরার কৌশল, স্থানান্তরের সময় এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয় নির্ধারণ করবেন।
সম্প্রতি মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নেমে ফাতেমা আক্তার নামে এক শিশু কুমিরের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দিঘিতে থাকা কুমিরের বিষয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি ওঠে।
এর পরিপ্রেক্ষিতেই কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে থাকা কুমিরটিকে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বন বিভাগের সহায়তায় কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাজার কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, কুমিরটি স্থানান্তরের জন্য বুধবার খুলনা থেকে বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাগেরহাটে আসবে। তারা কুমিরটির অবস্থান ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ধরার কৌশল, স্থানান্তরের সময় এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয় নির্ধারণ করবেন।
সম্প্রতি মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নেমে ফাতেমা আক্তার নামে এক শিশু কুমিরের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দিঘিতে থাকা কুমিরের বিষয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি ওঠে।
এর পরিপ্রেক্ষিতেই কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে থাকা কুমিরটিকে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। বন বিভাগের সহায়তায় কুমিরটিকে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, মাজার কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, কুমিরটি স্থানান্তরের জন্য বুধবার খুলনা থেকে বিশেষজ্ঞদের একটি দল বাগেরহাটে আসবে। তারা কুমিরটির অবস্থান ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ধরার কৌশল, স্থানান্তরের সময় এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি বিষয় নির্ধারণ করবেন।
সম্প্রতি মাজারের দিঘিতে গোসল করতে নেমে ফাতেমা আক্তার নামে এক শিশু কুমিরের হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং দিঘিতে থাকা কুমিরের বিষয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি ওঠে।
এর পরিপ্রেক্ষিতেই কুমিরটিকে দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!