
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নতুন ফ্লাইওভার লেন। দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে চালু করা বগুড়া-রংপুরগামী এই লেন দিয়ে ইতোমধ্যেই যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ফ্লাইওভার লেন দিয়ে নিয়মিতভাবে বাস, ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। ফলে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। এখান থেকেই ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুরমুখী যানবাহন পৃথক হয়ে যায়। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও ঈদ মৌসুমে তা বেড়ে প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছে যায়। ফলে প্রতিবছরই এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক সরফরাজ হোসাইন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ২১ মে সকালে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া-রংপুরমুখী ফ্লাইওভার লেনটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ফলে লেনটি উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। তবে নতুন লেন চালু হওয়ায় হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানজটের তীব্রতা অনেকটাই কমবে এবং উত্তরবঙ্গের মানুষের ঈদযাত্রা আগের তুলনায় আরও স্বস্তিদায়ক হবে।

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নতুন ফ্লাইওভার লেন। দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে চালু করা বগুড়া-রংপুরগামী এই লেন দিয়ে ইতোমধ্যেই যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ফ্লাইওভার লেন দিয়ে নিয়মিতভাবে বাস, ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। ফলে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। এখান থেকেই ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুরমুখী যানবাহন পৃথক হয়ে যায়। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও ঈদ মৌসুমে তা বেড়ে প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছে যায়। ফলে প্রতিবছরই এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক সরফরাজ হোসাইন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ২১ মে সকালে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া-রংপুরমুখী ফ্লাইওভার লেনটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ফলে লেনটি উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। তবে নতুন লেন চালু হওয়ায় হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানজটের তীব্রতা অনেকটাই কমবে এবং উত্তরবঙ্গের মানুষের ঈদযাত্রা আগের তুলনায় আরও স্বস্তিদায়ক হবে।

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নতুন ফ্লাইওভার লেন। দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে চালু করা বগুড়া-রংপুরগামী এই লেন দিয়ে ইতোমধ্যেই যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ফ্লাইওভার লেন দিয়ে নিয়মিতভাবে বাস, ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। ফলে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। এখান থেকেই ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুরমুখী যানবাহন পৃথক হয়ে যায়। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও ঈদ মৌসুমে তা বেড়ে প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছে যায়। ফলে প্রতিবছরই এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক সরফরাজ হোসাইন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ২১ মে সকালে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া-রংপুরমুখী ফ্লাইওভার লেনটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ফলে লেনটি উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। তবে নতুন লেন চালু হওয়ায় হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানজটের তীব্রতা অনেকটাই কমবে এবং উত্তরবঙ্গের মানুষের ঈদযাত্রা আগের তুলনায় আরও স্বস্তিদায়ক হবে।

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীদের জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের নতুন ফ্লাইওভার লেন। দীর্ঘদিনের যানজট নিরসনে চালু করা বগুড়া-রংপুরগামী এই লেন দিয়ে ইতোমধ্যেই যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
শনিবার (২৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ফ্লাইওভার লেন দিয়ে নিয়মিতভাবে বাস, ট্রাক, ব্যক্তিগত গাড়িসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে। ফলে হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোলচত্বর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করে। এখান থেকেই ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুরমুখী যানবাহন পৃথক হয়ে যায়। স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার যানবাহন চলাচল করলেও ঈদ মৌসুমে তা বেড়ে প্রায় ৫০ হাজারে পৌঁছে যায়। ফলে প্রতিবছরই এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
সাসেক-২ প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক সরফরাজ হোসাইন বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গত ২১ মে সকালে নির্মাণাধীন হাটিকুমরুল ইন্টারচেঞ্জের বগুড়া-রংপুরমুখী ফ্লাইওভার লেনটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ফলে লেনটি উত্তরাঞ্চলগামী যানবাহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের আগে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। তবে নতুন লেন চালু হওয়ায় হাটিকুমরুল গোলচত্বরে যানজটের তীব্রতা অনেকটাই কমবে এবং উত্তরবঙ্গের মানুষের ঈদযাত্রা আগের তুলনায় আরও স্বস্তিদায়ক হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!