চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ওরফে ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আদালতে ডনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম আসলাম জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে আদালতে হাজির করে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২৭ আগস্ট মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৯ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এর মধ্যে একাধিকবার জামিনের আবেদন করা হলেও তা মঞ্জুর হয়নি।
সালমান শাহ হত্যা মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে সিআইডি। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চাওয়া হলে আদালত আগামী ৫ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হয়। পরে সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, তার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ওরফে ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আদালতে ডনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম আসলাম জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে আদালতে হাজির করে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২৭ আগস্ট মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৯ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এর মধ্যে একাধিকবার জামিনের আবেদন করা হলেও তা মঞ্জুর হয়নি।
সালমান শাহ হত্যা মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে সিআইডি। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চাওয়া হলে আদালত আগামী ৫ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হয়। পরে সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, তার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ওরফে ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আদালতে ডনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম আসলাম জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে আদালতে হাজির করে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২৭ আগস্ট মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৯ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এর মধ্যে একাধিকবার জামিনের আবেদন করা হলেও তা মঞ্জুর হয়নি।
সালমান শাহ হত্যা মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে সিআইডি। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চাওয়া হলে আদালত আগামী ৫ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হয়। পরে সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, তার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি খলনায়ক আশরাফুল হক ওরফে ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আদালতে ডনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম আসলাম জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৯ আগস্ট ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে আদালতে হাজির করে। আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ২৭ আগস্ট মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৯ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এর মধ্যে একাধিকবার জামিনের আবেদন করা হলেও তা মঞ্জুর হয়নি।
সালমান শাহ হত্যা মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছে সিআইডি। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টেম্বর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় চাওয়া হলে আদালত আগামী ৫ নভেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। এর আগে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একাধিকবার সময় নেওয়া হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহকে এজাহারনামীয় অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০২৫ সালের অক্টোবরে আদালতের নির্দেশে ঘটনাটি হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হয়। পরে সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, তার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, আশরাফুল হক ডনসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো বিচারিকভাবে প্রমাণিত হয়নি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!