নাট্যজন ও অভিনেতা আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শনিবার রাত থেকে বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিওতে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশ-বিদেশে থাকা আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে ফোন করেন। কেউ কেউ কান্নায়ও ভেঙে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত ও বিব্রত আবুল হায়াত নিজেই জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আবুল হায়াত বলেন, ‘আমি একদম ঠিক আছি। গতকাল থেকে এমন খবর ছড়িয়েছে। প্রথমে বিষয়টি খুব একটা পাত্তা দিইনি। কিন্তু আজ দেখছি, এটা সীমা অতিক্রম করেছে। দেশ-বিদেশে থাকা আমার বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনেরা একের পর এক ফোন করছেন। কেউ কেউ তো কাঁদছিলেনও। বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর এবং বিব্রতকর।’
৩ অক্টোবর রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরে গুজব আরও ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেতা। পরিবারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তার মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
যারা এমন গুজব ছড়াচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে আবুল হায়াত বলেন, ‘যারা এসব খবর ছড়াচ্ছেন, তাদের প্রতি আমি খুবই বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ। একজন জীবিত মানুষকে এভাবে মেরে ফেলা যায় না। এর ফলে শুধু ওই মানুষটিই নয়, তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও ভীষণ কষ্ট পান।’
এর আগেও একাধিকবার আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেসব ঘটনায়ও ক্ষোভ ও কষ্ট প্রকাশ করেছিলেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে ভুয়া খবর বিশ্বাস করে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আতঙ্কিত হয়ে ফোন করার বিষয়টি তাকে বেশি কষ্ট দেয়।
১৯৬৯ সালে ‘ইডিপাস’ নাটকের মধ্য দিয়ে টেলিভিশনে অভিনয় শুরু করেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অসংখ্য চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখিতেও সক্রিয় এই নাট্যজন।
নাটক ও টেলিছবি নির্মাণের পাশাপাশি উপন্যাস ও আত্মজীবনীও লিখেছেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদকসহ নানা সম্মাননা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিজের মৃত্যুর খবরকে গুজব উল্লেখ করে আবুল হায়াত জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
নাট্যজন ও অভিনেতা আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শনিবার রাত থেকে বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিওতে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশ-বিদেশে থাকা আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে ফোন করেন। কেউ কেউ কান্নায়ও ভেঙে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত ও বিব্রত আবুল হায়াত নিজেই জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আবুল হায়াত বলেন, ‘আমি একদম ঠিক আছি। গতকাল থেকে এমন খবর ছড়িয়েছে। প্রথমে বিষয়টি খুব একটা পাত্তা দিইনি। কিন্তু আজ দেখছি, এটা সীমা অতিক্রম করেছে। দেশ-বিদেশে থাকা আমার বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনেরা একের পর এক ফোন করছেন। কেউ কেউ তো কাঁদছিলেনও। বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর এবং বিব্রতকর।’
৩ অক্টোবর রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরে গুজব আরও ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেতা। পরিবারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তার মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
যারা এমন গুজব ছড়াচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে আবুল হায়াত বলেন, ‘যারা এসব খবর ছড়াচ্ছেন, তাদের প্রতি আমি খুবই বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ। একজন জীবিত মানুষকে এভাবে মেরে ফেলা যায় না। এর ফলে শুধু ওই মানুষটিই নয়, তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও ভীষণ কষ্ট পান।’
এর আগেও একাধিকবার আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেসব ঘটনায়ও ক্ষোভ ও কষ্ট প্রকাশ করেছিলেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে ভুয়া খবর বিশ্বাস করে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আতঙ্কিত হয়ে ফোন করার বিষয়টি তাকে বেশি কষ্ট দেয়।
১৯৬৯ সালে ‘ইডিপাস’ নাটকের মধ্য দিয়ে টেলিভিশনে অভিনয় শুরু করেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অসংখ্য চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখিতেও সক্রিয় এই নাট্যজন।
নাটক ও টেলিছবি নির্মাণের পাশাপাশি উপন্যাস ও আত্মজীবনীও লিখেছেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদকসহ নানা সম্মাননা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিজের মৃত্যুর খবরকে গুজব উল্লেখ করে আবুল হায়াত জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
নাট্যজন ও অভিনেতা আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শনিবার রাত থেকে বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিওতে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশ-বিদেশে থাকা আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে ফোন করেন। কেউ কেউ কান্নায়ও ভেঙে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত ও বিব্রত আবুল হায়াত নিজেই জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আবুল হায়াত বলেন, ‘আমি একদম ঠিক আছি। গতকাল থেকে এমন খবর ছড়িয়েছে। প্রথমে বিষয়টি খুব একটা পাত্তা দিইনি। কিন্তু আজ দেখছি, এটা সীমা অতিক্রম করেছে। দেশ-বিদেশে থাকা আমার বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনেরা একের পর এক ফোন করছেন। কেউ কেউ তো কাঁদছিলেনও। বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর এবং বিব্রতকর।’
৩ অক্টোবর রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরে গুজব আরও ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেতা। পরিবারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তার মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
যারা এমন গুজব ছড়াচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে আবুল হায়াত বলেন, ‘যারা এসব খবর ছড়াচ্ছেন, তাদের প্রতি আমি খুবই বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ। একজন জীবিত মানুষকে এভাবে মেরে ফেলা যায় না। এর ফলে শুধু ওই মানুষটিই নয়, তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও ভীষণ কষ্ট পান।’
এর আগেও একাধিকবার আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেসব ঘটনায়ও ক্ষোভ ও কষ্ট প্রকাশ করেছিলেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে ভুয়া খবর বিশ্বাস করে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আতঙ্কিত হয়ে ফোন করার বিষয়টি তাকে বেশি কষ্ট দেয়।
১৯৬৯ সালে ‘ইডিপাস’ নাটকের মধ্য দিয়ে টেলিভিশনে অভিনয় শুরু করেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অসংখ্য চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখিতেও সক্রিয় এই নাট্যজন।
নাটক ও টেলিছবি নির্মাণের পাশাপাশি উপন্যাস ও আত্মজীবনীও লিখেছেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদকসহ নানা সম্মাননা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিজের মৃত্যুর খবরকে গুজব উল্লেখ করে আবুল হায়াত জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
নাট্যজন ও অভিনেতা আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। শনিবার রাত থেকে বিভিন্ন পোস্ট ও ভিডিওতে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশ-বিদেশে থাকা আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে ফোন করেন। কেউ কেউ কান্নায়ও ভেঙে পড়েন। বিষয়টি নিয়ে বিরক্ত ও বিব্রত আবুল হায়াত নিজেই জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে আবুল হায়াত বলেন, ‘আমি একদম ঠিক আছি। গতকাল থেকে এমন খবর ছড়িয়েছে। প্রথমে বিষয়টি খুব একটা পাত্তা দিইনি। কিন্তু আজ দেখছি, এটা সীমা অতিক্রম করেছে। দেশ-বিদেশে থাকা আমার বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়স্বজনেরা একের পর এক ফোন করছেন। কেউ কেউ তো কাঁদছিলেনও। বিষয়টি খুবই বিরক্তিকর এবং বিব্রতকর।’
৩ অক্টোবর রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। শুরুতে বিষয়টিকে গুরুত্ব না দিলেও পরে গুজব আরও ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অভিনেতা। পরিবারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তার মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
যারা এমন গুজব ছড়াচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে আবুল হায়াত বলেন, ‘যারা এসব খবর ছড়াচ্ছেন, তাদের প্রতি আমি খুবই বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ। একজন জীবিত মানুষকে এভাবে মেরে ফেলা যায় না। এর ফলে শুধু ওই মানুষটিই নয়, তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও ভীষণ কষ্ট পান।’
এর আগেও একাধিকবার আবুল হায়াতের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেসব ঘটনায়ও ক্ষোভ ও কষ্ট প্রকাশ করেছিলেন তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা। বিশেষ করে ভুয়া খবর বিশ্বাস করে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আতঙ্কিত হয়ে ফোন করার বিষয়টি তাকে বেশি কষ্ট দেয়।
১৯৬৯ সালে ‘ইডিপাস’ নাটকের মধ্য দিয়ে টেলিভিশনে অভিনয় শুরু করেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অসংখ্য চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ও লেখালেখিতেও সক্রিয় এই নাট্যজন।
নাটক ও টেলিছবি নির্মাণের পাশাপাশি উপন্যাস ও আত্মজীবনীও লিখেছেন আবুল হায়াত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদকসহ নানা সম্মাননা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নিজের মৃত্যুর খবরকে গুজব উল্লেখ করে আবুল হায়াত জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!