জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এ সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচারকাজ শুরু হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) থেকে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রম আংশিকভাবে অনলাইনে পরিচালনা শুরু হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তটি বাতিলের দাবিতে টানা দুই দিন ধরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছেন সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবারও একই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তারা বলছেন, ভার্চুয়াল আদালত চালু থাকলে মামলা নিষ্পত্তি ব্যাহত হতে পারে এবং বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি কমে যাবে।
সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ‘তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০’ অনুসরণ করে সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে এ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবীরা। তাদের দাবি, বিচারকরা এজলাসে বসেই ভার্চুয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে না; বরং আইনজীবীরা নিজ নিজ চেম্বার থেকে যুক্ত হওয়ায় মোট বিদ্যুৎ খরচ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, ভার্চুয়াল কোর্ট নিয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, ভার্চুয়াল আদালতে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা অনুভব করেননি এবং এতে মামলার কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলে মনে হয়েছে।
আইনজীবীরা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এ সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচারকাজ শুরু হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) থেকে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রম আংশিকভাবে অনলাইনে পরিচালনা শুরু হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তটি বাতিলের দাবিতে টানা দুই দিন ধরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছেন সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবারও একই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তারা বলছেন, ভার্চুয়াল আদালত চালু থাকলে মামলা নিষ্পত্তি ব্যাহত হতে পারে এবং বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি কমে যাবে।
সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ‘তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০’ অনুসরণ করে সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে এ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবীরা। তাদের দাবি, বিচারকরা এজলাসে বসেই ভার্চুয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে না; বরং আইনজীবীরা নিজ নিজ চেম্বার থেকে যুক্ত হওয়ায় মোট বিদ্যুৎ খরচ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, ভার্চুয়াল কোর্ট নিয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, ভার্চুয়াল আদালতে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা অনুভব করেননি এবং এতে মামলার কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলে মনে হয়েছে।
আইনজীবীরা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এ সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচারকাজ শুরু হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) থেকে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রম আংশিকভাবে অনলাইনে পরিচালনা শুরু হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তটি বাতিলের দাবিতে টানা দুই দিন ধরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছেন সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবারও একই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তারা বলছেন, ভার্চুয়াল আদালত চালু থাকলে মামলা নিষ্পত্তি ব্যাহত হতে পারে এবং বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি কমে যাবে।
সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ‘তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০’ অনুসরণ করে সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে এ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবীরা। তাদের দাবি, বিচারকরা এজলাসে বসেই ভার্চুয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে না; বরং আইনজীবীরা নিজ নিজ চেম্বার থেকে যুক্ত হওয়ায় মোট বিদ্যুৎ খরচ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, ভার্চুয়াল কোর্ট নিয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, ভার্চুয়াল আদালতে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা অনুভব করেননি এবং এতে মামলার কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলে মনে হয়েছে।
আইনজীবীরা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট-এ সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচারকাজ শুরু হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
বুধবার (২২ এপ্রিল) থেকে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রম আংশিকভাবে অনলাইনে পরিচালনা শুরু হয়। কিন্তু সিদ্ধান্তটি বাতিলের দাবিতে টানা দুই দিন ধরে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছেন সুপ্রিম কোর্টের সাধারণ আইনজীবীরা। বৃহস্পতিবারও একই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। তারা বলছেন, ভার্চুয়াল আদালত চালু থাকলে মামলা নিষ্পত্তি ব্যাহত হতে পারে এবং বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতি কমে যাবে।
সুপ্রিম কোর্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে ‘তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০’ অনুসরণ করে সপ্তাহে দুই দিন ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে এ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবীরা। তাদের দাবি, বিচারকরা এজলাসে বসেই ভার্চুয়াল কার্যক্রম পরিচালনা করলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে না; বরং আইনজীবীরা নিজ নিজ চেম্বার থেকে যুক্ত হওয়ায় মোট বিদ্যুৎ খরচ আরও বাড়তে পারে।
এদিকে, ভার্চুয়াল কোর্ট নিয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, ভার্চুয়াল আদালতে এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা অনুভব করেননি এবং এতে মামলার কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলে মনে হয়েছে।
আইনজীবীরা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!