
ইসলামে মা-বাবার ওপর যেমন সন্তানের অধিকার রয়েছে, তেমনি সন্তানের সঠিক লালন-পালন নিশ্চিত করাও মা-বাবার দায়িত্ব। একটি আদর্শ ও নেককার পরিবার গঠনের আমাদের পথপ্রদর্শক স্বয়ং বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। সন্তানদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, সে সম্পর্কে মহানবী (সা.)-এর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার কথা নিচে তুলে ধরা হলো :
১. পরিবারের প্রতি দয়া
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুমিনদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ঈমান সবচেয়ে বেশি পূর্ণাঙ্গ, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর এবং যে তার পরিবারের প্রতি সবচেয়ে বেশি দয়ালু (তিরমিযী)। এই হাদিসটি স্পষ্ট করে দেয় যে, আল্লাহর কাছে মর্যাদা পেতে হলে পরিবারের কাছে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়া জরুরি।
২. শিশুদের সাথে খেলাধুলা করা
একবার রাসূল (সা.) বাইরে যাওয়ার পথে দেখেন তার নাতি হুসাইন (রা.) রাস্তায় খেলা করছেন। মহানবী (সা.) সবার সামনে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরতে চাইলেন। ছোট্ট হুসাইন এদিক-ওদিক দৌঁড়াতে শুরু করলে আল্লাহর রাসুল হাসাতে হাসাতে তাকে ধরে ফেলেন। এরপর তিনি হুসাইনের থুতনিতে ও মাথায় হাত রেখে তাকে চুমু খান এবং বলেন, হুসাইন আমার অংশ আর আমি হোসাইনের অংশ। যে হুসাইনকে ভালোবাসবে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন (ইবনে মাজাহ)। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্নেহমাখা সম্পর্ক রাখা সুন্নাহ।
রাসুল (সা.)-এর খাদেম আনাস বিন মালিক (রা.) দীর্ঘ দশ বছর নবীজির ঘরে কাজ করেছেন। তিনি বর্ণনা করেন, আমি রাসুল (সা.)-এর মতো দয়ালু আর কাউকে দেখিনি। আনাস (রা.) বলেন, আমি তখন ছোট ছিলাম, অনেক সময় আমার কাজে ভুল হতো। কিন্তু মহানবী (সা.) কখনও আমাকে উফ শব্দটি পর্যন্ত বলেননি। তিনি কখনও রাগ করে জিজ্ঞেস করেননি যে, তুমি কেন এই কাজ করলে বা কেন করলে না (আবু দাউদ)। অর্থাৎ ছোটদের ভুলের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরা উচিত।
৪. সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ
একবার কিছু বেদুইন লোক মহানবী (সা.)-কে জিজ্ঞেস করল, আপনারা কি আপনাদের সন্তানদের চুমু খান? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারা অবাক হয়ে বলল, আল্লাহর কসম! আমরা তো আমাদের সন্তানদের কখনও চুমু খাই না। রাসুল (সা.) তখন বললেন, আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে দয়া কেড়ে নেন, তবে আমি কী করতে পারি? (ইবনে মাজাহ)।
সে যুগে শিশুদের প্রতি কঠোর হওয়াকে পুরুষত্ব মনে করা হতো, কিন্তু মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন শিশুদের আদর ও স্নেহ করাই প্রকৃত মানবিকতা।
৫. শিশুর কথা শোনা ও তাদের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া
আনাস বিন মালিকের ছোট ভাই আবু উমায়েরের একটি পোষা পাখি ছিল। পাখিটি মারা যাওয়ার পর শিশুটি খুব মন খারাপ করে। মহানবী (সা.) তাকে সান্ত্বনা দেন এবং সেই পাখিটি সম্পর্কে তার কাছে জানতে চান (বুখারি)।
বড়দের কাছে বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও শিশুর কাছে তা ছিল অনেক কষ্টের। মহানবী (সা.)-এর এই আচরণ শেখায় যে, শিশুদের ছোট ছোট আবেগ ও অনুভূতিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে তাদের মাঝে বড়দের প্রতি আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

ইসলামে মা-বাবার ওপর যেমন সন্তানের অধিকার রয়েছে, তেমনি সন্তানের সঠিক লালন-পালন নিশ্চিত করাও মা-বাবার দায়িত্ব। একটি আদর্শ ও নেককার পরিবার গঠনের আমাদের পথপ্রদর্শক স্বয়ং বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। সন্তানদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, সে সম্পর্কে মহানবী (সা.)-এর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার কথা নিচে তুলে ধরা হলো :
১. পরিবারের প্রতি দয়া
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুমিনদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ঈমান সবচেয়ে বেশি পূর্ণাঙ্গ, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর এবং যে তার পরিবারের প্রতি সবচেয়ে বেশি দয়ালু (তিরমিযী)। এই হাদিসটি স্পষ্ট করে দেয় যে, আল্লাহর কাছে মর্যাদা পেতে হলে পরিবারের কাছে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়া জরুরি।
২. শিশুদের সাথে খেলাধুলা করা
একবার রাসূল (সা.) বাইরে যাওয়ার পথে দেখেন তার নাতি হুসাইন (রা.) রাস্তায় খেলা করছেন। মহানবী (সা.) সবার সামনে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরতে চাইলেন। ছোট্ট হুসাইন এদিক-ওদিক দৌঁড়াতে শুরু করলে আল্লাহর রাসুল হাসাতে হাসাতে তাকে ধরে ফেলেন। এরপর তিনি হুসাইনের থুতনিতে ও মাথায় হাত রেখে তাকে চুমু খান এবং বলেন, হুসাইন আমার অংশ আর আমি হোসাইনের অংশ। যে হুসাইনকে ভালোবাসবে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন (ইবনে মাজাহ)। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্নেহমাখা সম্পর্ক রাখা সুন্নাহ।
রাসুল (সা.)-এর খাদেম আনাস বিন মালিক (রা.) দীর্ঘ দশ বছর নবীজির ঘরে কাজ করেছেন। তিনি বর্ণনা করেন, আমি রাসুল (সা.)-এর মতো দয়ালু আর কাউকে দেখিনি। আনাস (রা.) বলেন, আমি তখন ছোট ছিলাম, অনেক সময় আমার কাজে ভুল হতো। কিন্তু মহানবী (সা.) কখনও আমাকে উফ শব্দটি পর্যন্ত বলেননি। তিনি কখনও রাগ করে জিজ্ঞেস করেননি যে, তুমি কেন এই কাজ করলে বা কেন করলে না (আবু দাউদ)। অর্থাৎ ছোটদের ভুলের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরা উচিত।
৪. সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ
একবার কিছু বেদুইন লোক মহানবী (সা.)-কে জিজ্ঞেস করল, আপনারা কি আপনাদের সন্তানদের চুমু খান? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারা অবাক হয়ে বলল, আল্লাহর কসম! আমরা তো আমাদের সন্তানদের কখনও চুমু খাই না। রাসুল (সা.) তখন বললেন, আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে দয়া কেড়ে নেন, তবে আমি কী করতে পারি? (ইবনে মাজাহ)।
সে যুগে শিশুদের প্রতি কঠোর হওয়াকে পুরুষত্ব মনে করা হতো, কিন্তু মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন শিশুদের আদর ও স্নেহ করাই প্রকৃত মানবিকতা।
৫. শিশুর কথা শোনা ও তাদের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া
আনাস বিন মালিকের ছোট ভাই আবু উমায়েরের একটি পোষা পাখি ছিল। পাখিটি মারা যাওয়ার পর শিশুটি খুব মন খারাপ করে। মহানবী (সা.) তাকে সান্ত্বনা দেন এবং সেই পাখিটি সম্পর্কে তার কাছে জানতে চান (বুখারি)।
বড়দের কাছে বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও শিশুর কাছে তা ছিল অনেক কষ্টের। মহানবী (সা.)-এর এই আচরণ শেখায় যে, শিশুদের ছোট ছোট আবেগ ও অনুভূতিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে তাদের মাঝে বড়দের প্রতি আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

ইসলামে মা-বাবার ওপর যেমন সন্তানের অধিকার রয়েছে, তেমনি সন্তানের সঠিক লালন-পালন নিশ্চিত করাও মা-বাবার দায়িত্ব। একটি আদর্শ ও নেককার পরিবার গঠনের আমাদের পথপ্রদর্শক স্বয়ং বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। সন্তানদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, সে সম্পর্কে মহানবী (সা.)-এর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার কথা নিচে তুলে ধরা হলো :
১. পরিবারের প্রতি দয়া
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুমিনদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ঈমান সবচেয়ে বেশি পূর্ণাঙ্গ, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর এবং যে তার পরিবারের প্রতি সবচেয়ে বেশি দয়ালু (তিরমিযী)। এই হাদিসটি স্পষ্ট করে দেয় যে, আল্লাহর কাছে মর্যাদা পেতে হলে পরিবারের কাছে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়া জরুরি।
২. শিশুদের সাথে খেলাধুলা করা
একবার রাসূল (সা.) বাইরে যাওয়ার পথে দেখেন তার নাতি হুসাইন (রা.) রাস্তায় খেলা করছেন। মহানবী (সা.) সবার সামনে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরতে চাইলেন। ছোট্ট হুসাইন এদিক-ওদিক দৌঁড়াতে শুরু করলে আল্লাহর রাসুল হাসাতে হাসাতে তাকে ধরে ফেলেন। এরপর তিনি হুসাইনের থুতনিতে ও মাথায় হাত রেখে তাকে চুমু খান এবং বলেন, হুসাইন আমার অংশ আর আমি হোসাইনের অংশ। যে হুসাইনকে ভালোবাসবে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন (ইবনে মাজাহ)। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্নেহমাখা সম্পর্ক রাখা সুন্নাহ।
রাসুল (সা.)-এর খাদেম আনাস বিন মালিক (রা.) দীর্ঘ দশ বছর নবীজির ঘরে কাজ করেছেন। তিনি বর্ণনা করেন, আমি রাসুল (সা.)-এর মতো দয়ালু আর কাউকে দেখিনি। আনাস (রা.) বলেন, আমি তখন ছোট ছিলাম, অনেক সময় আমার কাজে ভুল হতো। কিন্তু মহানবী (সা.) কখনও আমাকে উফ শব্দটি পর্যন্ত বলেননি। তিনি কখনও রাগ করে জিজ্ঞেস করেননি যে, তুমি কেন এই কাজ করলে বা কেন করলে না (আবু দাউদ)। অর্থাৎ ছোটদের ভুলের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরা উচিত।
৪. সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ
একবার কিছু বেদুইন লোক মহানবী (সা.)-কে জিজ্ঞেস করল, আপনারা কি আপনাদের সন্তানদের চুমু খান? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারা অবাক হয়ে বলল, আল্লাহর কসম! আমরা তো আমাদের সন্তানদের কখনও চুমু খাই না। রাসুল (সা.) তখন বললেন, আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে দয়া কেড়ে নেন, তবে আমি কী করতে পারি? (ইবনে মাজাহ)।
সে যুগে শিশুদের প্রতি কঠোর হওয়াকে পুরুষত্ব মনে করা হতো, কিন্তু মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন শিশুদের আদর ও স্নেহ করাই প্রকৃত মানবিকতা।
৫. শিশুর কথা শোনা ও তাদের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া
আনাস বিন মালিকের ছোট ভাই আবু উমায়েরের একটি পোষা পাখি ছিল। পাখিটি মারা যাওয়ার পর শিশুটি খুব মন খারাপ করে। মহানবী (সা.) তাকে সান্ত্বনা দেন এবং সেই পাখিটি সম্পর্কে তার কাছে জানতে চান (বুখারি)।
বড়দের কাছে বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও শিশুর কাছে তা ছিল অনেক কষ্টের। মহানবী (সা.)-এর এই আচরণ শেখায় যে, শিশুদের ছোট ছোট আবেগ ও অনুভূতিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে তাদের মাঝে বড়দের প্রতি আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

ইসলামে মা-বাবার ওপর যেমন সন্তানের অধিকার রয়েছে, তেমনি সন্তানের সঠিক লালন-পালন নিশ্চিত করাও মা-বাবার দায়িত্ব। একটি আদর্শ ও নেককার পরিবার গঠনের আমাদের পথপ্রদর্শক স্বয়ং বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। সন্তানদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত, সে সম্পর্কে মহানবী (সা.)-এর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার কথা নিচে তুলে ধরা হলো :
১. পরিবারের প্রতি দয়া
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুমিনদের মধ্যে সেই ব্যক্তির ঈমান সবচেয়ে বেশি পূর্ণাঙ্গ, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর এবং যে তার পরিবারের প্রতি সবচেয়ে বেশি দয়ালু (তিরমিযী)। এই হাদিসটি স্পষ্ট করে দেয় যে, আল্লাহর কাছে মর্যাদা পেতে হলে পরিবারের কাছে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়া জরুরি।
২. শিশুদের সাথে খেলাধুলা করা
একবার রাসূল (সা.) বাইরে যাওয়ার পথে দেখেন তার নাতি হুসাইন (রা.) রাস্তায় খেলা করছেন। মহানবী (সা.) সবার সামনে হাত বাড়িয়ে তাকে ধরতে চাইলেন। ছোট্ট হুসাইন এদিক-ওদিক দৌঁড়াতে শুরু করলে আল্লাহর রাসুল হাসাতে হাসাতে তাকে ধরে ফেলেন। এরপর তিনি হুসাইনের থুতনিতে ও মাথায় হাত রেখে তাকে চুমু খান এবং বলেন, হুসাইন আমার অংশ আর আমি হোসাইনের অংশ। যে হুসাইনকে ভালোবাসবে, আল্লাহ তাকে ভালোবাসবেন (ইবনে মাজাহ)। এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, সন্তানদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও স্নেহমাখা সম্পর্ক রাখা সুন্নাহ।
রাসুল (সা.)-এর খাদেম আনাস বিন মালিক (রা.) দীর্ঘ দশ বছর নবীজির ঘরে কাজ করেছেন। তিনি বর্ণনা করেন, আমি রাসুল (সা.)-এর মতো দয়ালু আর কাউকে দেখিনি। আনাস (রা.) বলেন, আমি তখন ছোট ছিলাম, অনেক সময় আমার কাজে ভুল হতো। কিন্তু মহানবী (সা.) কখনও আমাকে উফ শব্দটি পর্যন্ত বলেননি। তিনি কখনও রাগ করে জিজ্ঞেস করেননি যে, তুমি কেন এই কাজ করলে বা কেন করলে না (আবু দাউদ)। অর্থাৎ ছোটদের ভুলের ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরা উচিত।
৪. সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ
একবার কিছু বেদুইন লোক মহানবী (সা.)-কে জিজ্ঞেস করল, আপনারা কি আপনাদের সন্তানদের চুমু খান? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারা অবাক হয়ে বলল, আল্লাহর কসম! আমরা তো আমাদের সন্তানদের কখনও চুমু খাই না। রাসুল (সা.) তখন বললেন, আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে দয়া কেড়ে নেন, তবে আমি কী করতে পারি? (ইবনে মাজাহ)।
সে যুগে শিশুদের প্রতি কঠোর হওয়াকে পুরুষত্ব মনে করা হতো, কিন্তু মহানবী (সা.) শিখিয়েছেন শিশুদের আদর ও স্নেহ করাই প্রকৃত মানবিকতা।
৫. শিশুর কথা শোনা ও তাদের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া
আনাস বিন মালিকের ছোট ভাই আবু উমায়েরের একটি পোষা পাখি ছিল। পাখিটি মারা যাওয়ার পর শিশুটি খুব মন খারাপ করে। মহানবী (সা.) তাকে সান্ত্বনা দেন এবং সেই পাখিটি সম্পর্কে তার কাছে জানতে চান (বুখারি)।
বড়দের কাছে বিষয়টি তুচ্ছ মনে হলেও শিশুর কাছে তা ছিল অনেক কষ্টের। মহানবী (সা.)-এর এই আচরণ শেখায় যে, শিশুদের ছোট ছোট আবেগ ও অনুভূতিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। এতে তাদের মাঝে বড়দের প্রতি আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!