
কোনো ব্যক্তির ওপর হজ ফরজ হওয়ার পর সক্ষমতা থাকার পরও যদি সেই ব্যক্তি হজ আদায়ে বিলম্ব করে এবং পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে তার জন্য বদলি হজ করানোর নিয়ম রয়েছে। বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিকভাবে অক্ষম, দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায় আক্রান্ত কিংবা মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে এই হজ পালন করা যায়।
ইসলামে বদলি হজের পূর্ণ অনুমোদন রয়েছে। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-ইমরানে বলা হয়েছে, মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (বায়তুল্লাহ) যাওয়ার সামর্থ্য রাখে, তাদের ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করা আবশ্যক। কোনো ব্যক্তি স্থায়ীভাবে সামর্থ্য হারালে তার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগের বিধান দিয়েছেন ওলামায়ে কেরাম।
নিজের ফরজ হজ আদায় করেছেন এমন ব্যক্তিকে বদলি হজে পাঠানো উত্তম। যে ব্যক্তি এখনো নিজের হজ করেনি, তাকে হজে পাঠানো মাকরুহে তানজিহি অর্থাৎ অনুত্তম। তারপরও যদি হজে যায়, তাহলে বদলি হজ আদায় হয়ে যাবে। অতএব, এমন মানুষকে পাঠানো উচিত, যে একবার হজ করেছে।
বদলি হজ করবেন যেভাবে
বদলি হজের পদ্ধতি সাধারণ হজের মতোই। যে পদ্ধতিতে ফরয হজ আদায় করা হয়, সে পদ্ধতিতেই বদলি হজ আদায় করতে হয়। শুধু ইহরাম করার সময় যার পক্ষ থেকে হজ করা হচ্ছে তার পক্ষ থেকে হজ করার নিয়ত করতে হবে।
মৌখিকভাবে নিয়ত করা উত্তম। উদাহরণস্বরূপ এভাবে বলতে হবে যে, আমি আমার ফুফু বা অমুকের পক্ষ থেকে হজের ইহরাম করছি। তামাত্তু হজ করার ইচ্ছা করলে ওমরাহর নিয়ত করার সময়ও এভাবে বলতে হবে।
বদলি হজকারীর জন্য লক্ষ্য রাখা উচিত যে, যাতায়াত ও পানাহারের খরচ যেন ইনসাফের সাথে হয়। কারণ, হজের খরচের টাকা তার কাছে আমানত। সর্তকতার সাথে তা খরচ করা উচিত। কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় খরচ করবেন না। হজ শেষে যে পরিমাণ টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে তা ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। অবশ্য যদি হজে প্রেরণকারী তাকে উদ্বৃত্ত টাকা হাদিয়া হিসাবে দিয়ে দেন তাহলে তিনি তা গ্রহণ করতে পারবেন।

কোনো ব্যক্তির ওপর হজ ফরজ হওয়ার পর সক্ষমতা থাকার পরও যদি সেই ব্যক্তি হজ আদায়ে বিলম্ব করে এবং পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে তার জন্য বদলি হজ করানোর নিয়ম রয়েছে। বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিকভাবে অক্ষম, দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায় আক্রান্ত কিংবা মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে এই হজ পালন করা যায়।
ইসলামে বদলি হজের পূর্ণ অনুমোদন রয়েছে। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-ইমরানে বলা হয়েছে, মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (বায়তুল্লাহ) যাওয়ার সামর্থ্য রাখে, তাদের ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করা আবশ্যক। কোনো ব্যক্তি স্থায়ীভাবে সামর্থ্য হারালে তার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগের বিধান দিয়েছেন ওলামায়ে কেরাম।
নিজের ফরজ হজ আদায় করেছেন এমন ব্যক্তিকে বদলি হজে পাঠানো উত্তম। যে ব্যক্তি এখনো নিজের হজ করেনি, তাকে হজে পাঠানো মাকরুহে তানজিহি অর্থাৎ অনুত্তম। তারপরও যদি হজে যায়, তাহলে বদলি হজ আদায় হয়ে যাবে। অতএব, এমন মানুষকে পাঠানো উচিত, যে একবার হজ করেছে।
বদলি হজ করবেন যেভাবে
বদলি হজের পদ্ধতি সাধারণ হজের মতোই। যে পদ্ধতিতে ফরয হজ আদায় করা হয়, সে পদ্ধতিতেই বদলি হজ আদায় করতে হয়। শুধু ইহরাম করার সময় যার পক্ষ থেকে হজ করা হচ্ছে তার পক্ষ থেকে হজ করার নিয়ত করতে হবে।
মৌখিকভাবে নিয়ত করা উত্তম। উদাহরণস্বরূপ এভাবে বলতে হবে যে, আমি আমার ফুফু বা অমুকের পক্ষ থেকে হজের ইহরাম করছি। তামাত্তু হজ করার ইচ্ছা করলে ওমরাহর নিয়ত করার সময়ও এভাবে বলতে হবে।
বদলি হজকারীর জন্য লক্ষ্য রাখা উচিত যে, যাতায়াত ও পানাহারের খরচ যেন ইনসাফের সাথে হয়। কারণ, হজের খরচের টাকা তার কাছে আমানত। সর্তকতার সাথে তা খরচ করা উচিত। কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় খরচ করবেন না। হজ শেষে যে পরিমাণ টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে তা ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। অবশ্য যদি হজে প্রেরণকারী তাকে উদ্বৃত্ত টাকা হাদিয়া হিসাবে দিয়ে দেন তাহলে তিনি তা গ্রহণ করতে পারবেন।

কোনো ব্যক্তির ওপর হজ ফরজ হওয়ার পর সক্ষমতা থাকার পরও যদি সেই ব্যক্তি হজ আদায়ে বিলম্ব করে এবং পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে তার জন্য বদলি হজ করানোর নিয়ম রয়েছে। বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিকভাবে অক্ষম, দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায় আক্রান্ত কিংবা মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে এই হজ পালন করা যায়।
ইসলামে বদলি হজের পূর্ণ অনুমোদন রয়েছে। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-ইমরানে বলা হয়েছে, মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (বায়তুল্লাহ) যাওয়ার সামর্থ্য রাখে, তাদের ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করা আবশ্যক। কোনো ব্যক্তি স্থায়ীভাবে সামর্থ্য হারালে তার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগের বিধান দিয়েছেন ওলামায়ে কেরাম।
নিজের ফরজ হজ আদায় করেছেন এমন ব্যক্তিকে বদলি হজে পাঠানো উত্তম। যে ব্যক্তি এখনো নিজের হজ করেনি, তাকে হজে পাঠানো মাকরুহে তানজিহি অর্থাৎ অনুত্তম। তারপরও যদি হজে যায়, তাহলে বদলি হজ আদায় হয়ে যাবে। অতএব, এমন মানুষকে পাঠানো উচিত, যে একবার হজ করেছে।
বদলি হজ করবেন যেভাবে
বদলি হজের পদ্ধতি সাধারণ হজের মতোই। যে পদ্ধতিতে ফরয হজ আদায় করা হয়, সে পদ্ধতিতেই বদলি হজ আদায় করতে হয়। শুধু ইহরাম করার সময় যার পক্ষ থেকে হজ করা হচ্ছে তার পক্ষ থেকে হজ করার নিয়ত করতে হবে।
মৌখিকভাবে নিয়ত করা উত্তম। উদাহরণস্বরূপ এভাবে বলতে হবে যে, আমি আমার ফুফু বা অমুকের পক্ষ থেকে হজের ইহরাম করছি। তামাত্তু হজ করার ইচ্ছা করলে ওমরাহর নিয়ত করার সময়ও এভাবে বলতে হবে।
বদলি হজকারীর জন্য লক্ষ্য রাখা উচিত যে, যাতায়াত ও পানাহারের খরচ যেন ইনসাফের সাথে হয়। কারণ, হজের খরচের টাকা তার কাছে আমানত। সর্তকতার সাথে তা খরচ করা উচিত। কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় খরচ করবেন না। হজ শেষে যে পরিমাণ টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে তা ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। অবশ্য যদি হজে প্রেরণকারী তাকে উদ্বৃত্ত টাকা হাদিয়া হিসাবে দিয়ে দেন তাহলে তিনি তা গ্রহণ করতে পারবেন।

কোনো ব্যক্তির ওপর হজ ফরজ হওয়ার পর সক্ষমতা থাকার পরও যদি সেই ব্যক্তি হজ আদায়ে বিলম্ব করে এবং পরবর্তীতে অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে তার জন্য বদলি হজ করানোর নিয়ম রয়েছে। বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিকভাবে অক্ষম, দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায় আক্রান্ত কিংবা মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে এই হজ পালন করা যায়।
ইসলামে বদলি হজের পূর্ণ অনুমোদন রয়েছে। পবিত্র কোরআনের সুরা আল-ইমরানে বলা হয়েছে, মানুষের মধ্যে যারা সেখানে (বায়তুল্লাহ) যাওয়ার সামর্থ্য রাখে, তাদের ওপর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করা আবশ্যক। কোনো ব্যক্তি স্থায়ীভাবে সামর্থ্য হারালে তার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগের বিধান দিয়েছেন ওলামায়ে কেরাম।
নিজের ফরজ হজ আদায় করেছেন এমন ব্যক্তিকে বদলি হজে পাঠানো উত্তম। যে ব্যক্তি এখনো নিজের হজ করেনি, তাকে হজে পাঠানো মাকরুহে তানজিহি অর্থাৎ অনুত্তম। তারপরও যদি হজে যায়, তাহলে বদলি হজ আদায় হয়ে যাবে। অতএব, এমন মানুষকে পাঠানো উচিত, যে একবার হজ করেছে।
বদলি হজ করবেন যেভাবে
বদলি হজের পদ্ধতি সাধারণ হজের মতোই। যে পদ্ধতিতে ফরয হজ আদায় করা হয়, সে পদ্ধতিতেই বদলি হজ আদায় করতে হয়। শুধু ইহরাম করার সময় যার পক্ষ থেকে হজ করা হচ্ছে তার পক্ষ থেকে হজ করার নিয়ত করতে হবে।
মৌখিকভাবে নিয়ত করা উত্তম। উদাহরণস্বরূপ এভাবে বলতে হবে যে, আমি আমার ফুফু বা অমুকের পক্ষ থেকে হজের ইহরাম করছি। তামাত্তু হজ করার ইচ্ছা করলে ওমরাহর নিয়ত করার সময়ও এভাবে বলতে হবে।
বদলি হজকারীর জন্য লক্ষ্য রাখা উচিত যে, যাতায়াত ও পানাহারের খরচ যেন ইনসাফের সাথে হয়। কারণ, হজের খরচের টাকা তার কাছে আমানত। সর্তকতার সাথে তা খরচ করা উচিত। কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় খরচ করবেন না। হজ শেষে যে পরিমাণ টাকা উদ্বৃত্ত থাকবে তা ফিরিয়ে দেওয়া জরুরি। অবশ্য যদি হজে প্রেরণকারী তাকে উদ্বৃত্ত টাকা হাদিয়া হিসাবে দিয়ে দেন তাহলে তিনি তা গ্রহণ করতে পারবেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!