চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৮ দিনেই দেশে এসেছে প্রায় ২৯১ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২৯০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এতে প্রতিদিন গড়ে এসেছে ১০ কোটি ৩৯ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সে হিসেবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৯১১ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।
এর আগে মার্চ মাসে দেশে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৮ দিনেই দেশে এসেছে প্রায় ২৯১ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২৯০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এতে প্রতিদিন গড়ে এসেছে ১০ কোটি ৩৯ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সে হিসেবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৯১১ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।
এর আগে মার্চ মাসে দেশে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৮ দিনেই দেশে এসেছে প্রায় ২৯১ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২৯০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এতে প্রতিদিন গড়ে এসেছে ১০ কোটি ৩৯ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সে হিসেবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৯১১ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।
এর আগে মার্চ মাসে দেশে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ২৮ দিনেই দেশে এসেছে প্রায় ২৯১ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২৯০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এতে প্রতিদিন গড়ে এসেছে ১০ কোটি ৩৯ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫০ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সে হিসেবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৯১১ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।
এর আগে মার্চ মাসে দেশে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!