
বিদেশে ভ্রমণ ও লেনদেনে বাংলাদেশিদের ব্যয়ের ধরনে নতুন পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড-এ হঠাৎ করেই ডেবিট কার্ডে বাংলাদেশিদের খরচ বেড়ে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশিরা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে আয়ারল্যান্ডে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। বিদেশে ডেবিট কার্ড ব্যবহারে এরপর রয়েছে সৌদি আরব ২৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যুক্তরাষ্ট্র ২৮ কোটি টাকা, ভারত ২৪ কোটি টাকা এবং যুক্তরাজ্য ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরের শুরুতে আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার টিউশন ফি পরিশোধসহ শিক্ষাসংক্রান্ত খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ডেবিট কার্ড ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ভ্রমণকারীদের কার্ডভিত্তিক লেনদেনও বেড়েছে।
ক্রেডিট কার্ড ব্যয় কমেছে
বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশিরা ৩৭৭ কোটি টাকা খরচ করেছেন, যা জানুয়ারির তুলনায় ১৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ কম। জানুয়ারিতে এ খরচ ছিল ৪৬৩ কোটি টাকা।
দেশভিত্তিক ক্রেডিট কার্ড ব্যয়ে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে মোট খরচের ১৪ শতাংশ হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাইল্যান্ড ১৩ শতাংশ, তৃতীয় স্থানে সিঙ্গাপুর ৮ শতাংশ। এছাড়া যুক্তরাজ্যেও ৮ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডেও নিম্নমুখী প্রবণতা
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ডেবিট কার্ডে মোট ব্যয় হয়েছে ২৭৯ কোটি টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৫৬ কোটি টাকা। একইভাবে প্রিপেইড কার্ডে লেনদেন কমে ফেব্রুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি টাকায়, যা আগের মাসে ছিল ৫৩ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৯৬ কোটি টাকা। জানুয়ারিতে এই পরিমাণ ছিল ৮৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ।
দেশে কার্ড ব্যবহারের খাত
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেশের অভ্যন্তরে ১১টি খাতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বিল পরিশোধ, খুচরা কেনাকাটা, নগদ উত্তোলন, পোশাক, ফার্মেসি, অর্থ স্থানান্তর, পরিবহন, ব্যবসায়িক সেবা ও সরকারি বিল প্রদান।
কার্ডভিত্তিক হিস্যা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট লেনদেনের প্রায় ৭৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে ভিসা কার্ডে, ১৭ শতাংশ মাস্টারকার্ড এবং ১০ শতাংশ অ্যামেক্স) কার্ডে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল পেমেন্টের প্রসার বাংলাদেশিদের বিদেশে কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।

বিদেশে ভ্রমণ ও লেনদেনে বাংলাদেশিদের ব্যয়ের ধরনে নতুন পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড-এ হঠাৎ করেই ডেবিট কার্ডে বাংলাদেশিদের খরচ বেড়ে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশিরা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে আয়ারল্যান্ডে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। বিদেশে ডেবিট কার্ড ব্যবহারে এরপর রয়েছে সৌদি আরব ২৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যুক্তরাষ্ট্র ২৮ কোটি টাকা, ভারত ২৪ কোটি টাকা এবং যুক্তরাজ্য ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরের শুরুতে আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার টিউশন ফি পরিশোধসহ শিক্ষাসংক্রান্ত খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ডেবিট কার্ড ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ভ্রমণকারীদের কার্ডভিত্তিক লেনদেনও বেড়েছে।
ক্রেডিট কার্ড ব্যয় কমেছে
বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশিরা ৩৭৭ কোটি টাকা খরচ করেছেন, যা জানুয়ারির তুলনায় ১৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ কম। জানুয়ারিতে এ খরচ ছিল ৪৬৩ কোটি টাকা।
দেশভিত্তিক ক্রেডিট কার্ড ব্যয়ে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে মোট খরচের ১৪ শতাংশ হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাইল্যান্ড ১৩ শতাংশ, তৃতীয় স্থানে সিঙ্গাপুর ৮ শতাংশ। এছাড়া যুক্তরাজ্যেও ৮ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডেও নিম্নমুখী প্রবণতা
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ডেবিট কার্ডে মোট ব্যয় হয়েছে ২৭৯ কোটি টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৫৬ কোটি টাকা। একইভাবে প্রিপেইড কার্ডে লেনদেন কমে ফেব্রুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি টাকায়, যা আগের মাসে ছিল ৫৩ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৯৬ কোটি টাকা। জানুয়ারিতে এই পরিমাণ ছিল ৮৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ।
দেশে কার্ড ব্যবহারের খাত
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেশের অভ্যন্তরে ১১টি খাতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বিল পরিশোধ, খুচরা কেনাকাটা, নগদ উত্তোলন, পোশাক, ফার্মেসি, অর্থ স্থানান্তর, পরিবহন, ব্যবসায়িক সেবা ও সরকারি বিল প্রদান।
কার্ডভিত্তিক হিস্যা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট লেনদেনের প্রায় ৭৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে ভিসা কার্ডে, ১৭ শতাংশ মাস্টারকার্ড এবং ১০ শতাংশ অ্যামেক্স) কার্ডে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল পেমেন্টের প্রসার বাংলাদেশিদের বিদেশে কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।

বিদেশে ভ্রমণ ও লেনদেনে বাংলাদেশিদের ব্যয়ের ধরনে নতুন পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড-এ হঠাৎ করেই ডেবিট কার্ডে বাংলাদেশিদের খরচ বেড়ে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশিরা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে আয়ারল্যান্ডে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। বিদেশে ডেবিট কার্ড ব্যবহারে এরপর রয়েছে সৌদি আরব ২৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যুক্তরাষ্ট্র ২৮ কোটি টাকা, ভারত ২৪ কোটি টাকা এবং যুক্তরাজ্য ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরের শুরুতে আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার টিউশন ফি পরিশোধসহ শিক্ষাসংক্রান্ত খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ডেবিট কার্ড ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ভ্রমণকারীদের কার্ডভিত্তিক লেনদেনও বেড়েছে।
ক্রেডিট কার্ড ব্যয় কমেছে
বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশিরা ৩৭৭ কোটি টাকা খরচ করেছেন, যা জানুয়ারির তুলনায় ১৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ কম। জানুয়ারিতে এ খরচ ছিল ৪৬৩ কোটি টাকা।
দেশভিত্তিক ক্রেডিট কার্ড ব্যয়ে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে মোট খরচের ১৪ শতাংশ হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাইল্যান্ড ১৩ শতাংশ, তৃতীয় স্থানে সিঙ্গাপুর ৮ শতাংশ। এছাড়া যুক্তরাজ্যেও ৮ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডেও নিম্নমুখী প্রবণতা
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ডেবিট কার্ডে মোট ব্যয় হয়েছে ২৭৯ কোটি টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৫৬ কোটি টাকা। একইভাবে প্রিপেইড কার্ডে লেনদেন কমে ফেব্রুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি টাকায়, যা আগের মাসে ছিল ৫৩ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৯৬ কোটি টাকা। জানুয়ারিতে এই পরিমাণ ছিল ৮৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ।
দেশে কার্ড ব্যবহারের খাত
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেশের অভ্যন্তরে ১১টি খাতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বিল পরিশোধ, খুচরা কেনাকাটা, নগদ উত্তোলন, পোশাক, ফার্মেসি, অর্থ স্থানান্তর, পরিবহন, ব্যবসায়িক সেবা ও সরকারি বিল প্রদান।
কার্ডভিত্তিক হিস্যা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট লেনদেনের প্রায় ৭৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে ভিসা কার্ডে, ১৭ শতাংশ মাস্টারকার্ড এবং ১০ শতাংশ অ্যামেক্স) কার্ডে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল পেমেন্টের প্রসার বাংলাদেশিদের বিদেশে কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।

বিদেশে ভ্রমণ ও লেনদেনে বাংলাদেশিদের ব্যয়ের ধরনে নতুন পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ড-এ হঠাৎ করেই ডেবিট কার্ডে বাংলাদেশিদের খরচ বেড়ে শীর্ষ অবস্থানে পৌঁছেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশিরা ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে আয়ারল্যান্ডে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। বিদেশে ডেবিট কার্ড ব্যবহারে এরপর রয়েছে সৌদি আরব ২৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যুক্তরাষ্ট্র ২৮ কোটি টাকা, ভারত ২৪ কোটি টাকা এবং যুক্তরাজ্য ২০ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরের শুরুতে আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার টিউশন ফি পরিশোধসহ শিক্ষাসংক্রান্ত খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ডেবিট কার্ড ব্যবহারের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ভ্রমণকারীদের কার্ডভিত্তিক লেনদেনও বেড়েছে।
ক্রেডিট কার্ড ব্যয় কমেছে
বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশিরা ৩৭৭ কোটি টাকা খরচ করেছেন, যা জানুয়ারির তুলনায় ১৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ কম। জানুয়ারিতে এ খরচ ছিল ৪৬৩ কোটি টাকা।
দেশভিত্তিক ক্রেডিট কার্ড ব্যয়ে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে মোট খরচের ১৪ শতাংশ হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাইল্যান্ড ১৩ শতাংশ, তৃতীয় স্থানে সিঙ্গাপুর ৮ শতাংশ। এছাড়া যুক্তরাজ্যেও ৮ শতাংশ এবং সৌদি আরবে ৭ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডেও নিম্নমুখী প্রবণতা
ফেব্রুয়ারিতে বিদেশে ডেবিট কার্ডে মোট ব্যয় হয়েছে ২৭৯ কোটি টাকা, যা জানুয়ারিতে ছিল ৩৫৬ কোটি টাকা। একইভাবে প্রিপেইড কার্ডে লেনদেন কমে ফেব্রুয়ারিতে দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি টাকায়, যা আগের মাসে ছিল ৫৩ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ডে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৯৬ কোটি টাকা। জানুয়ারিতে এই পরিমাণ ছিল ৮৭৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ।
দেশে কার্ড ব্যবহারের খাত
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে দেশের অভ্যন্তরে ১১টি খাতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বিল পরিশোধ, খুচরা কেনাকাটা, নগদ উত্তোলন, পোশাক, ফার্মেসি, অর্থ স্থানান্তর, পরিবহন, ব্যবসায়িক সেবা ও সরকারি বিল প্রদান।
কার্ডভিত্তিক হিস্যা
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট লেনদেনের প্রায় ৭৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে ভিসা কার্ডে, ১৭ শতাংশ মাস্টারকার্ড এবং ১০ শতাংশ অ্যামেক্স) কার্ডে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক শিক্ষা, চিকিৎসা ও পর্যটন ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল পেমেন্টের প্রসার বাংলাদেশিদের বিদেশে কার্ড ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!