চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
রোববার (৩ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘চাঁদাবাজ তো চাঁদাবাজ-তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়। অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ বাড়ায় সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান, ব্লক রেইড, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের তাৎক্ষণিক যাচাই শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় অভিযানে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত ও ৯৪ জন তালিকাবহির্ভূত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে চাঁদা আদায়ের খাতা, লেনদেনের তথ্য, ভিডিও ক্লিপসহ বিভিন্ন আলামত। পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। নগরীর বসিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাজার ও জনবহুল এলাকায় টহল জোরদার এবং দৃশ্যমান পুলিশিং বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়াও আগামী দিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা রাজধানীব্যাপী আরও জোরালো, তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবো। এর মধ্যে থাকবে—
১. চাঁদাবাজি প্রতিরোধে হটস্পটভিত্তিক নজরদারি বৃদ্ধি।
২. মাদক নির্মূলে নিয়মিত ব্লক রেইড ও বিশেষ চেকপোস্ট।
৩. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা সম্প্রসারণ।
৪. সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ধ্বংসে সমন্বিত অপারেশন।
৫. সাইবার প্রতারণা ও অনলাইন জুয়া দমনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং
৬. অপরাধপ্রবণ এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং ও জনসম্পৃক্ততা আরও শক্তিশালী করা।
শুধু আইন প্রয়োগ নয়—অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম, মাইকিং, লিফলেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
ডিএমপি বিশ্বাস করে—অপরাধ দমন শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একক কাজ নয়; এটি একটি সমন্বিত সামাজিক দায়িত্ব। তাই আমরা নাগরিক অংশগ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি। আপনাদের দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন সমাজকে সচেতন করে, অপরাধ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকা মহানগরীর নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ একা নয়—নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া বা প্রতারণা সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ থানা বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে তথ্যদাতা সম্পর্কিত তথ্য গোপন রাখা হবে।
শান্তি ও শৃঙ্খলার শত্রু যারা, তাদের কোনো ছাড় নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় বা প্রভাব বিবেচ্য নয়—তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে। চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া ও প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা নগরবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই—ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আপনাদের নিরাপত্তায় সর্বদা জাগ্রত, দৃঢ় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এস এন নাসিরুল ইসলাম।
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
রোববার (৩ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘চাঁদাবাজ তো চাঁদাবাজ-তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়। অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ বাড়ায় সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান, ব্লক রেইড, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের তাৎক্ষণিক যাচাই শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় অভিযানে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত ও ৯৪ জন তালিকাবহির্ভূত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে চাঁদা আদায়ের খাতা, লেনদেনের তথ্য, ভিডিও ক্লিপসহ বিভিন্ন আলামত। পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। নগরীর বসিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাজার ও জনবহুল এলাকায় টহল জোরদার এবং দৃশ্যমান পুলিশিং বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়াও আগামী দিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা রাজধানীব্যাপী আরও জোরালো, তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবো। এর মধ্যে থাকবে—
১. চাঁদাবাজি প্রতিরোধে হটস্পটভিত্তিক নজরদারি বৃদ্ধি।
২. মাদক নির্মূলে নিয়মিত ব্লক রেইড ও বিশেষ চেকপোস্ট।
৩. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা সম্প্রসারণ।
৪. সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ধ্বংসে সমন্বিত অপারেশন।
৫. সাইবার প্রতারণা ও অনলাইন জুয়া দমনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং
৬. অপরাধপ্রবণ এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং ও জনসম্পৃক্ততা আরও শক্তিশালী করা।
শুধু আইন প্রয়োগ নয়—অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম, মাইকিং, লিফলেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
ডিএমপি বিশ্বাস করে—অপরাধ দমন শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একক কাজ নয়; এটি একটি সমন্বিত সামাজিক দায়িত্ব। তাই আমরা নাগরিক অংশগ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি। আপনাদের দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন সমাজকে সচেতন করে, অপরাধ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকা মহানগরীর নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ একা নয়—নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া বা প্রতারণা সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ থানা বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে তথ্যদাতা সম্পর্কিত তথ্য গোপন রাখা হবে।
শান্তি ও শৃঙ্খলার শত্রু যারা, তাদের কোনো ছাড় নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় বা প্রভাব বিবেচ্য নয়—তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে। চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া ও প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা নগরবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই—ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আপনাদের নিরাপত্তায় সর্বদা জাগ্রত, দৃঢ় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এস এন নাসিরুল ইসলাম।
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
রোববার (৩ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘চাঁদাবাজ তো চাঁদাবাজ-তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়। অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ বাড়ায় সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান, ব্লক রেইড, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের তাৎক্ষণিক যাচাই শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় অভিযানে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত ও ৯৪ জন তালিকাবহির্ভূত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে চাঁদা আদায়ের খাতা, লেনদেনের তথ্য, ভিডিও ক্লিপসহ বিভিন্ন আলামত। পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। নগরীর বসিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাজার ও জনবহুল এলাকায় টহল জোরদার এবং দৃশ্যমান পুলিশিং বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়াও আগামী দিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা রাজধানীব্যাপী আরও জোরালো, তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবো। এর মধ্যে থাকবে—
১. চাঁদাবাজি প্রতিরোধে হটস্পটভিত্তিক নজরদারি বৃদ্ধি।
২. মাদক নির্মূলে নিয়মিত ব্লক রেইড ও বিশেষ চেকপোস্ট।
৩. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা সম্প্রসারণ।
৪. সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ধ্বংসে সমন্বিত অপারেশন।
৫. সাইবার প্রতারণা ও অনলাইন জুয়া দমনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং
৬. অপরাধপ্রবণ এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং ও জনসম্পৃক্ততা আরও শক্তিশালী করা।
শুধু আইন প্রয়োগ নয়—অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম, মাইকিং, লিফলেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
ডিএমপি বিশ্বাস করে—অপরাধ দমন শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একক কাজ নয়; এটি একটি সমন্বিত সামাজিক দায়িত্ব। তাই আমরা নাগরিক অংশগ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি। আপনাদের দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন সমাজকে সচেতন করে, অপরাধ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকা মহানগরীর নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ একা নয়—নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া বা প্রতারণা সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ থানা বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে তথ্যদাতা সম্পর্কিত তথ্য গোপন রাখা হবে।
শান্তি ও শৃঙ্খলার শত্রু যারা, তাদের কোনো ছাড় নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় বা প্রভাব বিবেচ্য নয়—তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে। চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া ও প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা নগরবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই—ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আপনাদের নিরাপত্তায় সর্বদা জাগ্রত, দৃঢ় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এস এন নাসিরুল ইসলাম।
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ-এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।
রোববার (৩ মে) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘চাঁদাবাজ তো চাঁদাবাজ-তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়। অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, অবৈধ অস্ত্র প্রদর্শন ও অনলাইন জুয়ার অভিযোগ বাড়ায় সমন্বিত নিরাপত্তা কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান, ব্লক রেইড, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের তাৎক্ষণিক যাচাই শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শাস্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ডিএমপির তথ্যমতে, গত ৪৮ ঘণ্টায় অভিযানে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত ও ৯৪ জন তালিকাবহির্ভূত চাঁদাবাজকে আটক করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে চাঁদা আদায়ের খাতা, লেনদেনের তথ্য, ভিডিও ক্লিপসহ বিভিন্ন আলামত। পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল প্রতারণার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদেরও আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন, সার্ভার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। নগরীর বসিলা ও কারওয়ান বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থায়ী ও অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাজার ও জনবহুল এলাকায় টহল জোরদার এবং দৃশ্যমান পুলিশিং বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়াও আগামী দিনের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা রাজধানীব্যাপী আরও জোরালো, তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করবো। এর মধ্যে থাকবে—
১. চাঁদাবাজি প্রতিরোধে হটস্পটভিত্তিক নজরদারি বৃদ্ধি।
২. মাদক নির্মূলে নিয়মিত ব্লক রেইড ও বিশেষ চেকপোস্ট।
৩. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে গোয়েন্দা তৎপরতা সম্প্রসারণ।
৪. সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ধ্বংসে সমন্বিত অপারেশন।
৫. সাইবার প্রতারণা ও অনলাইন জুয়া দমনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং
৬. অপরাধপ্রবণ এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং ও জনসম্পৃক্ততা আরও শক্তিশালী করা।
শুধু আইন প্রয়োগ নয়—অপরাধ প্রতিরোধে সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম, মাইকিং, লিফলেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।
ডিএমপি বিশ্বাস করে—অপরাধ দমন শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একক কাজ নয়; এটি একটি সমন্বিত সামাজিক দায়িত্ব। তাই আমরা নাগরিক অংশগ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছি। আপনাদের দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন সমাজকে সচেতন করে, অপরাধ প্রতিরোধে জনগণকে সম্পৃক্ত করে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ঢাকা মহানগরীর নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ একা নয়—নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, চাঁদাবাজি, মাদক, জুয়া বা প্রতারণা সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ থানা বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। প্রয়োজনে তথ্যদাতা সম্পর্কিত তথ্য গোপন রাখা হবে।
শান্তি ও শৃঙ্খলার শত্রু যারা, তাদের কোনো ছাড় নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার পরিচয় বা প্রভাব বিবেচ্য নয়—তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে। চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, অনলাইন জুয়া ও প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমরা নগরবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই—ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আপনাদের নিরাপত্তায় সর্বদা জাগ্রত, দৃঢ় এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম ও ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এস এন নাসিরুল ইসলাম।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!