
যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘বেপরোয়া সামরিক অভিযানের’ পথ বেছে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরাঘচি বলেন, যখনই কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তিনি আরও বলেন, ‘ইরান কখনোই চাপের কাছে মাথা নত করবে না।’
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ কি কেবল চাপ সৃষ্টির কৌশল, নাকি কেউ আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন সংঘাতে জড়িয়ে দিচ্ছে।
তবে উত্তেজনার মধ্যেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর আছে বলে জানান তিনি।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবের জবাব দিতে পারে। ইতালি সফরকালে তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি গুরুত্বসহকারে দেওয়া একটি প্রস্তাব হবে।”
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরান সেখানে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড শুক্রবার জানায়, ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী দুটি খালি তেলবাহী জাহাজকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জাহাজ দুটি চলমান অবরোধ ভেঙে ইরানি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী “নির্ভুল হামলা” চালিয়ে জাহাজ দুটির ধোঁয়ার চিমনি অকার্যকর করে দেয়, যাতে সেগুলো বন্দরে ঢুকতে না পারে। ওয়াশিংটন আরও দাবি করেছে, বর্তমানে ৭০টির বেশি ট্যাংকারকে ইরানি বন্দরে প্রবেশ বা বের হতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান তাদের তিনটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান দিয়ে “উসকানিহীন হামলা” চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেলবাহী জাহাজ ও হরমুজমুখী একটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ইরানের হরমোজগান প্রদেশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাদমেহর জানান, মিনাব উপকূলের কাছে একটি কার্গো জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং আহত ১০ নাবিককে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী একাধিক ইরানি ছোট নৌযান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আজ যেমন তাদের ধ্বংস করেছি, ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও সহিংসভাবে জবাব দেওয়া হবে, যদি তারা দ্রুত চুক্তিতে না আসে।’

যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘বেপরোয়া সামরিক অভিযানের’ পথ বেছে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরাঘচি বলেন, যখনই কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তিনি আরও বলেন, ‘ইরান কখনোই চাপের কাছে মাথা নত করবে না।’
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ কি কেবল চাপ সৃষ্টির কৌশল, নাকি কেউ আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন সংঘাতে জড়িয়ে দিচ্ছে।
তবে উত্তেজনার মধ্যেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর আছে বলে জানান তিনি।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবের জবাব দিতে পারে। ইতালি সফরকালে তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি গুরুত্বসহকারে দেওয়া একটি প্রস্তাব হবে।”
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরান সেখানে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড শুক্রবার জানায়, ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী দুটি খালি তেলবাহী জাহাজকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জাহাজ দুটি চলমান অবরোধ ভেঙে ইরানি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী “নির্ভুল হামলা” চালিয়ে জাহাজ দুটির ধোঁয়ার চিমনি অকার্যকর করে দেয়, যাতে সেগুলো বন্দরে ঢুকতে না পারে। ওয়াশিংটন আরও দাবি করেছে, বর্তমানে ৭০টির বেশি ট্যাংকারকে ইরানি বন্দরে প্রবেশ বা বের হতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান তাদের তিনটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান দিয়ে “উসকানিহীন হামলা” চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেলবাহী জাহাজ ও হরমুজমুখী একটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ইরানের হরমোজগান প্রদেশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাদমেহর জানান, মিনাব উপকূলের কাছে একটি কার্গো জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং আহত ১০ নাবিককে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী একাধিক ইরানি ছোট নৌযান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আজ যেমন তাদের ধ্বংস করেছি, ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও সহিংসভাবে জবাব দেওয়া হবে, যদি তারা দ্রুত চুক্তিতে না আসে।’

যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘বেপরোয়া সামরিক অভিযানের’ পথ বেছে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরাঘচি বলেন, যখনই কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তিনি আরও বলেন, ‘ইরান কখনোই চাপের কাছে মাথা নত করবে না।’
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ কি কেবল চাপ সৃষ্টির কৌশল, নাকি কেউ আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন সংঘাতে জড়িয়ে দিচ্ছে।
তবে উত্তেজনার মধ্যেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর আছে বলে জানান তিনি।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবের জবাব দিতে পারে। ইতালি সফরকালে তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি গুরুত্বসহকারে দেওয়া একটি প্রস্তাব হবে।”
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরান সেখানে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড শুক্রবার জানায়, ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী দুটি খালি তেলবাহী জাহাজকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জাহাজ দুটি চলমান অবরোধ ভেঙে ইরানি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী “নির্ভুল হামলা” চালিয়ে জাহাজ দুটির ধোঁয়ার চিমনি অকার্যকর করে দেয়, যাতে সেগুলো বন্দরে ঢুকতে না পারে। ওয়াশিংটন আরও দাবি করেছে, বর্তমানে ৭০টির বেশি ট্যাংকারকে ইরানি বন্দরে প্রবেশ বা বের হতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান তাদের তিনটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান দিয়ে “উসকানিহীন হামলা” চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেলবাহী জাহাজ ও হরমুজমুখী একটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ইরানের হরমোজগান প্রদেশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাদমেহর জানান, মিনাব উপকূলের কাছে একটি কার্গো জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং আহত ১০ নাবিককে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী একাধিক ইরানি ছোট নৌযান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আজ যেমন তাদের ধ্বংস করেছি, ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও সহিংসভাবে জবাব দেওয়া হবে, যদি তারা দ্রুত চুক্তিতে না আসে।’

যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘বেপরোয়া সামরিক অভিযানের’ পথ বেছে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আরাঘচি বলেন, যখনই কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তিনি আরও বলেন, ‘ইরান কখনোই চাপের কাছে মাথা নত করবে না।’
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ কি কেবল চাপ সৃষ্টির কৌশল, নাকি কেউ আবারও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন সংঘাতে জড়িয়ে দিচ্ছে।
তবে উত্তেজনার মধ্যেও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এখনো বহাল রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর আছে বলে জানান তিনি।
এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরান শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবের জবাব দিতে পারে। ইতালি সফরকালে তিনি বলেন, “আমি আশা করি এটি গুরুত্বসহকারে দেওয়া একটি প্রস্তাব হবে।”
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরান সেখানে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড শুক্রবার জানায়, ওমান উপসাগরে ইরানি পতাকাবাহী দুটি খালি তেলবাহী জাহাজকে থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, জাহাজ দুটি চলমান অবরোধ ভেঙে ইরানি বন্দরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী “নির্ভুল হামলা” চালিয়ে জাহাজ দুটির ধোঁয়ার চিমনি অকার্যকর করে দেয়, যাতে সেগুলো বন্দরে ঢুকতে না পারে। ওয়াশিংটন আরও দাবি করেছে, বর্তমানে ৭০টির বেশি ট্যাংকারকে ইরানি বন্দরে প্রবেশ বা বের হতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার হরমুজ প্রণালিতে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান তাদের তিনটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌযান দিয়ে “উসকানিহীন হামলা” চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানি তেলবাহী জাহাজ ও হরমুজমুখী একটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছে। ইরানের হরমোজগান প্রদেশের কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাদমেহর জানান, মিনাব উপকূলের কাছে একটি কার্গো জাহাজে আগুন ধরে যায় এবং আহত ১০ নাবিককে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী একাধিক ইরানি ছোট নৌযান, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আজ যেমন তাদের ধ্বংস করেছি, ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও সহিংসভাবে জবাব দেওয়া হবে, যদি তারা দ্রুত চুক্তিতে না আসে।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!