আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বেসরকারি শিল্পখাতের পাশাপাশি সরকারি খাতেও নতুন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে লালমনিরহাট স্টেডিয়ামে প্রাণ আরএফএর গ্রুপ আয়োজিত চাকরি মেলা-২০২৬ উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে বেকারত্ব একটি বড় অভিশাপে পরিণত হয়েছে এবং এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।
আসাদুল হাবিব দুলু আরও বলেন, হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ এবং খাল খনন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করছে এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রংপুর অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষ এ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি জানান, সরকার এ বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং চীন তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
চাকরি মেলায় তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জেলার এক হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানান আয়োজকরা। ইতোমধ্যে প্রায় ২ হাজার ৭০০ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন বলেও জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নূরুল আলম খান এবং আরএফএলের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নাফিস ইনদালির অর্নব।
আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বেসরকারি শিল্পখাতের পাশাপাশি সরকারি খাতেও নতুন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে লালমনিরহাট স্টেডিয়ামে প্রাণ আরএফএর গ্রুপ আয়োজিত চাকরি মেলা-২০২৬ উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে বেকারত্ব একটি বড় অভিশাপে পরিণত হয়েছে এবং এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।
আসাদুল হাবিব দুলু আরও বলেন, হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ এবং খাল খনন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করছে এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রংপুর অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষ এ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি জানান, সরকার এ বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং চীন তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
চাকরি মেলায় তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জেলার এক হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানান আয়োজকরা। ইতোমধ্যে প্রায় ২ হাজার ৭০০ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন বলেও জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নূরুল আলম খান এবং আরএফএলের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নাফিস ইনদালির অর্নব।
আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বেসরকারি শিল্পখাতের পাশাপাশি সরকারি খাতেও নতুন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে লালমনিরহাট স্টেডিয়ামে প্রাণ আরএফএর গ্রুপ আয়োজিত চাকরি মেলা-২০২৬ উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে বেকারত্ব একটি বড় অভিশাপে পরিণত হয়েছে এবং এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।
আসাদুল হাবিব দুলু আরও বলেন, হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ এবং খাল খনন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করছে এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রংপুর অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষ এ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি জানান, সরকার এ বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং চীন তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
চাকরি মেলায় তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জেলার এক হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানান আয়োজকরা। ইতোমধ্যে প্রায় ২ হাজার ৭০০ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন বলেও জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নূরুল আলম খান এবং আরএফএলের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নাফিস ইনদালির অর্নব।
আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বেসরকারি শিল্পখাতের পাশাপাশি সরকারি খাতেও নতুন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সোমবার (১১ মে) দুপুরে লালমনিরহাট স্টেডিয়ামে প্রাণ আরএফএর গ্রুপ আয়োজিত চাকরি মেলা-২০২৬ উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশে বেকারত্ব একটি বড় অভিশাপে পরিণত হয়েছে এবং এটি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন, যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে।
আসাদুল হাবিব দুলু আরও বলেন, হতদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ এবং খাল খনন কর্মসূচিসহ বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষকে কর্মসংস্থানের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, সরকার সেই অনুযায়ী কাজ করছে এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রংপুর অঞ্চলের প্রায় দুই কোটি মানুষ এ আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি জানান, সরকার এ বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং চীন তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
চাকরি মেলায় তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জেলার এক হাজার তরুণ-তরুণীকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানান আয়োজকরা। ইতোমধ্যে প্রায় ২ হাজার ৭০০ চাকরিপ্রার্থী আবেদন করেছেন বলেও জানানো হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নূরুল আলম খান এবং আরএফএলের হেড অব রিক্রুটমেন্ট নাফিস ইনদালির অর্নব।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!