
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরিফ মীর (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) ভোর ৭টার দিকে ইউনিয়নের চর ডুমুরিয়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফ ওই এলাকার খবির মীরের ছেলে। সংঘর্ষে আরও অন্তত একজন গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময় হয়। এতে আওলাদ গ্রুপের কর্মী আরিফ মীর গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন বলেন, দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে আরিফ হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরিফ মীর (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) ভোর ৭টার দিকে ইউনিয়নের চর ডুমুরিয়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফ ওই এলাকার খবির মীরের ছেলে। সংঘর্ষে আরও অন্তত একজন গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময় হয়। এতে আওলাদ গ্রুপের কর্মী আরিফ মীর গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন বলেন, দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে আরিফ হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরিফ মীর (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) ভোর ৭টার দিকে ইউনিয়নের চর ডুমুরিয়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফ ওই এলাকার খবির মীরের ছেলে। সংঘর্ষে আরও অন্তত একজন গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময় হয়। এতে আওলাদ গ্রুপের কর্মী আরিফ মীর গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন বলেন, দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে আরিফ হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরিফ মীর (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
সোমবার (১০ নভেম্বর) ভোর ৭টার দিকে ইউনিয়নের চর ডুমুরিয়া এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফ ওই এলাকার খবির মীরের ছেলে। সংঘর্ষে আরও অন্তত একজন গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি বিনিময় হয়। এতে আওলাদ গ্রুপের কর্মী আরিফ মীর গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রুহুল আমিন বলেন, দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে আরিফ হাসপাতালে আনার আগেই মারা যান। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!