নির্বাচনি প্রতিপক্ষের দিকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জনগণ রায় ইতিমধ্যেই দিয়েছে। এটা দেখে অনেকের মাথা গরম। মাঘ মাসে মাথা যদি এত গরম হয়, চৈত্র মাসে কী হবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়ায় নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘যুবকরা বুক চিতিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশকে রাস্তায় তুলে দিয়েছে। তারা ঘুমিয়ে নেই, জেগে আছে। আগামীর বাংলাদেশ গড়বে এই যুবকরাই।’
জুলাই বিপ্লবে নারীদের অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিল; সেই দিনে স্বৈরাচার বুঝেছিল তাদের আয়ু শেষ। আমরা চাই দালালমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, আমরা অপরাধ-দুর্নীতি বরদাশত করবো না। আমরা অপরাধের কান ধরে টান দেবো। বিগত ৫৪ বছরের নেতৃত্ব আমাদের সুস্থ মাথার প্রমাণ দিতে পারেনি। এজন্য জনগণের টাকা লুণ্ঠন করে নিজেরা বড়লোক হয়েছে, কিন্তু জনগণের পাওনা জনগণ পায়নি।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, যারা ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ চায় না, তারা পুরনো বন্দোবস্ত চায়। তারাই যেনতেন একটি বাংলাদেশ চায়। পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে।
একটি দলের প্রধানের ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থাকার বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর বলেন, তারা গণভোট চায়নি, তাদের দাবি মেনে নিয়েই একইদিনে গণভোটের সিদ্ধান্ত হলো। তারপরও তাদের নেতাকর্মীরা বলছে, আমরা গণভোট মানি না, গণভোট দরকার নাই। কিন্তু চতুর্দিকে যখন জনগণের ঠেলা শুরু হয়েছে, ঠেলার নাম বাবাজি। এখন আস্তে আস্তে শিশুর মতো মুখে ফুটতে শুরু করেছে—‘গণভোটে হ্যাঁ বলুন’।
নির্বাচনি প্রতিপক্ষের দিকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জনগণ রায় ইতিমধ্যেই দিয়েছে। এটা দেখে অনেকের মাথা গরম। মাঘ মাসে মাথা যদি এত গরম হয়, চৈত্র মাসে কী হবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়ায় নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘যুবকরা বুক চিতিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশকে রাস্তায় তুলে দিয়েছে। তারা ঘুমিয়ে নেই, জেগে আছে। আগামীর বাংলাদেশ গড়বে এই যুবকরাই।’
জুলাই বিপ্লবে নারীদের অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিল; সেই দিনে স্বৈরাচার বুঝেছিল তাদের আয়ু শেষ। আমরা চাই দালালমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, আমরা অপরাধ-দুর্নীতি বরদাশত করবো না। আমরা অপরাধের কান ধরে টান দেবো। বিগত ৫৪ বছরের নেতৃত্ব আমাদের সুস্থ মাথার প্রমাণ দিতে পারেনি। এজন্য জনগণের টাকা লুণ্ঠন করে নিজেরা বড়লোক হয়েছে, কিন্তু জনগণের পাওনা জনগণ পায়নি।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, যারা ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ চায় না, তারা পুরনো বন্দোবস্ত চায়। তারাই যেনতেন একটি বাংলাদেশ চায়। পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে।
একটি দলের প্রধানের ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থাকার বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর বলেন, তারা গণভোট চায়নি, তাদের দাবি মেনে নিয়েই একইদিনে গণভোটের সিদ্ধান্ত হলো। তারপরও তাদের নেতাকর্মীরা বলছে, আমরা গণভোট মানি না, গণভোট দরকার নাই। কিন্তু চতুর্দিকে যখন জনগণের ঠেলা শুরু হয়েছে, ঠেলার নাম বাবাজি। এখন আস্তে আস্তে শিশুর মতো মুখে ফুটতে শুরু করেছে—‘গণভোটে হ্যাঁ বলুন’।
নির্বাচনি প্রতিপক্ষের দিকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জনগণ রায় ইতিমধ্যেই দিয়েছে। এটা দেখে অনেকের মাথা গরম। মাঘ মাসে মাথা যদি এত গরম হয়, চৈত্র মাসে কী হবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়ায় নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘যুবকরা বুক চিতিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশকে রাস্তায় তুলে দিয়েছে। তারা ঘুমিয়ে নেই, জেগে আছে। আগামীর বাংলাদেশ গড়বে এই যুবকরাই।’
জুলাই বিপ্লবে নারীদের অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিল; সেই দিনে স্বৈরাচার বুঝেছিল তাদের আয়ু শেষ। আমরা চাই দালালমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, আমরা অপরাধ-দুর্নীতি বরদাশত করবো না। আমরা অপরাধের কান ধরে টান দেবো। বিগত ৫৪ বছরের নেতৃত্ব আমাদের সুস্থ মাথার প্রমাণ দিতে পারেনি। এজন্য জনগণের টাকা লুণ্ঠন করে নিজেরা বড়লোক হয়েছে, কিন্তু জনগণের পাওনা জনগণ পায়নি।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, যারা ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ চায় না, তারা পুরনো বন্দোবস্ত চায়। তারাই যেনতেন একটি বাংলাদেশ চায়। পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে।
একটি দলের প্রধানের ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থাকার বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর বলেন, তারা গণভোট চায়নি, তাদের দাবি মেনে নিয়েই একইদিনে গণভোটের সিদ্ধান্ত হলো। তারপরও তাদের নেতাকর্মীরা বলছে, আমরা গণভোট মানি না, গণভোট দরকার নাই। কিন্তু চতুর্দিকে যখন জনগণের ঠেলা শুরু হয়েছে, ঠেলার নাম বাবাজি। এখন আস্তে আস্তে শিশুর মতো মুখে ফুটতে শুরু করেছে—‘গণভোটে হ্যাঁ বলুন’।
নির্বাচনি প্রতিপক্ষের দিকে ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জনগণ রায় ইতিমধ্যেই দিয়েছে। এটা দেখে অনেকের মাথা গরম। মাঘ মাসে মাথা যদি এত গরম হয়, চৈত্র মাসে কী হবে?’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়ায় নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘যুবকরা বুক চিতিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশকে রাস্তায় তুলে দিয়েছে। তারা ঘুমিয়ে নেই, জেগে আছে। আগামীর বাংলাদেশ গড়বে এই যুবকরাই।’
জুলাই বিপ্লবে নারীদের অবদান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিল; সেই দিনে স্বৈরাচার বুঝেছিল তাদের আয়ু শেষ। আমরা চাই দালালমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত এবং মানবিক বাংলাদেশ।’
তিনি বলেন, আমরা অপরাধ-দুর্নীতি বরদাশত করবো না। আমরা অপরাধের কান ধরে টান দেবো। বিগত ৫৪ বছরের নেতৃত্ব আমাদের সুস্থ মাথার প্রমাণ দিতে পারেনি। এজন্য জনগণের টাকা লুণ্ঠন করে নিজেরা বড়লোক হয়েছে, কিন্তু জনগণের পাওনা জনগণ পায়নি।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, যারা ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ চায় না, তারা পুরনো বন্দোবস্ত চায়। তারাই যেনতেন একটি বাংলাদেশ চায়। পেছনে তাকানোর সুযোগ নেই। নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে।
একটি দলের প্রধানের ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থাকার বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর বলেন, তারা গণভোট চায়নি, তাদের দাবি মেনে নিয়েই একইদিনে গণভোটের সিদ্ধান্ত হলো। তারপরও তাদের নেতাকর্মীরা বলছে, আমরা গণভোট মানি না, গণভোট দরকার নাই। কিন্তু চতুর্দিকে যখন জনগণের ঠেলা শুরু হয়েছে, ঠেলার নাম বাবাজি। এখন আস্তে আস্তে শিশুর মতো মুখে ফুটতে শুরু করেছে—‘গণভোটে হ্যাঁ বলুন’।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!