
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্টটি একটি পরিকল্পিত সাইবার হ্যাকিংয়ের ফল বলে দাবি করেছে দলটি। অ্যাকাউন্ট হ্যাকের পুরো প্রক্রিয়ার টাইমলাইন, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, ই-মেইল নোটিফিকেশন ও অ্যাকাউন্ট রিকভারি সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে জামায়াত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিতর্কিত পোস্টটি ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়। ওই সময় তিনি ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা এলাকায় একটি নির্বাচনি সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এর প্রমাণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সময়ের ভিডিও ফুটেজ ও স্ক্রিনশট সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
জামায়াতের দাবি, পোস্টটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে এক্স কর্তৃপক্ষ থেকে ‘Your password has been changed’ শিরোনামে একটি ই-মেইল জামায়াত আমিরের অফিসিয়াল ই-মেইলে আসে। টাইম জোনের কারণে সময়ের সামান্য পার্থক্য দেখা গেলেও স্ক্রিনশট ও ডাটার ভিত্তিতে ওই সময়েই পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন নয়, আগের সব সেশন লগআউট করে নতুন সেশন জেনারেট করা হয়। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
জামায়াতের নেতারা বলেন, এটি যদি ইচ্ছাকৃত বা নিজেদের দেওয়া পোস্ট হতো, তাহলে ই-মেইল রিকভারি, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ও ফরেনসিক তথ্য দেখানোর প্রয়োজন হতো না। তারা সাংবাদিকদের সামনে সরাসরি ডা. শফিকুর রহমানের ই-মেইল ইনবক্স দেখান, যেখানে লগইন লোকেশন, নতুন আইপি অ্যাড্রেস ও সেশন পরিবর্তনের তথ্য রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, একই ধরনের একটি পোস্ট ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদের অ্যাকাউন্ট থেকেও প্রকাশিত হয়। বিষয়বস্তু ও সময়ের মিল থাকায় এটিকে সংঘবদ্ধ সাইবার আক্রমণের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত।
দলটি জানায়, গত এক মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয়, মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ একাধিক নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে সাইবার আক্রমণের চেষ্টা হয়েছে। ১২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেনের অ্যাকাউন্টেও অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
হ্যাকিংয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘Case Study BGI Election’ বা অনুরূপ নাম ব্যবহার করে সরকারি বা অফিসিয়াল ই-মেইলের আদলে ভুয়া ই-মেইল পাঠানো হয়। এসব ই-মেইলে ‘অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে ক্ষতিকর অ্যাটাচমেন্ট যুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে ম্যালওয়্যার বা ম্যাক্রো ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এসব ফাইল ফরেনসিক পরীক্ষায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
জামায়াত জানায়, এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল ও কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলটি অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে এবং যাচাই ছাড়াই কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
শেষে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত বলে, আসন্ন নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হয়। গুজব, অপপ্রচার ও সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে যেন নির্বাচনি পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও সব ডাটা, স্ক্রিনশট ও ফরেনসিক রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে বলেও জানায় দলটি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্টটি একটি পরিকল্পিত সাইবার হ্যাকিংয়ের ফল বলে দাবি করেছে দলটি। অ্যাকাউন্ট হ্যাকের পুরো প্রক্রিয়ার টাইমলাইন, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, ই-মেইল নোটিফিকেশন ও অ্যাকাউন্ট রিকভারি সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে জামায়াত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিতর্কিত পোস্টটি ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়। ওই সময় তিনি ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা এলাকায় একটি নির্বাচনি সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এর প্রমাণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সময়ের ভিডিও ফুটেজ ও স্ক্রিনশট সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
জামায়াতের দাবি, পোস্টটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে এক্স কর্তৃপক্ষ থেকে ‘Your password has been changed’ শিরোনামে একটি ই-মেইল জামায়াত আমিরের অফিসিয়াল ই-মেইলে আসে। টাইম জোনের কারণে সময়ের সামান্য পার্থক্য দেখা গেলেও স্ক্রিনশট ও ডাটার ভিত্তিতে ওই সময়েই পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন নয়, আগের সব সেশন লগআউট করে নতুন সেশন জেনারেট করা হয়। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
জামায়াতের নেতারা বলেন, এটি যদি ইচ্ছাকৃত বা নিজেদের দেওয়া পোস্ট হতো, তাহলে ই-মেইল রিকভারি, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ও ফরেনসিক তথ্য দেখানোর প্রয়োজন হতো না। তারা সাংবাদিকদের সামনে সরাসরি ডা. শফিকুর রহমানের ই-মেইল ইনবক্স দেখান, যেখানে লগইন লোকেশন, নতুন আইপি অ্যাড্রেস ও সেশন পরিবর্তনের তথ্য রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, একই ধরনের একটি পোস্ট ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদের অ্যাকাউন্ট থেকেও প্রকাশিত হয়। বিষয়বস্তু ও সময়ের মিল থাকায় এটিকে সংঘবদ্ধ সাইবার আক্রমণের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত।
দলটি জানায়, গত এক মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয়, মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ একাধিক নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে সাইবার আক্রমণের চেষ্টা হয়েছে। ১২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেনের অ্যাকাউন্টেও অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
হ্যাকিংয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘Case Study BGI Election’ বা অনুরূপ নাম ব্যবহার করে সরকারি বা অফিসিয়াল ই-মেইলের আদলে ভুয়া ই-মেইল পাঠানো হয়। এসব ই-মেইলে ‘অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে ক্ষতিকর অ্যাটাচমেন্ট যুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে ম্যালওয়্যার বা ম্যাক্রো ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এসব ফাইল ফরেনসিক পরীক্ষায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
জামায়াত জানায়, এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল ও কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলটি অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে এবং যাচাই ছাড়াই কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
শেষে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত বলে, আসন্ন নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হয়। গুজব, অপপ্রচার ও সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে যেন নির্বাচনি পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও সব ডাটা, স্ক্রিনশট ও ফরেনসিক রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে বলেও জানায় দলটি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্টটি একটি পরিকল্পিত সাইবার হ্যাকিংয়ের ফল বলে দাবি করেছে দলটি। অ্যাকাউন্ট হ্যাকের পুরো প্রক্রিয়ার টাইমলাইন, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, ই-মেইল নোটিফিকেশন ও অ্যাকাউন্ট রিকভারি সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে জামায়াত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিতর্কিত পোস্টটি ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়। ওই সময় তিনি ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা এলাকায় একটি নির্বাচনি সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এর প্রমাণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সময়ের ভিডিও ফুটেজ ও স্ক্রিনশট সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
জামায়াতের দাবি, পোস্টটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে এক্স কর্তৃপক্ষ থেকে ‘Your password has been changed’ শিরোনামে একটি ই-মেইল জামায়াত আমিরের অফিসিয়াল ই-মেইলে আসে। টাইম জোনের কারণে সময়ের সামান্য পার্থক্য দেখা গেলেও স্ক্রিনশট ও ডাটার ভিত্তিতে ওই সময়েই পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন নয়, আগের সব সেশন লগআউট করে নতুন সেশন জেনারেট করা হয়। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
জামায়াতের নেতারা বলেন, এটি যদি ইচ্ছাকৃত বা নিজেদের দেওয়া পোস্ট হতো, তাহলে ই-মেইল রিকভারি, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ও ফরেনসিক তথ্য দেখানোর প্রয়োজন হতো না। তারা সাংবাদিকদের সামনে সরাসরি ডা. শফিকুর রহমানের ই-মেইল ইনবক্স দেখান, যেখানে লগইন লোকেশন, নতুন আইপি অ্যাড্রেস ও সেশন পরিবর্তনের তথ্য রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, একই ধরনের একটি পোস্ট ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদের অ্যাকাউন্ট থেকেও প্রকাশিত হয়। বিষয়বস্তু ও সময়ের মিল থাকায় এটিকে সংঘবদ্ধ সাইবার আক্রমণের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত।
দলটি জানায়, গত এক মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয়, মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ একাধিক নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে সাইবার আক্রমণের চেষ্টা হয়েছে। ১২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেনের অ্যাকাউন্টেও অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
হ্যাকিংয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘Case Study BGI Election’ বা অনুরূপ নাম ব্যবহার করে সরকারি বা অফিসিয়াল ই-মেইলের আদলে ভুয়া ই-মেইল পাঠানো হয়। এসব ই-মেইলে ‘অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে ক্ষতিকর অ্যাটাচমেন্ট যুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে ম্যালওয়্যার বা ম্যাক্রো ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এসব ফাইল ফরেনসিক পরীক্ষায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
জামায়াত জানায়, এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল ও কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলটি অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে এবং যাচাই ছাড়াই কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
শেষে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত বলে, আসন্ন নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হয়। গুজব, অপপ্রচার ও সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে যেন নির্বাচনি পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও সব ডাটা, স্ক্রিনশট ও ফরেনসিক রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে বলেও জানায় দলটি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বিতর্কিত পোস্টটি একটি পরিকল্পিত সাইবার হ্যাকিংয়ের ফল বলে দাবি করেছে দলটি। অ্যাকাউন্ট হ্যাকের পুরো প্রক্রিয়ার টাইমলাইন, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন, ই-মেইল নোটিফিকেশন ও অ্যাকাউন্ট রিকভারি সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছে জামায়াত।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিতর্কিত পোস্টটি ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে ডা. শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত হয়। ওই সময় তিনি ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা এলাকায় একটি নির্বাচনি সভায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন। এর প্রমাণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট সময়ের ভিডিও ফুটেজ ও স্ক্রিনশট সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
জামায়াতের দাবি, পোস্টটি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়া হয়। বিকেল ৫টা ৯ মিনিটে এক্স কর্তৃপক্ষ থেকে ‘Your password has been changed’ শিরোনামে একটি ই-মেইল জামায়াত আমিরের অফিসিয়াল ই-মেইলে আসে। টাইম জোনের কারণে সময়ের সামান্য পার্থক্য দেখা গেলেও স্ক্রিনশট ও ডাটার ভিত্তিতে ওই সময়েই পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, শুধু পাসওয়ার্ড পরিবর্তন নয়, আগের সব সেশন লগআউট করে নতুন সেশন জেনারেট করা হয়। এর মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়। পরে বিকেল ৫টা ২২ মিনিটে জামায়াত আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছিল এবং তা পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
জামায়াতের নেতারা বলেন, এটি যদি ইচ্ছাকৃত বা নিজেদের দেওয়া পোস্ট হতো, তাহলে ই-মেইল রিকভারি, পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ও ফরেনসিক তথ্য দেখানোর প্রয়োজন হতো না। তারা সাংবাদিকদের সামনে সরাসরি ডা. শফিকুর রহমানের ই-মেইল ইনবক্স দেখান, যেখানে লগইন লোকেশন, নতুন আইপি অ্যাড্রেস ও সেশন পরিবর্তনের তথ্য রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, একই ধরনের একটি পোস্ট ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা ৫৩ মিনিটে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদের অ্যাকাউন্ট থেকেও প্রকাশিত হয়। বিষয়বস্তু ও সময়ের মিল থাকায় এটিকে সংঘবদ্ধ সাইবার আক্রমণের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াত।
দলটি জানায়, গত এক মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয়, মহানগর উত্তর-দক্ষিণসহ একাধিক নেতার অ্যাকাউন্টে ধারাবাহিকভাবে সাইবার আক্রমণের চেষ্টা হয়েছে। ১২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেনের অ্যাকাউন্টেও অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
হ্যাকিংয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘Case Study BGI Election’ বা অনুরূপ নাম ব্যবহার করে সরকারি বা অফিসিয়াল ই-মেইলের আদলে ভুয়া ই-মেইল পাঠানো হয়। এসব ই-মেইলে ‘অত্যন্ত জরুরি’ উল্লেখ করে ক্ষতিকর অ্যাটাচমেন্ট যুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে ম্যালওয়্যার বা ম্যাক্রো ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এসব ফাইল ফরেনসিক পরীক্ষায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
জামায়াত জানায়, এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইবার সিকিউরিটি কাউন্সিল ও কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলটি অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে এবং যাচাই ছাড়াই কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
শেষে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত বলে, আসন্ন নির্বাচন যেন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডে অনুষ্ঠিত হয়। গুজব, অপপ্রচার ও সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে যেন নির্বাচনি পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও সব ডাটা, স্ক্রিনশট ও ফরেনসিক রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে বলেও জানায় দলটি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!