
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। তবে ইউক্রেনীয় সেনারা দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে না গেলে আরও ভূখণ্ড দখলের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুতিন এসব মন্তব্য করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের মস্কো সফরের ব্যাপারে ক্রেমলিন আশাবাদী।
পুতিন বলেন, ‘ক্রেমলিন আলোচনা করতে প্রস্তুত।’
তবে দ্রুত কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলো থেকে সরে দাঁড়াবে।’ তিনি সতর্ক করে জানান, ‘তারা যদি সরে না দাঁড়ায়, তাহলে আমরা সামরিক উপায়ে তা নিশ্চিত করব।’
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, তার দেশের প্রতিনিধিদল চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে জেনেভায় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্ধারিত ইস্যু নিয়ে বৈঠক করবে। ভিডিও ভাষণে তিনি জানান, ‘আগামী সপ্তাহে শুধু প্রতিনিধিদলের জন্যই নয়, ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।’
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সামরিক সংঘাত কমিয়ে শান্তি আলোচনার পথ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। তবে দুই দেশের অবস্থান আগের মতোই কঠোর থাকায় দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম বলেই পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। তবে ইউক্রেনীয় সেনারা দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে না গেলে আরও ভূখণ্ড দখলের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুতিন এসব মন্তব্য করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের মস্কো সফরের ব্যাপারে ক্রেমলিন আশাবাদী।
পুতিন বলেন, ‘ক্রেমলিন আলোচনা করতে প্রস্তুত।’
তবে দ্রুত কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলো থেকে সরে দাঁড়াবে।’ তিনি সতর্ক করে জানান, ‘তারা যদি সরে না দাঁড়ায়, তাহলে আমরা সামরিক উপায়ে তা নিশ্চিত করব।’
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, তার দেশের প্রতিনিধিদল চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে জেনেভায় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্ধারিত ইস্যু নিয়ে বৈঠক করবে। ভিডিও ভাষণে তিনি জানান, ‘আগামী সপ্তাহে শুধু প্রতিনিধিদলের জন্যই নয়, ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।’
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সামরিক সংঘাত কমিয়ে শান্তি আলোচনার পথ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। তবে দুই দেশের অবস্থান আগের মতোই কঠোর থাকায় দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম বলেই পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। তবে ইউক্রেনীয় সেনারা দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে না গেলে আরও ভূখণ্ড দখলের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুতিন এসব মন্তব্য করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের মস্কো সফরের ব্যাপারে ক্রেমলিন আশাবাদী।
পুতিন বলেন, ‘ক্রেমলিন আলোচনা করতে প্রস্তুত।’
তবে দ্রুত কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলো থেকে সরে দাঁড়াবে।’ তিনি সতর্ক করে জানান, ‘তারা যদি সরে না দাঁড়ায়, তাহলে আমরা সামরিক উপায়ে তা নিশ্চিত করব।’
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, তার দেশের প্রতিনিধিদল চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে জেনেভায় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্ধারিত ইস্যু নিয়ে বৈঠক করবে। ভিডিও ভাষণে তিনি জানান, ‘আগামী সপ্তাহে শুধু প্রতিনিধিদলের জন্যই নয়, ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।’
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সামরিক সংঘাত কমিয়ে শান্তি আলোচনার পথ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। তবে দুই দেশের অবস্থান আগের মতোই কঠোর থাকায় দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম বলেই পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা ভবিষ্যৎ শান্তি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে। তবে ইউক্রেনীয় সেনারা দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে না গেলে আরও ভূখণ্ড দখলের হুমকিও দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুতিন এসব মন্তব্য করেন। তিনি নিশ্চিত করেন যে আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের মস্কো সফরের ব্যাপারে ক্রেমলিন আশাবাদী।
পুতিন বলেন, ‘ক্রেমলিন আলোচনা করতে প্রস্তুত।’
তবে দ্রুত কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ হবে তখনই, যখন ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলো থেকে সরে দাঁড়াবে।’ তিনি সতর্ক করে জানান, ‘তারা যদি সরে না দাঁড়ায়, তাহলে আমরা সামরিক উপায়ে তা নিশ্চিত করব।’
এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, তার দেশের প্রতিনিধিদল চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে জেনেভায় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্ধারিত ইস্যু নিয়ে বৈঠক করবে। ভিডিও ভাষণে তিনি জানান, ‘আগামী সপ্তাহে শুধু প্রতিনিধিদলের জন্যই নয়, ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।’
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সামরিক সংঘাত কমিয়ে শান্তি আলোচনার পথ তৈরি করতে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। তবে দুই দেশের অবস্থান আগের মতোই কঠোর থাকায় দ্রুত কোনো সমাধান আসার সম্ভাবনা কম বলেই পর্যবেক্ষকদের ধারণা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!