
জাল বা ভুয়া শিক্ষাসনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশির তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের কেন এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান) বাতিল বা স্থগিত এবং নিয়োগ বাতিলসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না-তা ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) এসব শিক্ষকের সনদ যাচাই করে ভুয়া বা জাল বলে চিহ্নিত করে। পরে তাদের তালিকা ও সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী এখন শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জাল বা ভুয়া শিক্ষাসনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশির তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের কেন এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান) বাতিল বা স্থগিত এবং নিয়োগ বাতিলসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না-তা ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) এসব শিক্ষকের সনদ যাচাই করে ভুয়া বা জাল বলে চিহ্নিত করে। পরে তাদের তালিকা ও সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী এখন শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জাল বা ভুয়া শিক্ষাসনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশির তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের কেন এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান) বাতিল বা স্থগিত এবং নিয়োগ বাতিলসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না-তা ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) এসব শিক্ষকের সনদ যাচাই করে ভুয়া বা জাল বলে চিহ্নিত করে। পরে তাদের তালিকা ও সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী এখন শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জাল বা ভুয়া শিক্ষাসনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে ৪৭১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
মাউশির তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রথম ধাপে ৬৩ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাদের কেন এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান) বাতিল বা স্থগিত এবং নিয়োগ বাতিলসহ অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না-তা ১০ কর্মদিবসের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৪০২ জন, কলেজ পর্যায়ের ৬৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ জন শিক্ষক রয়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) এসব শিক্ষকের সনদ যাচাই করে ভুয়া বা জাল বলে চিহ্নিত করে। পরে তাদের তালিকা ও সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ভিত্তিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী এখন শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!