
সংগৃহীত ছবি
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের দুই ভাগনে ও দুলাভাইসহ ছয়জন জড়িত থাকার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন-হাবিবুরের বোন শিরিন আক্তারের স্বামী শহিদুল ইসলাম, তার ছেলে শাহিন হোসেন এবং অপর বোনের ছেলে সবুজ রানা। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে।
পুলিশ জানায়, হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন জীবিত অবস্থায় তার ১৭ বিঘা জমির মধ্যে বসতবাড়িসহ ১৩ বিঘা ছেলে হাবিবুরকে লিখে দেন। বাকি সম্পত্তি মেয়েদের মধ্যে ভাগ করে দেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুরের সঙ্গে তার বোন ও ভগ্নিপতি এবং ভাগনেদের বিরোধ চলছিল।
পুলিশ সুপার জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত সোমবার রাতে অভিযুক্তরা হাবিবুরের বাড়িতে প্রবেশ করে। এর আগে এক ভাগনে বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে থেকে রাতের বেলা দরজা খুলে দেয়। পরে অন্যরা ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় হাবিবুরকে গলা কেটে হত্যা করে।
এ সময় হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা ঘটনাস্থলে এলে তাকেও কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারের কাউকে জীবিত না রাখার উদ্দেশ্যে তাদের দুই সন্তান—পারভেজ রহমান ও সাদিয়াকেও হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরদিন সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ তদন্তে নেমে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে সবুজ রানা হত্যার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খড়ের পালা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাঁসুয়া এবং একটি পুকুর থেকে ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো পরিবারকে হত্যা করলে হাবিবুরের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া যাবে-এই উদ্দেশ্য থেকেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংগৃহীত ছবি
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের দুই ভাগনে ও দুলাভাইসহ ছয়জন জড়িত থাকার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন-হাবিবুরের বোন শিরিন আক্তারের স্বামী শহিদুল ইসলাম, তার ছেলে শাহিন হোসেন এবং অপর বোনের ছেলে সবুজ রানা। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে।
পুলিশ জানায়, হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন জীবিত অবস্থায় তার ১৭ বিঘা জমির মধ্যে বসতবাড়িসহ ১৩ বিঘা ছেলে হাবিবুরকে লিখে দেন। বাকি সম্পত্তি মেয়েদের মধ্যে ভাগ করে দেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুরের সঙ্গে তার বোন ও ভগ্নিপতি এবং ভাগনেদের বিরোধ চলছিল।
পুলিশ সুপার জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত সোমবার রাতে অভিযুক্তরা হাবিবুরের বাড়িতে প্রবেশ করে। এর আগে এক ভাগনে বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে থেকে রাতের বেলা দরজা খুলে দেয়। পরে অন্যরা ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় হাবিবুরকে গলা কেটে হত্যা করে।
এ সময় হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা ঘটনাস্থলে এলে তাকেও কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারের কাউকে জীবিত না রাখার উদ্দেশ্যে তাদের দুই সন্তান—পারভেজ রহমান ও সাদিয়াকেও হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরদিন সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ তদন্তে নেমে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে সবুজ রানা হত্যার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খড়ের পালা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাঁসুয়া এবং একটি পুকুর থেকে ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো পরিবারকে হত্যা করলে হাবিবুরের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া যাবে-এই উদ্দেশ্য থেকেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংগৃহীত ছবি
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের দুই ভাগনে ও দুলাভাইসহ ছয়জন জড়িত থাকার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন-হাবিবুরের বোন শিরিন আক্তারের স্বামী শহিদুল ইসলাম, তার ছেলে শাহিন হোসেন এবং অপর বোনের ছেলে সবুজ রানা। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে।
পুলিশ জানায়, হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন জীবিত অবস্থায় তার ১৭ বিঘা জমির মধ্যে বসতবাড়িসহ ১৩ বিঘা ছেলে হাবিবুরকে লিখে দেন। বাকি সম্পত্তি মেয়েদের মধ্যে ভাগ করে দেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুরের সঙ্গে তার বোন ও ভগ্নিপতি এবং ভাগনেদের বিরোধ চলছিল।
পুলিশ সুপার জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত সোমবার রাতে অভিযুক্তরা হাবিবুরের বাড়িতে প্রবেশ করে। এর আগে এক ভাগনে বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে থেকে রাতের বেলা দরজা খুলে দেয়। পরে অন্যরা ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় হাবিবুরকে গলা কেটে হত্যা করে।
এ সময় হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা ঘটনাস্থলে এলে তাকেও কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারের কাউকে জীবিত না রাখার উদ্দেশ্যে তাদের দুই সন্তান—পারভেজ রহমান ও সাদিয়াকেও হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরদিন সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ তদন্তে নেমে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে সবুজ রানা হত্যার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খড়ের পালা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাঁসুয়া এবং একটি পুকুর থেকে ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো পরিবারকে হত্যা করলে হাবিবুরের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া যাবে-এই উদ্দেশ্য থেকেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংগৃহীত ছবি
নওগাঁর নিয়ামতপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের দুই ভাগনে ও দুলাভাইসহ ছয়জন জড়িত থাকার তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তাররা হলেন-হাবিবুরের বোন শিরিন আক্তারের স্বামী শহিদুল ইসলাম, তার ছেলে শাহিন হোসেন এবং অপর বোনের ছেলে সবুজ রানা। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামে।
পুলিশ জানায়, হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন জীবিত অবস্থায় তার ১৭ বিঘা জমির মধ্যে বসতবাড়িসহ ১৩ বিঘা ছেলে হাবিবুরকে লিখে দেন। বাকি সম্পত্তি মেয়েদের মধ্যে ভাগ করে দেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুরের সঙ্গে তার বোন ও ভগ্নিপতি এবং ভাগনেদের বিরোধ চলছিল।
পুলিশ সুপার জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত সোমবার রাতে অভিযুক্তরা হাবিবুরের বাড়িতে প্রবেশ করে। এর আগে এক ভাগনে বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে থেকে রাতের বেলা দরজা খুলে দেয়। পরে অন্যরা ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় হাবিবুরকে গলা কেটে হত্যা করে।
এ সময় হাবিবুরের স্ত্রী পপি সুলতানা ঘটনাস্থলে এলে তাকেও কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারের কাউকে জীবিত না রাখার উদ্দেশ্যে তাদের দুই সন্তান—পারভেজ রহমান ও সাদিয়াকেও হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরদিন সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ তদন্তে নেমে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে সবুজ রানা হত্যার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খড়ের পালা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাঁসুয়া এবং একটি পুকুর থেকে ছুরি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, পুরো পরিবারকে হত্যা করলে হাবিবুরের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হওয়া যাবে-এই উদ্দেশ্য থেকেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!