নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, চিকিৎসা ব্যয় এবং প্রযুক্তিপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। এতে বিভিন্ন খাত ও পণ্যে কর ও শুল্ক কমানোর একাধিক প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় কৃষি ও ভোগ্যপণ্যে কর হ্রাসকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, মাছ, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যে উৎসে কর ০.৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই হারে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ ও চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মসলার ওপর রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার এবং খেজুর আমদানিতেও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুখাদ্য উৎপাদনের কাঁচামালে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাবও রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ওপর ভ্যাট ও অগ্রিম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। হার্টের স্টেন্ট বা রিংয়ের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট এবং চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের ওপর ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাবও রয়েছে।
ওষুধ শিল্পে ক্যানসার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির ৯টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক শূন্য করার পাশাপাশি ৫১টি এপিআই ও আরও ১৭টি কাঁচামালের শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সার্ভার, প্রিন্টার ও মনিটরের ওপর শুল্ক-ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কম্পিউটার ও পোর্টেবল ডেটা প্রসেসিং যন্ত্রে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাবও রয়েছে।
স্থানীয় মোবাইল ফোন শিল্পকে উৎসাহ দিতে ২২ ধরনের কাঁচামালে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পয়েন্ট অব সেলস মেশিনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো এবং অগ্রিম কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
পরিবেশবান্ধব পরিবহন খাতে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির মোট করভার ৯৩ শতাংশ থেকে ৬৪ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর মওকুফ করা হয়েছে। ইভি চার্জার ও চার্জিং স্টেশনের ওপরও শুল্ক-কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সৌরবিদ্যুৎ উপকরণের শুল্ক অব্যাহতি অব্যাহত রাখা হয়েছে। লিথিয়াম ও সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনের কাঁচামালে কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ৫ শতাংশ কর রেয়াতের প্রস্তাবও রয়েছে।
কৃষি উৎপাদন খাতে কীটনাশক ও বালাইনাশক তৈরির কাঁচামাল, জিংক সালফেট সার এবং মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যের কাঁচামালে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায় উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশীয় তেলবীজভিত্তিক ভোজ্যতেল উৎপাদনে প্রথম পাঁচ বছর কর অব্যাহতি এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া নতুন মোবাইল সিমের ৩০০ টাকার কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব এসেছে বাজেটে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, চিকিৎসা ব্যয় এবং প্রযুক্তিপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। এতে বিভিন্ন খাত ও পণ্যে কর ও শুল্ক কমানোর একাধিক প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় কৃষি ও ভোগ্যপণ্যে কর হ্রাসকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, মাছ, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যে উৎসে কর ০.৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই হারে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ ও চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মসলার ওপর রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার এবং খেজুর আমদানিতেও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুখাদ্য উৎপাদনের কাঁচামালে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাবও রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ওপর ভ্যাট ও অগ্রিম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। হার্টের স্টেন্ট বা রিংয়ের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট এবং চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের ওপর ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাবও রয়েছে।
ওষুধ শিল্পে ক্যানসার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির ৯টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক শূন্য করার পাশাপাশি ৫১টি এপিআই ও আরও ১৭টি কাঁচামালের শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সার্ভার, প্রিন্টার ও মনিটরের ওপর শুল্ক-ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কম্পিউটার ও পোর্টেবল ডেটা প্রসেসিং যন্ত্রে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাবও রয়েছে।
স্থানীয় মোবাইল ফোন শিল্পকে উৎসাহ দিতে ২২ ধরনের কাঁচামালে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পয়েন্ট অব সেলস মেশিনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো এবং অগ্রিম কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
পরিবেশবান্ধব পরিবহন খাতে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির মোট করভার ৯৩ শতাংশ থেকে ৬৪ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর মওকুফ করা হয়েছে। ইভি চার্জার ও চার্জিং স্টেশনের ওপরও শুল্ক-কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সৌরবিদ্যুৎ উপকরণের শুল্ক অব্যাহতি অব্যাহত রাখা হয়েছে। লিথিয়াম ও সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনের কাঁচামালে কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ৫ শতাংশ কর রেয়াতের প্রস্তাবও রয়েছে।
কৃষি উৎপাদন খাতে কীটনাশক ও বালাইনাশক তৈরির কাঁচামাল, জিংক সালফেট সার এবং মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যের কাঁচামালে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায় উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশীয় তেলবীজভিত্তিক ভোজ্যতেল উৎপাদনে প্রথম পাঁচ বছর কর অব্যাহতি এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া নতুন মোবাইল সিমের ৩০০ টাকার কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব এসেছে বাজেটে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, চিকিৎসা ব্যয় এবং প্রযুক্তিপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। এতে বিভিন্ন খাত ও পণ্যে কর ও শুল্ক কমানোর একাধিক প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় কৃষি ও ভোগ্যপণ্যে কর হ্রাসকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, মাছ, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যে উৎসে কর ০.৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই হারে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ ও চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মসলার ওপর রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার এবং খেজুর আমদানিতেও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুখাদ্য উৎপাদনের কাঁচামালে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাবও রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ওপর ভ্যাট ও অগ্রিম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। হার্টের স্টেন্ট বা রিংয়ের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট এবং চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের ওপর ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাবও রয়েছে।
ওষুধ শিল্পে ক্যানসার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির ৯টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক শূন্য করার পাশাপাশি ৫১টি এপিআই ও আরও ১৭টি কাঁচামালের শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সার্ভার, প্রিন্টার ও মনিটরের ওপর শুল্ক-ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কম্পিউটার ও পোর্টেবল ডেটা প্রসেসিং যন্ত্রে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাবও রয়েছে।
স্থানীয় মোবাইল ফোন শিল্পকে উৎসাহ দিতে ২২ ধরনের কাঁচামালে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পয়েন্ট অব সেলস মেশিনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো এবং অগ্রিম কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
পরিবেশবান্ধব পরিবহন খাতে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির মোট করভার ৯৩ শতাংশ থেকে ৬৪ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর মওকুফ করা হয়েছে। ইভি চার্জার ও চার্জিং স্টেশনের ওপরও শুল্ক-কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সৌরবিদ্যুৎ উপকরণের শুল্ক অব্যাহতি অব্যাহত রাখা হয়েছে। লিথিয়াম ও সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনের কাঁচামালে কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ৫ শতাংশ কর রেয়াতের প্রস্তাবও রয়েছে।
কৃষি উৎপাদন খাতে কীটনাশক ও বালাইনাশক তৈরির কাঁচামাল, জিংক সালফেট সার এবং মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যের কাঁচামালে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায় উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশীয় তেলবীজভিত্তিক ভোজ্যতেল উৎপাদনে প্রথম পাঁচ বছর কর অব্যাহতি এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া নতুন মোবাইল সিমের ৩০০ টাকার কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব এসেছে বাজেটে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, চিকিৎসা ব্যয় এবং প্রযুক্তিপণ্যের উচ্চমূল্যের চাপের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এসেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেন। এতে বিভিন্ন খাত ও পণ্যে কর ও শুল্ক কমানোর একাধিক প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় কৃষি ও ভোগ্যপণ্যে কর হ্রাসকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, মাছ, ভোজ্যতেল, বীজসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যে উৎসে কর ০.৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। একই হারে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ ও চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মসলার ওপর রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার এবং খেজুর আমদানিতেও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিশুখাদ্য উৎপাদনের কাঁচামালে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাবও রয়েছে।
স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের কর ছাড়ের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ওপর ভ্যাট ও অগ্রিম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। হার্টের স্টেন্ট বা রিংয়ের ওপর ১০ শতাংশ ভ্যাট এবং চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের ওপর ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাবও রয়েছে।
ওষুধ শিল্পে ক্যানসার চিকিৎসার ওষুধ তৈরির ৯টি কাঁচামালের আমদানি শুল্ক শূন্য করার পাশাপাশি ৫১টি এপিআই ও আরও ১৭টি কাঁচামালের শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, সার্ভার, প্রিন্টার ও মনিটরের ওপর শুল্ক-ভ্যাট সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কম্পিউটার ও পোর্টেবল ডেটা প্রসেসিং যন্ত্রে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাবও রয়েছে।
স্থানীয় মোবাইল ফোন শিল্পকে উৎসাহ দিতে ২২ ধরনের কাঁচামালে অগ্রিম কর ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পয়েন্ট অব সেলস মেশিনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামানো এবং অগ্রিম কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
পরিবেশবান্ধব পরিবহন খাতে ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত মূল্যের বৈদ্যুতিক গাড়ির মোট করভার ৯৩ শতাংশ থেকে ৬৪ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক-কর মওকুফ করা হয়েছে। ইভি চার্জার ও চার্জিং স্টেশনের ওপরও শুল্ক-কর শূন্য করার প্রস্তাব রয়েছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সৌরবিদ্যুৎ উপকরণের শুল্ক অব্যাহতি অব্যাহত রাখা হয়েছে। লিথিয়াম ও সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনের কাঁচামালে কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ৫ শতাংশ কর রেয়াতের প্রস্তাবও রয়েছে।
কৃষি উৎপাদন খাতে কীটনাশক ও বালাইনাশক তৈরির কাঁচামাল, জিংক সালফেট সার এবং মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যের কাঁচামালে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
স্বর্ণ ব্যবসায় উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশীয় তেলবীজভিত্তিক ভোজ্যতেল উৎপাদনে প্রথম পাঁচ বছর কর অব্যাহতি এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ধাপে ধাপে ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
এছাড়া নতুন মোবাইল সিমের ৩০০ টাকার কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং ব্যাংক আমানতের ওপর আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব এসেছে বাজেটে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!