
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের আশঙ্কার মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট তীব্র হলেও বাংলাদেশি তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দেবে তেহরান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পক্ষ থেকে ইরানের প্রতি এ বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইরানের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জালিল রহিমি জাহানাবাদি বলেন, তিনি ইরানের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তারা প্রস্তুত আছেন। বাংলাদেশের যদি জ্বালানি পরিবহনের জন্য নিজস্ব জাহাজ থাকে, তবে সেগুলোকে নিরাপদে চলাচল করতে দেওয়া হবে, যাতে বাংলাদেশের মানুষ জ্বালানি সংকটে না পড়ে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালী সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে অন্তত ১৬টি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ববাজারে সরবরাহ হওয়া তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইরানের এই অনুমতির ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কিছুটা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে শর্ত হিসেবে নিজস্ব জাহাজের মাধ্যমে জ্বালানি পরিবহন করতে হবে, যা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের আশঙ্কার মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট তীব্র হলেও বাংলাদেশি তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দেবে তেহরান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পক্ষ থেকে ইরানের প্রতি এ বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইরানের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জালিল রহিমি জাহানাবাদি বলেন, তিনি ইরানের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তারা প্রস্তুত আছেন। বাংলাদেশের যদি জ্বালানি পরিবহনের জন্য নিজস্ব জাহাজ থাকে, তবে সেগুলোকে নিরাপদে চলাচল করতে দেওয়া হবে, যাতে বাংলাদেশের মানুষ জ্বালানি সংকটে না পড়ে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালী সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে অন্তত ১৬টি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ববাজারে সরবরাহ হওয়া তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইরানের এই অনুমতির ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কিছুটা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে শর্ত হিসেবে নিজস্ব জাহাজের মাধ্যমে জ্বালানি পরিবহন করতে হবে, যা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের আশঙ্কার মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট তীব্র হলেও বাংলাদেশি তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দেবে তেহরান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পক্ষ থেকে ইরানের প্রতি এ বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইরানের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জালিল রহিমি জাহানাবাদি বলেন, তিনি ইরানের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তারা প্রস্তুত আছেন। বাংলাদেশের যদি জ্বালানি পরিবহনের জন্য নিজস্ব জাহাজ থাকে, তবে সেগুলোকে নিরাপদে চলাচল করতে দেওয়া হবে, যাতে বাংলাদেশের মানুষ জ্বালানি সংকটে না পড়ে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালী সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে অন্তত ১৬টি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ববাজারে সরবরাহ হওয়া তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইরানের এই অনুমতির ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কিছুটা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে শর্ত হিসেবে নিজস্ব জাহাজের মাধ্যমে জ্বালানি পরিবহন করতে হবে, যা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধের আশঙ্কার মধ্যেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে ইরান। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট তীব্র হলেও বাংলাদেশি তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দেবে তেহরান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রহিমি জাহানাবাদি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর পক্ষ থেকে ইরানের প্রতি এ বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইরানের সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জালিল রহিমি জাহানাবাদি বলেন, তিনি ইরানের সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তারা প্রস্তুত আছেন। বাংলাদেশের যদি জ্বালানি পরিবহনের জন্য নিজস্ব জাহাজ থাকে, তবে সেগুলোকে নিরাপদে চলাচল করতে দেওয়া হবে, যাতে বাংলাদেশের মানুষ জ্বালানি সংকটে না পড়ে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালী সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ইতিমধ্যে অন্তত ১৬টি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে। বিশ্ববাজারে সরবরাহ হওয়া তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। ইরানের এই অনুমতির ফলে বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কিছুটা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে শর্ত হিসেবে নিজস্ব জাহাজের মাধ্যমে জ্বালানি পরিবহন করতে হবে, যা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!