
ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে ২৫ মামলার আসামি রাজা ওরফে বাদশা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আসামি পালানোর ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে গাড়িচালকও রয়েছেন। পাশাপাশি ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কারাগার সূত্র জানায়, রোববার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য প্রিজন ভ্যানে করে পিচ্চি রাজাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। হাজিরা শেষে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
প্রিজন ভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে পিচ্চি রাজা প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলেন। পরে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে পিচ্চি রাজাকে কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল। পথে নাওজোড় এলাকায় প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা বলে শৌচাগারে গেলে সেখান থেকেই তিনি পালিয়ে যান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের ওই সূত্র আরও জানায়, পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলা রয়েছে।

ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে ২৫ মামলার আসামি রাজা ওরফে বাদশা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আসামি পালানোর ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে গাড়িচালকও রয়েছেন। পাশাপাশি ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কারাগার সূত্র জানায়, রোববার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য প্রিজন ভ্যানে করে পিচ্চি রাজাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। হাজিরা শেষে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
প্রিজন ভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে পিচ্চি রাজা প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলেন। পরে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে পিচ্চি রাজাকে কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল। পথে নাওজোড় এলাকায় প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা বলে শৌচাগারে গেলে সেখান থেকেই তিনি পালিয়ে যান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের ওই সূত্র আরও জানায়, পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলা রয়েছে।

ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে ২৫ মামলার আসামি রাজা ওরফে বাদশা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আসামি পালানোর ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে গাড়িচালকও রয়েছেন। পাশাপাশি ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কারাগার সূত্র জানায়, রোববার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য প্রিজন ভ্যানে করে পিচ্চি রাজাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। হাজিরা শেষে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
প্রিজন ভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে পিচ্চি রাজা প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলেন। পরে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে পিচ্চি রাজাকে কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল। পথে নাওজোড় এলাকায় প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা বলে শৌচাগারে গেলে সেখান থেকেই তিনি পালিয়ে যান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের ওই সূত্র আরও জানায়, পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলা রয়েছে।

ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে ২৫ মামলার আসামি রাজা ওরফে বাদশা ওরফে ‘পিচ্চি রাজা’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আসামি পালানোর ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে গাড়িচালকও রয়েছেন। পাশাপাশি ডিসি হেডকোয়ার্টারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কারাগার সূত্র জানায়, রোববার সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে হাজিরার জন্য প্রিজন ভ্যানে করে পিচ্চি রাজাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। হাজিরা শেষে তাকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এ ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল।
প্রিজন ভ্যানটি গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে পিচ্চি রাজা প্রাকৃতিক কাজ সারার জন্য শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলেন। পরে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাকে একটি শৌচাগারে নিয়ে যান। সেখানে সুযোগ পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান তিনি।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-১-এর সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে পিচ্চি রাজাকে কাশিমপুর কারাগারে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল। পথে নাওজোড় এলাকায় প্রাকৃতিক কাজ সারার কথা বলে শৌচাগারে গেলে সেখান থেকেই তিনি পালিয়ে যান।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের ১৯ মে মোহাম্মদপুর এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত রাজা ওরফে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী ও শ্যালক নেপাল থেকে দেশে ফেরার খবরে পুলিশ বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের সহায়তায় তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের ওই সূত্র আরও জানায়, পিচ্চি রাজার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্রসহ ২০ থেকে ২৫টি মামলা রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!