আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কিছুটা দেরি হতে পারে, তাই সবাইকে ধৈর্য রাখার আহ্বান জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এক মাসের কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার।
দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের যদি মূল্যায়ন করা না হয়, ক্ষমতায়ন করা না হয়, তবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে ও অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করতে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ১৪ জেলার ৩৭,৫৬৭ নারীকে প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষভাবে কড়াইল, ৭তলা ও ভাষানটেক এলাকায় ১৫,০০০ নারীকে আজই কার্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি নারী প্রধান পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী মাসের মধ্যেই কৃষক কার্ডও চালু করা হবে।
তারেক রহমান এ দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা তার জন্যও ব্যক্তিগতভাবে আবেগপূর্ণ দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রু, যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি রাষ্ট্রদূত মেগান বোল্ডিন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশিদ, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি সৈয়দ হায়দার, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সিঙ্গাপুরের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মিচেল লি, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দেলওয়াহাব সাইদানি এবং ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি শেষে দুপুর ১২টার পর প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কিছুটা দেরি হতে পারে, তাই সবাইকে ধৈর্য রাখার আহ্বান জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এক মাসের কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার।
দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের যদি মূল্যায়ন করা না হয়, ক্ষমতায়ন করা না হয়, তবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে ও অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করতে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ১৪ জেলার ৩৭,৫৬৭ নারীকে প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষভাবে কড়াইল, ৭তলা ও ভাষানটেক এলাকায় ১৫,০০০ নারীকে আজই কার্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি নারী প্রধান পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী মাসের মধ্যেই কৃষক কার্ডও চালু করা হবে।
তারেক রহমান এ দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা তার জন্যও ব্যক্তিগতভাবে আবেগপূর্ণ দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রু, যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি রাষ্ট্রদূত মেগান বোল্ডিন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশিদ, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি সৈয়দ হায়দার, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সিঙ্গাপুরের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মিচেল লি, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দেলওয়াহাব সাইদানি এবং ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি শেষে দুপুর ১২টার পর প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কিছুটা দেরি হতে পারে, তাই সবাইকে ধৈর্য রাখার আহ্বান জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এক মাসের কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার।
দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের যদি মূল্যায়ন করা না হয়, ক্ষমতায়ন করা না হয়, তবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে ও অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করতে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ১৪ জেলার ৩৭,৫৬৭ নারীকে প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষভাবে কড়াইল, ৭তলা ও ভাষানটেক এলাকায় ১৫,০০০ নারীকে আজই কার্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি নারী প্রধান পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী মাসের মধ্যেই কৃষক কার্ডও চালু করা হবে।
তারেক রহমান এ দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা তার জন্যও ব্যক্তিগতভাবে আবেগপূর্ণ দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রু, যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি রাষ্ট্রদূত মেগান বোল্ডিন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশিদ, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি সৈয়দ হায়দার, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সিঙ্গাপুরের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মিচেল লি, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দেলওয়াহাব সাইদানি এবং ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি শেষে দুপুর ১২টার পর প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাজধানীর কড়াইল, ভাসানটেক ও সাততলা এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৫ হাজার নারীকে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
তিনি বলেন, সরকার জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কিছুটা দেরি হতে পারে, তাই সবাইকে ধৈর্য রাখার আহ্বান জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এক মাসের কম সময়ের মধ্যে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার।
দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের যদি মূল্যায়ন করা না হয়, ক্ষমতায়ন করা না হয়, তবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে ও অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করতে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ১৪ জেলার ৩৭,৫৬৭ নারীকে প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে। বিশেষভাবে কড়াইল, ৭তলা ও ভাষানটেক এলাকায় ১৫,০০০ নারীকে আজই কার্ড দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের চার কোটি নারী প্রধান পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া তিনি ঘোষণা করেছেন, আগামী মাসের মধ্যেই কৃষক কার্ডও চালু করা হবে।
তারেক রহমান এ দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা তার জন্যও ব্যক্তিগতভাবে আবেগপূর্ণ দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা ওচোয়া দে চিনচেত্রু, যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি রাষ্ট্রদূত মেগান বোল্ডিন, পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রশিদ, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি সৈয়দ হায়দার, চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সিঙ্গাপুরের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার মিচেল লি, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আব্দেলওয়াহাব সাইদানি এবং ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলি সিং উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচি শেষে দুপুর ১২টার পর প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!