জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তেলের অবৈধ মজুত গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি প্রতিহত করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার রোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই অনুরোধের ভিত্তিতে জনস্বার্থে এবং তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মাঠ প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের তদারকিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজার তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। জনস্বার্থে এই কার্যক্রম দ্রুত কার্যকর করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তেলের অবৈধ মজুত গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি প্রতিহত করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার রোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই অনুরোধের ভিত্তিতে জনস্বার্থে এবং তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মাঠ প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের তদারকিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজার তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। জনস্বার্থে এই কার্যক্রম দ্রুত কার্যকর করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তেলের অবৈধ মজুত গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি প্রতিহত করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার রোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই অনুরোধের ভিত্তিতে জনস্বার্থে এবং তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মাঠ প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের তদারকিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজার তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। জনস্বার্থে এই কার্যক্রম দ্রুত কার্যকর করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সোমবার (৯ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পরিবীক্ষণ শাখা থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব নাহিদা আক্তার তানিয়া স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট যেন তৈরি না হয় তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তেলের অবৈধ মজুত গড়ে তোলা বন্ধ করা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি প্রতিহত করা এবং খোলা বাজারে তেল বিক্রি ও পাচার রোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই অনুরোধের ভিত্তিতে জনস্বার্থে এবং তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মাঠ প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনার পর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের তদারকিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা বাজার তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। জনস্বার্থে এই কার্যক্রম দ্রুত কার্যকর করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!