
সংগৃহীত ছবি
দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় এ জেলায় শীত নেমে আসে আগেভাগেই। গত চারদিন ধরে কুয়াশা, উচ্চ আর্দ্রতা এবং উত্তরের বইতে থাকা হিমেল হাওয়ায় শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৯৭ শতাংশ। তবে ঘন কুয়াশা না থাকায় দৃশ্যমানতা ছিল স্বাভাবিক। হালকা কুয়াশার পর সকালে রোদের দেখা মিললেও প্রচণ্ড আর্দ্রতা আর হিমেল বাতাস শীতের অনুভূতি বাড়িয়েছে।
এর আগের দিন শনিবার (২২ নভেম্বর) একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও দিন-রাতের তাপমাত্রার বড় ব্যবধানের কারণে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী ও পঞ্চগড় সদরসহ পুরো জেলায় ভোররাত থেকেই শীতল হাওয়া বইছে। স্থানীয়দের দাবি, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা আগের তুলনায় আরও বেড়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল, তবে রবিবার তা আরও কমেছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরের শুরুতে উত্তরাঞ্চলে শীত পুরোপুরি জেঁকে বসবে বলেও তিনি জানান।

সংগৃহীত ছবি
দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় এ জেলায় শীত নেমে আসে আগেভাগেই। গত চারদিন ধরে কুয়াশা, উচ্চ আর্দ্রতা এবং উত্তরের বইতে থাকা হিমেল হাওয়ায় শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৯৭ শতাংশ। তবে ঘন কুয়াশা না থাকায় দৃশ্যমানতা ছিল স্বাভাবিক। হালকা কুয়াশার পর সকালে রোদের দেখা মিললেও প্রচণ্ড আর্দ্রতা আর হিমেল বাতাস শীতের অনুভূতি বাড়িয়েছে।
এর আগের দিন শনিবার (২২ নভেম্বর) একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও দিন-রাতের তাপমাত্রার বড় ব্যবধানের কারণে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী ও পঞ্চগড় সদরসহ পুরো জেলায় ভোররাত থেকেই শীতল হাওয়া বইছে। স্থানীয়দের দাবি, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা আগের তুলনায় আরও বেড়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল, তবে রবিবার তা আরও কমেছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরের শুরুতে উত্তরাঞ্চলে শীত পুরোপুরি জেঁকে বসবে বলেও তিনি জানান।

সংগৃহীত ছবি
দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় এ জেলায় শীত নেমে আসে আগেভাগেই। গত চারদিন ধরে কুয়াশা, উচ্চ আর্দ্রতা এবং উত্তরের বইতে থাকা হিমেল হাওয়ায় শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৯৭ শতাংশ। তবে ঘন কুয়াশা না থাকায় দৃশ্যমানতা ছিল স্বাভাবিক। হালকা কুয়াশার পর সকালে রোদের দেখা মিললেও প্রচণ্ড আর্দ্রতা আর হিমেল বাতাস শীতের অনুভূতি বাড়িয়েছে।
এর আগের দিন শনিবার (২২ নভেম্বর) একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও দিন-রাতের তাপমাত্রার বড় ব্যবধানের কারণে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী ও পঞ্চগড় সদরসহ পুরো জেলায় ভোররাত থেকেই শীতল হাওয়া বইছে। স্থানীয়দের দাবি, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা আগের তুলনায় আরও বেড়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল, তবে রবিবার তা আরও কমেছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরের শুরুতে উত্তরাঞ্চলে শীত পুরোপুরি জেঁকে বসবে বলেও তিনি জানান।

সংগৃহীত ছবি
দেশের উত্তরাঞ্চলের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় এ জেলায় শীত নেমে আসে আগেভাগেই। গত চারদিন ধরে কুয়াশা, উচ্চ আর্দ্রতা এবং উত্তরের বইতে থাকা হিমেল হাওয়ায় শীতের প্রকোপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা ছিল ৯৭ শতাংশ। তবে ঘন কুয়াশা না থাকায় দৃশ্যমানতা ছিল স্বাভাবিক। হালকা কুয়াশার পর সকালে রোদের দেখা মিললেও প্রচণ্ড আর্দ্রতা আর হিমেল বাতাস শীতের অনুভূতি বাড়িয়েছে।
এর আগের দিন শনিবার (২২ নভেম্বর) একই সময়ে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকলেও দিন-রাতের তাপমাত্রার বড় ব্যবধানের কারণে সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে।
দেবীগঞ্জ, বোদা, আটোয়ারী ও পঞ্চগড় সদরসহ পুরো জেলায় ভোররাত থেকেই শীতল হাওয়া বইছে। স্থানীয়দের দাবি, হঠাৎ তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা আগের তুলনায় আরও বেড়েছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের আবহাওয়াবিদ জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ছিল, তবে রবিবার তা আরও কমেছে। আগামী সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরের শুরুতে উত্তরাঞ্চলে শীত পুরোপুরি জেঁকে বসবে বলেও তিনি জানান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!