ক্রিকেট ক্যারিয়ার চলাকালেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও দলের কার্যক্রম ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার রাজনৈতিক অবস্থান অপরিবর্তিত এবং তিনি দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা রাখেন না।
সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলে খেলেছি, তখনও সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই। ভবিষ্যতেও নেই।’ রাজনৈতিক দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করে বলেন, ‘আজীবন কি কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখা যায়? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।’
তিনি আরও বলেন, অতীতের ভুল বা রাজনৈতিক বাস্তবতা ঘুরে ফিরে একই জায়গায় ফিরে এলে তা দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয়, বরং একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাকিব আল হাসান। তবে তার সংসদীয় মেয়াদ ছিল স্বল্পস্থায়ী। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। নিজ এলাকার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আমাকে আবারও ভোট দেবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী ছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি।’
ক্রিকেট ক্যারিয়ার চলাকালেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও দলের কার্যক্রম ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার রাজনৈতিক অবস্থান অপরিবর্তিত এবং তিনি দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা রাখেন না।
সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলে খেলেছি, তখনও সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই। ভবিষ্যতেও নেই।’ রাজনৈতিক দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করে বলেন, ‘আজীবন কি কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখা যায়? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।’
তিনি আরও বলেন, অতীতের ভুল বা রাজনৈতিক বাস্তবতা ঘুরে ফিরে একই জায়গায় ফিরে এলে তা দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয়, বরং একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাকিব আল হাসান। তবে তার সংসদীয় মেয়াদ ছিল স্বল্পস্থায়ী। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। নিজ এলাকার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আমাকে আবারও ভোট দেবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী ছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি।’
ক্রিকেট ক্যারিয়ার চলাকালেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও দলের কার্যক্রম ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার রাজনৈতিক অবস্থান অপরিবর্তিত এবং তিনি দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা রাখেন না।
সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলে খেলেছি, তখনও সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই। ভবিষ্যতেও নেই।’ রাজনৈতিক দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করে বলেন, ‘আজীবন কি কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখা যায়? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।’
তিনি আরও বলেন, অতীতের ভুল বা রাজনৈতিক বাস্তবতা ঘুরে ফিরে একই জায়গায় ফিরে এলে তা দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয়, বরং একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাকিব আল হাসান। তবে তার সংসদীয় মেয়াদ ছিল স্বল্পস্থায়ী। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। নিজ এলাকার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আমাকে আবারও ভোট দেবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী ছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি।’
ক্রিকেট ক্যারিয়ার চলাকালেই রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন ও দলের কার্যক্রম ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে তার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার রাজনৈতিক অবস্থান অপরিবর্তিত এবং তিনি দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা রাখেন না।
সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাকিব বলেন, ‘আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলে খেলেছি, তখনও সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই। ভবিষ্যতেও নেই।’ রাজনৈতিক দলীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করে বলেন, ‘আজীবন কি কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখা যায়? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।’
তিনি আরও বলেন, অতীতের ভুল বা রাজনৈতিক বাস্তবতা ঘুরে ফিরে একই জায়গায় ফিরে এলে তা দীর্ঘমেয়াদে সমাধান নয়, বরং একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সাকিব আল হাসান। তবে তার সংসদীয় মেয়াদ ছিল স্বল্পস্থায়ী। ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। নিজ এলাকার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আমাকে আবারও ভোট দেবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী ছিলাম। কিন্তু পরিস্থিতি ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!