
দেশজুড়ে চলমান বৃষ্টিপাতে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে । একই সঙ্গে হবিগঞ্জ, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং কংস নদ জারিয়াজঞ্জাইল পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া মগরা নদীর পানি নেত্রকোনা পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।
অন্যদিকে মগরা নদীর আতপাড়া পয়েন্ট, খোয়াই নদীর হবিগঞ্জ ও বাল্লাহ পয়েন্ট, সুতাং নদীর সুতাং-আরবি পয়েন্ট এবং জুরি নদীর সিলঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।
এর আগে হাওর অববাহিকার নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সুরমা-কুশিয়ারা, মনু-খোয়াই, ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীগুলো প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আগামী ১২০ ঘণ্টা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

দেশজুড়ে চলমান বৃষ্টিপাতে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে । একই সঙ্গে হবিগঞ্জ, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং কংস নদ জারিয়াজঞ্জাইল পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া মগরা নদীর পানি নেত্রকোনা পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।
অন্যদিকে মগরা নদীর আতপাড়া পয়েন্ট, খোয়াই নদীর হবিগঞ্জ ও বাল্লাহ পয়েন্ট, সুতাং নদীর সুতাং-আরবি পয়েন্ট এবং জুরি নদীর সিলঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।
এর আগে হাওর অববাহিকার নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সুরমা-কুশিয়ারা, মনু-খোয়াই, ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীগুলো প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আগামী ১২০ ঘণ্টা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

দেশজুড়ে চলমান বৃষ্টিপাতে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে । একই সঙ্গে হবিগঞ্জ, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং কংস নদ জারিয়াজঞ্জাইল পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া মগরা নদীর পানি নেত্রকোনা পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।
অন্যদিকে মগরা নদীর আতপাড়া পয়েন্ট, খোয়াই নদীর হবিগঞ্জ ও বাল্লাহ পয়েন্ট, সুতাং নদীর সুতাং-আরবি পয়েন্ট এবং জুরি নদীর সিলঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।
এর আগে হাওর অববাহিকার নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সুরমা-কুশিয়ারা, মনু-খোয়াই, ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীগুলো প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আগামী ১২০ ঘণ্টা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

দেশজুড়ে চলমান বৃষ্টিপাতে নেত্রকোনা ও মৌলভীবাজার জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে । একই সঙ্গে হবিগঞ্জ, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদীর পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নেত্রকোনার সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার এবং কংস নদ জারিয়াজঞ্জাইল পয়েন্টে ৮২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। মৌলভীবাজারে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া মগরা নদীর পানি নেত্রকোনা পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।
অন্যদিকে মগরা নদীর আতপাড়া পয়েন্ট, খোয়াই নদীর হবিগঞ্জ ও বাল্লাহ পয়েন্ট, সুতাং নদীর সুতাং-আরবি পয়েন্ট এবং জুরি নদীর সিলঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।
এর আগে হাওর অববাহিকার নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে জানানো হয়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আগামী তিন দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জ জেলার নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়তে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সুরমা-কুশিয়ারা, মনু-খোয়াই, ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীগুলো প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় আগামী ১২০ ঘণ্টা বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে, যা বন্যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!