ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মো. খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদকে দেশের পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক পদে নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জারি করা এক আদেশে কমিশন জানায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএসইসি সূত্র জানায়, ডিএসইর সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকির অভাবেই এসব অনিয়ম দীর্ঘ সময় ধরা পড়েনি।
কমিশনের আদেশে বলা হয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আদেশ জারির দিন থেকেই খায়রুল বাশার দেশের সব স্টক এক্সচেঞ্জ, বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং বিএসইসির নিয়ন্ত্রিত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
বিএসইসি জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে মশিহর সিকিউরিটিজ লিমিটেডসহ সাতটি ট্রেকধারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ডিএসইর সিআরও হিসেবে খায়রুল বাশার ওই পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিলে তিনি ব্যর্থ হন, যা প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে কমিশন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন, অনিয়ম শনাক্ত এবং সময়মতো কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া। এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বাজার তদারকির গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে বলে মনে করছে বিএসইসি।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মশিহর সিকিউরিটিজ কেলেঙ্কারিতে বিনিয়োগকারীদের ১৬১ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা দেশের শেয়ারবাজারের অন্যতম বড় জালিয়াতির ঘটনা। বিএসইসির অনুসন্ধানে উঠে আসে, সময়মতো কার্যকর পরিদর্শন ও নজরদারি নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হতো।
এ ছাড়া নজরদারির ঘাটতির কারণে পিএফআই সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ ও বানকো সিকিউরিটিজেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের তথ্যমতে, বানকো সিকিউরিটিজ থেকে ১৩৬ কোটি ৮৪ লাখ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ থেকে ৬২ কোটি ৯৮ লাখ এবং তামহা সিকিউরিটিজ থেকে ৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।
বিএসইসি বলছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মো. খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদকে দেশের পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক পদে নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জারি করা এক আদেশে কমিশন জানায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএসইসি সূত্র জানায়, ডিএসইর সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকির অভাবেই এসব অনিয়ম দীর্ঘ সময় ধরা পড়েনি।
কমিশনের আদেশে বলা হয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আদেশ জারির দিন থেকেই খায়রুল বাশার দেশের সব স্টক এক্সচেঞ্জ, বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং বিএসইসির নিয়ন্ত্রিত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
বিএসইসি জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে মশিহর সিকিউরিটিজ লিমিটেডসহ সাতটি ট্রেকধারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ডিএসইর সিআরও হিসেবে খায়রুল বাশার ওই পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিলে তিনি ব্যর্থ হন, যা প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে কমিশন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন, অনিয়ম শনাক্ত এবং সময়মতো কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া। এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বাজার তদারকির গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে বলে মনে করছে বিএসইসি।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মশিহর সিকিউরিটিজ কেলেঙ্কারিতে বিনিয়োগকারীদের ১৬১ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা দেশের শেয়ারবাজারের অন্যতম বড় জালিয়াতির ঘটনা। বিএসইসির অনুসন্ধানে উঠে আসে, সময়মতো কার্যকর পরিদর্শন ও নজরদারি নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হতো।
এ ছাড়া নজরদারির ঘাটতির কারণে পিএফআই সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ ও বানকো সিকিউরিটিজেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের তথ্যমতে, বানকো সিকিউরিটিজ থেকে ১৩৬ কোটি ৮৪ লাখ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ থেকে ৬২ কোটি ৯৮ লাখ এবং তামহা সিকিউরিটিজ থেকে ৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।
বিএসইসি বলছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মো. খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদকে দেশের পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক পদে নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জারি করা এক আদেশে কমিশন জানায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএসইসি সূত্র জানায়, ডিএসইর সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকির অভাবেই এসব অনিয়ম দীর্ঘ সময় ধরা পড়েনি।
কমিশনের আদেশে বলা হয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আদেশ জারির দিন থেকেই খায়রুল বাশার দেশের সব স্টক এক্সচেঞ্জ, বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং বিএসইসির নিয়ন্ত্রিত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
বিএসইসি জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে মশিহর সিকিউরিটিজ লিমিটেডসহ সাতটি ট্রেকধারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ডিএসইর সিআরও হিসেবে খায়রুল বাশার ওই পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিলে তিনি ব্যর্থ হন, যা প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে কমিশন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন, অনিয়ম শনাক্ত এবং সময়মতো কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া। এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বাজার তদারকির গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে বলে মনে করছে বিএসইসি।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মশিহর সিকিউরিটিজ কেলেঙ্কারিতে বিনিয়োগকারীদের ১৬১ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা দেশের শেয়ারবাজারের অন্যতম বড় জালিয়াতির ঘটনা। বিএসইসির অনুসন্ধানে উঠে আসে, সময়মতো কার্যকর পরিদর্শন ও নজরদারি নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হতো।
এ ছাড়া নজরদারির ঘাটতির কারণে পিএফআই সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ ও বানকো সিকিউরিটিজেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের তথ্যমতে, বানকো সিকিউরিটিজ থেকে ১৩৬ কোটি ৮৪ লাখ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ থেকে ৬২ কোটি ৯৮ লাখ এবং তামহা সিকিউরিটিজ থেকে ৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।
বিএসইসি বলছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাবেক প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (সিআরও) মো. খায়রুল বাশার আবু তাহের মোহাম্মদকে দেশের পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক পদে নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জারি করা এক আদেশে কমিশন জানায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা ও গাফিলতির অভিযোগে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএসইসি সূত্র জানায়, ডিএসইর সিআরও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মশিহর সিকিউরিটিজসহ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউজে বিনিয়োগকারীদের শত শত কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা সামনে আসে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত পরিদর্শন ও কার্যকর তদারকির অভাবেই এসব অনিয়ম দীর্ঘ সময় ধরা পড়েনি।
কমিশনের আদেশে বলা হয়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আদেশ জারির দিন থেকেই খায়রুল বাশার দেশের সব স্টক এক্সচেঞ্জ, বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং বিএসইসির নিয়ন্ত্রিত অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
বিএসইসি জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ মে মশিহর সিকিউরিটিজ লিমিটেডসহ সাতটি ট্রেকধারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সে সময় ডিএসইর সিআরও হিসেবে খায়রুল বাশার ওই পরিদর্শনের দায়িত্বে ছিলেন। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিদর্শন ও প্রতিবেদন দাখিলে তিনি ব্যর্থ হন, যা প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে কমিশন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউজগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন, অনিয়ম শনাক্ত এবং সময়মতো কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া। এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় বাজার তদারকির গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে বলে মনে করছে বিএসইসি।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মশিহর সিকিউরিটিজ কেলেঙ্কারিতে বিনিয়োগকারীদের ১৬১ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা দেশের শেয়ারবাজারের অন্যতম বড় জালিয়াতির ঘটনা। বিএসইসির অনুসন্ধানে উঠে আসে, সময়মতো কার্যকর পরিদর্শন ও নজরদারি নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হতো।
এ ছাড়া নজরদারির ঘাটতির কারণে পিএফআই সিকিউরিটিজ, সিনহা সিকিউরিটিজ, তামহা সিকিউরিটিজ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ ও বানকো সিকিউরিটিজেও বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের তথ্যমতে, বানকো সিকিউরিটিজ থেকে ১৩৬ কোটি ৮৪ লাখ, ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ থেকে ৬২ কোটি ৯৮ লাখ এবং তামহা সিকিউরিটিজ থেকে ৫১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটে।
বিএসইসি বলছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং পুঁজিবাজারে সুশাসন নিশ্চিত করতেই এই নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!