একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
এ সুবিধা প্রযোজ্য একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করতে যাওয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য।
এর আগে বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় গ্রাহকেরা শুধু নিজের চিকিৎসার খরচের জন্য অর্থ উত্তোলন করতে পারতেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবা-মা, স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও ভাই-বোনের চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা তোলা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গ্রাহকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নীতিমালায় এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আমানতের মুনাফায় ‘হেয়ারকাট’ বা কর্তনের সিদ্ধান্তও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে শরিয়াহভিত্তিক নিয়ম অনুযায়ী আমানতকারীরা পুরো মুনাফা পাবেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে। এরপর প্রশাসক দলও প্রত্যাহার করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে আমানতকারীদের শেয়ার দেওয়া হবে। এছাড়া ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ফান্ড থেকে প্রতিটি আমানতকারী সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পাচ্ছেন এবং অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ২২ হাজারের বেশি আমানতকারীকে মোট ৩ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
এ সুবিধা প্রযোজ্য একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করতে যাওয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য।
এর আগে বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় গ্রাহকেরা শুধু নিজের চিকিৎসার খরচের জন্য অর্থ উত্তোলন করতে পারতেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবা-মা, স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও ভাই-বোনের চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা তোলা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গ্রাহকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নীতিমালায় এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আমানতের মুনাফায় ‘হেয়ারকাট’ বা কর্তনের সিদ্ধান্তও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে শরিয়াহভিত্তিক নিয়ম অনুযায়ী আমানতকারীরা পুরো মুনাফা পাবেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে। এরপর প্রশাসক দলও প্রত্যাহার করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে আমানতকারীদের শেয়ার দেওয়া হবে। এছাড়া ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ফান্ড থেকে প্রতিটি আমানতকারী সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পাচ্ছেন এবং অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ২২ হাজারের বেশি আমানতকারীকে মোট ৩ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
এ সুবিধা প্রযোজ্য একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করতে যাওয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য।
এর আগে বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় গ্রাহকেরা শুধু নিজের চিকিৎসার খরচের জন্য অর্থ উত্তোলন করতে পারতেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবা-মা, স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও ভাই-বোনের চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা তোলা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গ্রাহকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নীতিমালায় এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আমানতের মুনাফায় ‘হেয়ারকাট’ বা কর্তনের সিদ্ধান্তও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে শরিয়াহভিত্তিক নিয়ম অনুযায়ী আমানতকারীরা পুরো মুনাফা পাবেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে। এরপর প্রশাসক দলও প্রত্যাহার করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে আমানতকারীদের শেয়ার দেওয়া হবে। এছাড়া ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ফান্ড থেকে প্রতিটি আমানতকারী সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পাচ্ছেন এবং অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ২২ হাজারের বেশি আমানতকারীকে মোট ৩ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকেরা এখন চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
এ সুবিধা প্রযোজ্য একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করতে যাওয়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য।
এর আগে বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় গ্রাহকেরা শুধু নিজের চিকিৎসার খরচের জন্য অর্থ উত্তোলন করতে পারতেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাবা-মা, স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও ভাই-বোনের চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা তোলা যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গ্রাহকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নীতিমালায় এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। একই সঙ্গে আমানতের মুনাফায় ‘হেয়ারকাট’ বা কর্তনের সিদ্ধান্তও স্থগিত করা হয়েছে। ফলে শরিয়াহভিত্তিক নিয়ম অনুযায়ী আমানতকারীরা পুরো মুনাফা পাবেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শেষ হতে পারে। এরপর প্রশাসক দলও প্রত্যাহার করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার বিপরীতে আমানতকারীদের শেয়ার দেওয়া হবে। এছাড়া ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স ফান্ড থেকে প্রতিটি আমানতকারী সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পাচ্ছেন এবং অবশিষ্ট অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় ৮ লাখ ২২ হাজারের বেশি আমানতকারীকে মোট ৩ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!