
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবস প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলেও বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সে ধারা ভেঙেছে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেন নেমে এসেছে ৯৩৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকায়।
নির্বাচনের আগে দুই কার্যদিবস এবং নির্বাচন-পরবর্তী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছিল। বিশেষ করে নির্বাচন-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে বড় ধরনের দরবৃদ্ধি দেখা যায়। তবে পরবর্তী তিন কার্যদিবস ধরে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আগের উত্থানে অর্জিত মুনাফা তুলে নিতে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বিক্রির চাপ বাড়িয়েছেন।
সূচকে পতন দিনের শুরুতে ক্রয়চাপ বেশি থাকায় সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রির চাপ বাড়তে থাকলে বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়ে।
দিনশেষে মাত্র ৮২টি শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২৮৬টির দাম কমেছে এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১১০ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
লেনদেনে ভাটা
এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২২২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সে হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ২৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। গত রোববার ও সোমবার ডিএসইতে যথাক্রমে ১ হাজার ২৭৫ কোটি ১০ লাখ এবং ১ হাজার ২৫৭ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।
সিএসইতেও পতন
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এও দরপতন হয়েছে। বাজারটির সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৮৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে নেমেছে।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ১২২টির কমেছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ২১ কোটি ৯ লাখ টাকা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টানা কয়েকদিনের উত্থানের পর স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনের অংশ হিসেবেই এ দরপতন হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবস প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলেও বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সে ধারা ভেঙেছে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেন নেমে এসেছে ৯৩৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকায়।
নির্বাচনের আগে দুই কার্যদিবস এবং নির্বাচন-পরবর্তী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছিল। বিশেষ করে নির্বাচন-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে বড় ধরনের দরবৃদ্ধি দেখা যায়। তবে পরবর্তী তিন কার্যদিবস ধরে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আগের উত্থানে অর্জিত মুনাফা তুলে নিতে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বিক্রির চাপ বাড়িয়েছেন।
সূচকে পতন দিনের শুরুতে ক্রয়চাপ বেশি থাকায় সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রির চাপ বাড়তে থাকলে বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়ে।
দিনশেষে মাত্র ৮২টি শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২৮৬টির দাম কমেছে এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১১০ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
লেনদেনে ভাটা
এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২২২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সে হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ২৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। গত রোববার ও সোমবার ডিএসইতে যথাক্রমে ১ হাজার ২৭৫ কোটি ১০ লাখ এবং ১ হাজার ২৫৭ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।
সিএসইতেও পতন
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এও দরপতন হয়েছে। বাজারটির সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৮৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে নেমেছে।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ১২২টির কমেছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ২১ কোটি ৯ লাখ টাকা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টানা কয়েকদিনের উত্থানের পর স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনের অংশ হিসেবেই এ দরপতন হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবস প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলেও বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সে ধারা ভেঙেছে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেন নেমে এসেছে ৯৩৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকায়।
নির্বাচনের আগে দুই কার্যদিবস এবং নির্বাচন-পরবর্তী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছিল। বিশেষ করে নির্বাচন-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে বড় ধরনের দরবৃদ্ধি দেখা যায়। তবে পরবর্তী তিন কার্যদিবস ধরে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আগের উত্থানে অর্জিত মুনাফা তুলে নিতে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বিক্রির চাপ বাড়িয়েছেন।
সূচকে পতন দিনের শুরুতে ক্রয়চাপ বেশি থাকায় সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রির চাপ বাড়তে থাকলে বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়ে।
দিনশেষে মাত্র ৮২টি শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২৮৬টির দাম কমেছে এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১১০ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
লেনদেনে ভাটা
এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২২২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সে হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ২৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। গত রোববার ও সোমবার ডিএসইতে যথাক্রমে ১ হাজার ২৭৫ কোটি ১০ লাখ এবং ১ হাজার ২৫৭ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।
সিএসইতেও পতন
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এও দরপতন হয়েছে। বাজারটির সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৮৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে নেমেছে।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ১২২টির কমেছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ২১ কোটি ৯ লাখ টাকা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টানা কয়েকদিনের উত্থানের পর স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনের অংশ হিসেবেই এ দরপতন হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর চলতি সপ্তাহের প্রথম তিন কার্যদিবস প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলেও বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সে ধারা ভেঙেছে। সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে লেনদেন নেমে এসেছে ৯৩৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকায়।
নির্বাচনের আগে দুই কার্যদিবস এবং নির্বাচন-পরবর্তী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছিল। বিশেষ করে নির্বাচন-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে বড় ধরনের দরবৃদ্ধি দেখা যায়। তবে পরবর্তী তিন কার্যদিবস ধরে অধিকাংশ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, আগের উত্থানে অর্জিত মুনাফা তুলে নিতে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ বিক্রির চাপ বাড়িয়েছেন।
সূচকে পতন দিনের শুরুতে ক্রয়চাপ বেশি থাকায় সূচক কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই বিক্রির চাপ বাড়তে থাকলে বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়ে।
দিনশেষে মাত্র ৮২টি শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২৮৬টির দাম কমেছে এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১১০ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
লেনদেনে ভাটা
এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২২২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। সে হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ২৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। গত রোববার ও সোমবার ডিএসইতে যথাক্রমে ১ হাজার ২৭৫ কোটি ১০ লাখ এবং ১ হাজার ২৫৭ কোটি ৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।
সিএসইতেও পতন
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)-এও দরপতন হয়েছে। বাজারটির সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৮৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪২৯ পয়েন্টে নেমেছে।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৮ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৯টির দাম বেড়েছে, ১২২টির কমেছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ২১ কোটি ৯ লাখ টাকা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, টানা কয়েকদিনের উত্থানের পর স্বাভাবিক মূল্য সংশোধনের অংশ হিসেবেই এ দরপতন হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!