
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই শেয়ারবাজার সংস্কারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রোকারেজ কমিউনিটির নেতারা। তারা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত এখন সময়ের দাবি।
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-এর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, নতুন সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শেয়ারবাজার উন্নয়নে প্রথম ১০০ দিনে কী ধরনের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন তারা। তার মতে, বর্তমানে অর্থনীতি ও পুঁজিবাজার-উভয়ই নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি দ্রুত কার্যকর রোডম্যাপ বাস্তবায়ন জরুরি।
একই সুরে কথা বলেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫-১৭ বছর ধরে বাজারে ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলেছে, যার ফলে বহু বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে নীতিগত সমন্বয় জোরদার এবং স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে আইপিও বা নতুন শেয়ারের সরবরাহ প্রায় নেই বললেই চলে, ফলে তারল্য সংকট তীব্র হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে নির্বাচনের আগে টানা দুই কার্যদিবসে ডিএসইএক্স সূচক ১৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৯৯ পয়েন্টে পৌঁছানো এবং দৈনিক লেনদেন ৭৯০ কোটি টাকায় উন্নীত হওয়াকে বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ব্রোকারদের প্রত্যাশা—বিএসইসিকে ঢেলে সাজানো, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিকে বাজারে আনা এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। তাদের মতে, প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে সংস্কারের স্পষ্ট বার্তা না এলে সাম্প্রতিক চাঙাভাব স্থায়ী হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই শেয়ারবাজার সংস্কারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রোকারেজ কমিউনিটির নেতারা। তারা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত এখন সময়ের দাবি।
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-এর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, নতুন সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শেয়ারবাজার উন্নয়নে প্রথম ১০০ দিনে কী ধরনের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন তারা। তার মতে, বর্তমানে অর্থনীতি ও পুঁজিবাজার-উভয়ই নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি দ্রুত কার্যকর রোডম্যাপ বাস্তবায়ন জরুরি।
একই সুরে কথা বলেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫-১৭ বছর ধরে বাজারে ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলেছে, যার ফলে বহু বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে নীতিগত সমন্বয় জোরদার এবং স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে আইপিও বা নতুন শেয়ারের সরবরাহ প্রায় নেই বললেই চলে, ফলে তারল্য সংকট তীব্র হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে নির্বাচনের আগে টানা দুই কার্যদিবসে ডিএসইএক্স সূচক ১৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৯৯ পয়েন্টে পৌঁছানো এবং দৈনিক লেনদেন ৭৯০ কোটি টাকায় উন্নীত হওয়াকে বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ব্রোকারদের প্রত্যাশা—বিএসইসিকে ঢেলে সাজানো, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিকে বাজারে আনা এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। তাদের মতে, প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে সংস্কারের স্পষ্ট বার্তা না এলে সাম্প্রতিক চাঙাভাব স্থায়ী হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই শেয়ারবাজার সংস্কারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রোকারেজ কমিউনিটির নেতারা। তারা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত এখন সময়ের দাবি।
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-এর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, নতুন সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শেয়ারবাজার উন্নয়নে প্রথম ১০০ দিনে কী ধরনের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন তারা। তার মতে, বর্তমানে অর্থনীতি ও পুঁজিবাজার-উভয়ই নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি দ্রুত কার্যকর রোডম্যাপ বাস্তবায়ন জরুরি।
একই সুরে কথা বলেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫-১৭ বছর ধরে বাজারে ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলেছে, যার ফলে বহু বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে নীতিগত সমন্বয় জোরদার এবং স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে আইপিও বা নতুন শেয়ারের সরবরাহ প্রায় নেই বললেই চলে, ফলে তারল্য সংকট তীব্র হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে নির্বাচনের আগে টানা দুই কার্যদিবসে ডিএসইএক্স সূচক ১৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৯৯ পয়েন্টে পৌঁছানো এবং দৈনিক লেনদেন ৭৯০ কোটি টাকায় উন্নীত হওয়াকে বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ব্রোকারদের প্রত্যাশা—বিএসইসিকে ঢেলে সাজানো, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিকে বাজারে আনা এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। তাদের মতে, প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে সংস্কারের স্পষ্ট বার্তা না এলে সাম্প্রতিক চাঙাভাব স্থায়ী হবে না।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই শেয়ারবাজার সংস্কারে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রোকারেজ কমিউনিটির নেতারা। তারা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত এখন সময়ের দাবি।
ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-এর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, নতুন সরকার তাদের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী শেয়ারবাজার উন্নয়নে প্রথম ১০০ দিনে কী ধরনের সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন তারা। তার মতে, বর্তমানে অর্থনীতি ও পুঁজিবাজার-উভয়ই নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি দ্রুত কার্যকর রোডম্যাপ বাস্তবায়ন জরুরি।
একই সুরে কথা বলেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫-১৭ বছর ধরে বাজারে ব্যাপক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা চলেছে, যার ফলে বহু বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয়ের পরিবর্তে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে নীতিগত সমন্বয় জোরদার এবং স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে আইপিও বা নতুন শেয়ারের সরবরাহ প্রায় নেই বললেই চলে, ফলে তারল্য সংকট তীব্র হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। তবে নির্বাচনের আগে টানা দুই কার্যদিবসে ডিএসইএক্স সূচক ১৭০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩৯৯ পয়েন্টে পৌঁছানো এবং দৈনিক লেনদেন ৭৯০ কোটি টাকায় উন্নীত হওয়াকে বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ব্রোকারদের প্রত্যাশা—বিএসইসিকে ঢেলে সাজানো, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিকে বাজারে আনা এবং যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। তাদের মতে, প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে সংস্কারের স্পষ্ট বার্তা না এলে সাম্প্রতিক চাঙাভাব স্থায়ী হবে না।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!