
জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও এলএনজি খাতে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপরও চাপ সৃষ্টি হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এর ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তিনি জানান, এই অতিরিক্ত ভর্তুকির কারণে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাড়তি আমদানি ব্যয় হবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ ফেলবে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে কিছু সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস বিকেল ৪টায় বন্ধ করা, ডেলাইট ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, এবং মার্কেট-সুপারমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখা। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ ও পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অস্থিরতার বাইরে নয়। তবে জনগণের কথা বিবেচনায় রেখে আপাতত জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে আগের মূল্য বহাল রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কেবল প্রবৃদ্ধি নয়, বরং একটি টেকসই, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা।
অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হবে এবং জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবে।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকার লাগামহীন দুর্নীতি করে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।
‘বিএনপি সরকার দায়িত্বগ্রহণের ১০ দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল এবং এলএনজির দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। তারপরেও জনগণের কথা মাথায় রেখে ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি।’
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রস্তুত।

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও এলএনজি খাতে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপরও চাপ সৃষ্টি হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এর ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তিনি জানান, এই অতিরিক্ত ভর্তুকির কারণে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাড়তি আমদানি ব্যয় হবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ ফেলবে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে কিছু সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস বিকেল ৪টায় বন্ধ করা, ডেলাইট ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, এবং মার্কেট-সুপারমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখা। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ ও পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অস্থিরতার বাইরে নয়। তবে জনগণের কথা বিবেচনায় রেখে আপাতত জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে আগের মূল্য বহাল রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কেবল প্রবৃদ্ধি নয়, বরং একটি টেকসই, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা।
অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হবে এবং জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবে।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকার লাগামহীন দুর্নীতি করে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।
‘বিএনপি সরকার দায়িত্বগ্রহণের ১০ দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল এবং এলএনজির দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। তারপরেও জনগণের কথা মাথায় রেখে ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি।’
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রস্তুত।

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও এলএনজি খাতে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপরও চাপ সৃষ্টি হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এর ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তিনি জানান, এই অতিরিক্ত ভর্তুকির কারণে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাড়তি আমদানি ব্যয় হবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ ফেলবে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে কিছু সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস বিকেল ৪টায় বন্ধ করা, ডেলাইট ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, এবং মার্কেট-সুপারমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখা। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ ও পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অস্থিরতার বাইরে নয়। তবে জনগণের কথা বিবেচনায় রেখে আপাতত জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে আগের মূল্য বহাল রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কেবল প্রবৃদ্ধি নয়, বরং একটি টেকসই, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা।
অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হবে এবং জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবে।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকার লাগামহীন দুর্নীতি করে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।
‘বিএনপি সরকার দায়িত্বগ্রহণের ১০ দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল এবং এলএনজির দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। তারপরেও জনগণের কথা মাথায় রেখে ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি।’
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রস্তুত।

জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও এলএনজি খাতে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। এতে বাজেট ঘাটতি বাড়ার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপরও চাপ সৃষ্টি হবে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। এর ফলে সরকারকে অতিরিক্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। তিনি জানান, এই অতিরিক্ত ভর্তুকির কারণে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাড়তি আমদানি ব্যয় হবে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ ফেলবে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে কিছু সাশ্রয়মূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস বিকেল ৪টায় বন্ধ করা, ডেলাইট ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয়, এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, এবং মার্কেট-সুপারমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখা। পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ ও পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আমদানিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অস্থিরতার বাইরে নয়। তবে জনগণের কথা বিবেচনায় রেখে আপাতত জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে আগের মূল্য বহাল রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য কেবল প্রবৃদ্ধি নয়, বরং একটি টেকসই, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা।
অর্থমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও সরকার অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হবে এবং জনগণের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবে।
তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকার লাগামহীন দুর্নীতি করে অর্থনীতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। টাকার মান প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে আমদানি ব্যয় বেড়ে মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করেছে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।
‘বিএনপি সরকার দায়িত্বগ্রহণের ১০ দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল এবং এলএনজির দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। তারপরেও জনগণের কথা মাথায় রেখে ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি।’
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীতকরণের কাজ চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকার প্রস্তুত।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!