পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং মহাসড়কে যানজট কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এবার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদুল ফিতরে একসঙ্গে গার্মেন্টস ছুটি ঘোষণার কারণে মহাসড়কে অতিরিক্ত জনচাপ তৈরি হয়েছিল। এতে যানজট ও যাত্রী ভোগান্তি বেড়ে যায়। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ধাপে ধাপে ছুটি কার্যকর হলে ঘরমুখো যাত্রী ও পশুবাহী ট্রাকের চাপ সড়কে সুষমভাবে বণ্টন করা সম্ভব হবে। এতে মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হবে বলে আশা করছে সরকার।
সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকার আগেভাগেই নানা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পশুবাহী যানবাহনের চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবার ৬৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে রাস্তার মাঝখান থেকে যাত্রী উঠলে ভাড়া তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তারপরও ঈদযাত্রা নিরাপদ-নির্বিঘ্ন করতে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
ফেরি পারাপার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব প্যাসেঞ্জার নামিয়ে বাস ফেরিতে উঠবে। বাস ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে, যাত্রী না নামিয়ে ব্যারিকেড পার হতে পারবে না।
এ সময় সদরঘাটে বোট-স্পিডবোট থেকে কেউ লঞ্চে উঠতে পারবে না বলেও জানান তিনি।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং মহাসড়কে যানজট কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এবার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদুল ফিতরে একসঙ্গে গার্মেন্টস ছুটি ঘোষণার কারণে মহাসড়কে অতিরিক্ত জনচাপ তৈরি হয়েছিল। এতে যানজট ও যাত্রী ভোগান্তি বেড়ে যায়। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ধাপে ধাপে ছুটি কার্যকর হলে ঘরমুখো যাত্রী ও পশুবাহী ট্রাকের চাপ সড়কে সুষমভাবে বণ্টন করা সম্ভব হবে। এতে মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হবে বলে আশা করছে সরকার।
সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকার আগেভাগেই নানা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পশুবাহী যানবাহনের চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবার ৬৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে রাস্তার মাঝখান থেকে যাত্রী উঠলে ভাড়া তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তারপরও ঈদযাত্রা নিরাপদ-নির্বিঘ্ন করতে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
ফেরি পারাপার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব প্যাসেঞ্জার নামিয়ে বাস ফেরিতে উঠবে। বাস ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে, যাত্রী না নামিয়ে ব্যারিকেড পার হতে পারবে না।
এ সময় সদরঘাটে বোট-স্পিডবোট থেকে কেউ লঞ্চে উঠতে পারবে না বলেও জানান তিনি।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং মহাসড়কে যানজট কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এবার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদুল ফিতরে একসঙ্গে গার্মেন্টস ছুটি ঘোষণার কারণে মহাসড়কে অতিরিক্ত জনচাপ তৈরি হয়েছিল। এতে যানজট ও যাত্রী ভোগান্তি বেড়ে যায়। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ধাপে ধাপে ছুটি কার্যকর হলে ঘরমুখো যাত্রী ও পশুবাহী ট্রাকের চাপ সড়কে সুষমভাবে বণ্টন করা সম্ভব হবে। এতে মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হবে বলে আশা করছে সরকার।
সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকার আগেভাগেই নানা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পশুবাহী যানবাহনের চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবার ৬৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে রাস্তার মাঝখান থেকে যাত্রী উঠলে ভাড়া তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তারপরও ঈদযাত্রা নিরাপদ-নির্বিঘ্ন করতে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
ফেরি পারাপার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব প্যাসেঞ্জার নামিয়ে বাস ফেরিতে উঠবে। বাস ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে, যাত্রী না নামিয়ে ব্যারিকেড পার হতে পারবে না।
এ সময় সদরঘাটে বোট-স্পিডবোট থেকে কেউ লঞ্চে উঠতে পারবে না বলেও জানান তিনি।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং মহাসড়কে যানজট কমাতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এবার তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী বলেন, গত ঈদুল ফিতরে একসঙ্গে গার্মেন্টস ছুটি ঘোষণার কারণে মহাসড়কে অতিরিক্ত জনচাপ তৈরি হয়েছিল। এতে যানজট ও যাত্রী ভোগান্তি বেড়ে যায়। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ধাপে ধাপে ছুটি কার্যকর হলে ঘরমুখো যাত্রী ও পশুবাহী ট্রাকের চাপ সড়কে সুষমভাবে বণ্টন করা সম্ভব হবে। এতে মহাসড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজ হবে বলে আশা করছে সরকার।
সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সরকার আগেভাগেই নানা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে মহাসড়কে যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পশুবাহী যানবাহনের চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবার ৬৯টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে রাস্তার মাঝখান থেকে যাত্রী উঠলে ভাড়া তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। তারপরও ঈদযাত্রা নিরাপদ-নির্বিঘ্ন করতে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে।
ফেরি পারাপার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব প্যাসেঞ্জার নামিয়ে বাস ফেরিতে উঠবে। বাস ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড তৈরি করা হবে, যাত্রী না নামিয়ে ব্যারিকেড পার হতে পারবে না।
এ সময় সদরঘাটে বোট-স্পিডবোট থেকে কেউ লঞ্চে উঠতে পারবে না বলেও জানান তিনি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!