-1769854894447-505084457.jpg&w=1920&q=75)
কুমড়োর বীজ ছোট, মুচমুচে এবং একসঙ্গে অনেক খেলেও অরুচি হয় না, যার ফলে ইচ্ছার চেয়ে বেশি খাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর এই বীজ পরিমিত পরিমাণে খেলে বেশ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিকর খাবারের মতো কুমড়ার বীজও একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেললে আমাদের শরীর অস্বস্তি বোধ করতে পারে। অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খাওয়ার ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কুমড়ার বীজ বেশি খেলে কী হয়-
১. পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হতে পারে
কুমড়ার বীজে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হজমে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত ফাইবার অন্ত্রকে চাপে ফেলতে পারে, যার ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটে চাপ তৈরি হয়। জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণকারীদের পেট ফাঁপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ফাইবার অন্ত্রে গাঁজন বৃদ্ধি করে এবং উপজাত হিসেবে গ্যাস তৈরি করে।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হতে পারে
কুমড়ার বীজ অতিরিক্ত খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ ব্যাহত হতে পারে কারণ এতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার থাকে। অত্যধিক অদ্রবণীয় ফাইবার অপাচ্য পদার্থকে খুব দ্রুত অন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঠেলে দিতে পারে, যার ফলে আলগা মল তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে একই ফাইবার বর্জ্য পদার্থকে শক্ত করে কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
৩. পেটে ক্র্যাম্প এবং বদহজম
কুমড়ার বীজের একটি শক্ত বাইরের স্তর থাকে এবং এতে চর্বি থাকে যা পেট ভেঙে ফেলতে বেশি সময় নেয়। একবারে অনেক বেশি খাওয়ার ফলে পেটে ক্র্যাম্প, ভারী হওয়া বা বদহজম হতে পারে। কুমড়ার বীজ উষ্ণ প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রের লোকেদের অ্যাসিডিটি বা বদহজম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪. বেশি ক্যালোরি গ্রহণ
কুমড়ার বীজ পুষ্টিকর কিন্তু এতে ক্যালোরিও বেশি থাকে। এক কাপ ভাজা কুমড়ার বীজে প্রায় ২৮৫ ক্যালোরি থাকে, যা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। যদি অতিরিক্ত খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে এই লুকানো ক্যালোরিগুলো ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে।
৫. সোডিয়াম গ্রহণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে
অনেক প্যাকেজ করা কুমড়ার বীজ প্রচুর লবণাক্ত থাকে, যা অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চ সোডিয়াম গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের ফলে পানি ধরে রাখা, পেটফাঁপা এবং তৃষ্ণার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
-1769854894447-505084457.jpg&w=1920&q=75)
কুমড়োর বীজ ছোট, মুচমুচে এবং একসঙ্গে অনেক খেলেও অরুচি হয় না, যার ফলে ইচ্ছার চেয়ে বেশি খাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর এই বীজ পরিমিত পরিমাণে খেলে বেশ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিকর খাবারের মতো কুমড়ার বীজও একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেললে আমাদের শরীর অস্বস্তি বোধ করতে পারে। অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খাওয়ার ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কুমড়ার বীজ বেশি খেলে কী হয়-
১. পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হতে পারে
কুমড়ার বীজে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হজমে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত ফাইবার অন্ত্রকে চাপে ফেলতে পারে, যার ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটে চাপ তৈরি হয়। জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণকারীদের পেট ফাঁপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ফাইবার অন্ত্রে গাঁজন বৃদ্ধি করে এবং উপজাত হিসেবে গ্যাস তৈরি করে।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হতে পারে
কুমড়ার বীজ অতিরিক্ত খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ ব্যাহত হতে পারে কারণ এতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার থাকে। অত্যধিক অদ্রবণীয় ফাইবার অপাচ্য পদার্থকে খুব দ্রুত অন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঠেলে দিতে পারে, যার ফলে আলগা মল তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে একই ফাইবার বর্জ্য পদার্থকে শক্ত করে কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
৩. পেটে ক্র্যাম্প এবং বদহজম
কুমড়ার বীজের একটি শক্ত বাইরের স্তর থাকে এবং এতে চর্বি থাকে যা পেট ভেঙে ফেলতে বেশি সময় নেয়। একবারে অনেক বেশি খাওয়ার ফলে পেটে ক্র্যাম্প, ভারী হওয়া বা বদহজম হতে পারে। কুমড়ার বীজ উষ্ণ প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রের লোকেদের অ্যাসিডিটি বা বদহজম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪. বেশি ক্যালোরি গ্রহণ
কুমড়ার বীজ পুষ্টিকর কিন্তু এতে ক্যালোরিও বেশি থাকে। এক কাপ ভাজা কুমড়ার বীজে প্রায় ২৮৫ ক্যালোরি থাকে, যা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। যদি অতিরিক্ত খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে এই লুকানো ক্যালোরিগুলো ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে।
৫. সোডিয়াম গ্রহণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে
অনেক প্যাকেজ করা কুমড়ার বীজ প্রচুর লবণাক্ত থাকে, যা অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চ সোডিয়াম গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের ফলে পানি ধরে রাখা, পেটফাঁপা এবং তৃষ্ণার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
-1769854894447-505084457.jpg&w=1920&q=75)
কুমড়োর বীজ ছোট, মুচমুচে এবং একসঙ্গে অনেক খেলেও অরুচি হয় না, যার ফলে ইচ্ছার চেয়ে বেশি খাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর এই বীজ পরিমিত পরিমাণে খেলে বেশ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিকর খাবারের মতো কুমড়ার বীজও একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেললে আমাদের শরীর অস্বস্তি বোধ করতে পারে। অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খাওয়ার ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কুমড়ার বীজ বেশি খেলে কী হয়-
১. পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হতে পারে
কুমড়ার বীজে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হজমে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত ফাইবার অন্ত্রকে চাপে ফেলতে পারে, যার ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটে চাপ তৈরি হয়। জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণকারীদের পেট ফাঁপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ফাইবার অন্ত্রে গাঁজন বৃদ্ধি করে এবং উপজাত হিসেবে গ্যাস তৈরি করে।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হতে পারে
কুমড়ার বীজ অতিরিক্ত খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ ব্যাহত হতে পারে কারণ এতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার থাকে। অত্যধিক অদ্রবণীয় ফাইবার অপাচ্য পদার্থকে খুব দ্রুত অন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঠেলে দিতে পারে, যার ফলে আলগা মল তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে একই ফাইবার বর্জ্য পদার্থকে শক্ত করে কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
৩. পেটে ক্র্যাম্প এবং বদহজম
কুমড়ার বীজের একটি শক্ত বাইরের স্তর থাকে এবং এতে চর্বি থাকে যা পেট ভেঙে ফেলতে বেশি সময় নেয়। একবারে অনেক বেশি খাওয়ার ফলে পেটে ক্র্যাম্প, ভারী হওয়া বা বদহজম হতে পারে। কুমড়ার বীজ উষ্ণ প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রের লোকেদের অ্যাসিডিটি বা বদহজম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪. বেশি ক্যালোরি গ্রহণ
কুমড়ার বীজ পুষ্টিকর কিন্তু এতে ক্যালোরিও বেশি থাকে। এক কাপ ভাজা কুমড়ার বীজে প্রায় ২৮৫ ক্যালোরি থাকে, যা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। যদি অতিরিক্ত খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে এই লুকানো ক্যালোরিগুলো ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে।
৫. সোডিয়াম গ্রহণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে
অনেক প্যাকেজ করা কুমড়ার বীজ প্রচুর লবণাক্ত থাকে, যা অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চ সোডিয়াম গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের ফলে পানি ধরে রাখা, পেটফাঁপা এবং তৃষ্ণার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
-1769854894447-505084457.jpg&w=1920&q=75)
কুমড়োর বীজ ছোট, মুচমুচে এবং একসঙ্গে অনেক খেলেও অরুচি হয় না, যার ফলে ইচ্ছার চেয়ে বেশি খাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর এই বীজ পরিমিত পরিমাণে খেলে বেশ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিকর খাবারের মতো কুমড়ার বীজও একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেললে আমাদের শরীর অস্বস্তি বোধ করতে পারে। অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খাওয়ার ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কুমড়ার বীজ বেশি খেলে কী হয়-
১. পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হতে পারে
কুমড়ার বীজে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হজমে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত ফাইবার অন্ত্রকে চাপে ফেলতে পারে, যার ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটে চাপ তৈরি হয়। জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণকারীদের পেট ফাঁপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ফাইবার অন্ত্রে গাঁজন বৃদ্ধি করে এবং উপজাত হিসেবে গ্যাস তৈরি করে।
২. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হতে পারে
কুমড়ার বীজ অতিরিক্ত খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ ব্যাহত হতে পারে কারণ এতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার থাকে। অত্যধিক অদ্রবণীয় ফাইবার অপাচ্য পদার্থকে খুব দ্রুত অন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঠেলে দিতে পারে, যার ফলে আলগা মল তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে একই ফাইবার বর্জ্য পদার্থকে শক্ত করে কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
৩. পেটে ক্র্যাম্প এবং বদহজম
কুমড়ার বীজের একটি শক্ত বাইরের স্তর থাকে এবং এতে চর্বি থাকে যা পেট ভেঙে ফেলতে বেশি সময় নেয়। একবারে অনেক বেশি খাওয়ার ফলে পেটে ক্র্যাম্প, ভারী হওয়া বা বদহজম হতে পারে। কুমড়ার বীজ উষ্ণ প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রের লোকেদের অ্যাসিডিটি বা বদহজম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪. বেশি ক্যালোরি গ্রহণ
কুমড়ার বীজ পুষ্টিকর কিন্তু এতে ক্যালোরিও বেশি থাকে। এক কাপ ভাজা কুমড়ার বীজে প্রায় ২৮৫ ক্যালোরি থাকে, যা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। যদি অতিরিক্ত খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে এই লুকানো ক্যালোরিগুলো ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে।
৫. সোডিয়াম গ্রহণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে
অনেক প্যাকেজ করা কুমড়ার বীজ প্রচুর লবণাক্ত থাকে, যা অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চ সোডিয়াম গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের ফলে পানি ধরে রাখা, পেটফাঁপা এবং তৃষ্ণার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!