
একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এশিয়ার দেশগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক শরীফ জামিল। ২৭ এপ্রিল ২০২৬ কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় মাগদালিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “People’s Summit for a Fossil Free Future”-এর প্ল্যানারি অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট (APMDD)-এর প্রতিনিধি হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করে কলম্বিয়া ও নেদারল্যান্ড।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রূপান্তর হবে কি না এখন সে প্রশ্ন নয়; বরং প্রশ্ন হলো, আমাদের টিকে থাকার সময়সীমা ফুরিয়ে যাওয়ার আগে কত দ্রুত এই রূপান্তর সম্ভব। এশিয়ার জন্য এটি কেবল একটি কূটনৈতিক ইস্যু নয়, বরং বেঁচে থাকার দ্বিমুখী সংগ্রাম। একদিকে জলবায়ু সংকটের তীব্র প্রভাব, অন্যদিকে বারবার ব্যর্থ প্রমাণিত অস্থির জ্বালানি ব্যবস্থার পতন, এই দুইয়ের মাঝে এশিয়ার অঞ্চলটি আটকে রয়েছে।

সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে, বিশেষ করে হরমুজ প্রনালী অবরোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিকে “নির্ভরযোগ্য” শক্তির উৎস হিসেবে যে ধারণা ছিল তা ভেঙে পড়েছে। তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এখন শুধু অর্থনৈতিক উদ্বেগ নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই বহুমাত্রিক সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এশিয়া এখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। তবে তিনি কয়লায় ফিরে যাওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, এটি কেবল জলবায়ু বিপর্যয় যেমন সুপার টাইফুন, প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ বন্যা আরও তীব্র করে তুলবে। এক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আরেকটিতে সরে যাওয়া কোনো সমাধান নয়; বরং এটি একটি ঝুঁকির পরিবর্তে আরেকটি ঝুঁকি তৈরি করে। প্রকৃত জ্বালানি নিরাপত্তা নিহিত রয়েছে দেশীয়, নবায়নযোগ্য ও বিকেন্দ্রীভূত জ্বালানি ব্যবস্থায়, যা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও স্থিতিশীল থাকতে পারে।
-1777538661731-282095010.jpeg)
এশিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেনঃ • ২০২৫ সালে বৈশ্বিক নতুন নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতার প্রায় ৭৫% এসেছে এশিয়া থেকে। • দক্ষিণ এশিয়ায় সৌরশক্তির বিস্তারের ফলে পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ২০১৮ সাল থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় করেছে। • নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার যথাক্রমে ৭০% ও ৬৪%-এ পৌঁছেছে। • বাংলাদেশে জাতীয় উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের জন্য নির্ধারিত ২০% জ্বালানি দক্ষতার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জিত হয়েছে; ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।
তিনি সর্বশেষে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসা শুধু পরিবেশগত প্রয়োজন নয়, বরং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার একটি কৌশলগত পথ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট একটি “নতুন বাস্তবতা” তৈরি করেছে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির যুগের অবসানের সূচনা নির্দেশ করে। এশিয়ার দেশগুলো এখন পরিকল্পিত, ন্যায্য এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নসমৃদ্ধ উপায়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ধাপে ধাপে অবসানের আহ্বান জানাচ্ছে।
এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে হবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ওপর- যা আসবে ঘরের ছাদ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে, কয়লা, তেল বা গ্যাস থেকে নয়। এশিয়ার জন্য “ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর” শুধু একটি জলবায়ু লক্ষ্য নয়; এটি টিকে থাকা, স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির দূষণ ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার বোঝা থেকে মুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার একমাত্র কার্যকর পথ। পিপলস সামিটের প্লেনারি অধিবেশনে জলবায়ু ন্যায্যতা আন্দোলনের বৈশ্বিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন কলম্বিয়া সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী লুজ ড্যারি কারমোনা; এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি)-এর সমন্বয়ক লিডি ন্যাকপিল; ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্যান) ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক তাসনিম এসপ এবং পিপলস সামিট ফর এ ফসিল ফ্রি ফিউচারের সহ-আহ্বায়ক আমারিলিস নাভারো।

একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এশিয়ার দেশগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক শরীফ জামিল। ২৭ এপ্রিল ২০২৬ কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় মাগদালিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “People’s Summit for a Fossil Free Future”-এর প্ল্যানারি অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট (APMDD)-এর প্রতিনিধি হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করে কলম্বিয়া ও নেদারল্যান্ড।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রূপান্তর হবে কি না এখন সে প্রশ্ন নয়; বরং প্রশ্ন হলো, আমাদের টিকে থাকার সময়সীমা ফুরিয়ে যাওয়ার আগে কত দ্রুত এই রূপান্তর সম্ভব। এশিয়ার জন্য এটি কেবল একটি কূটনৈতিক ইস্যু নয়, বরং বেঁচে থাকার দ্বিমুখী সংগ্রাম। একদিকে জলবায়ু সংকটের তীব্র প্রভাব, অন্যদিকে বারবার ব্যর্থ প্রমাণিত অস্থির জ্বালানি ব্যবস্থার পতন, এই দুইয়ের মাঝে এশিয়ার অঞ্চলটি আটকে রয়েছে।

সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে, বিশেষ করে হরমুজ প্রনালী অবরোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিকে “নির্ভরযোগ্য” শক্তির উৎস হিসেবে যে ধারণা ছিল তা ভেঙে পড়েছে। তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এখন শুধু অর্থনৈতিক উদ্বেগ নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই বহুমাত্রিক সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এশিয়া এখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। তবে তিনি কয়লায় ফিরে যাওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, এটি কেবল জলবায়ু বিপর্যয় যেমন সুপার টাইফুন, প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ বন্যা আরও তীব্র করে তুলবে। এক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আরেকটিতে সরে যাওয়া কোনো সমাধান নয়; বরং এটি একটি ঝুঁকির পরিবর্তে আরেকটি ঝুঁকি তৈরি করে। প্রকৃত জ্বালানি নিরাপত্তা নিহিত রয়েছে দেশীয়, নবায়নযোগ্য ও বিকেন্দ্রীভূত জ্বালানি ব্যবস্থায়, যা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও স্থিতিশীল থাকতে পারে।
-1777538661731-282095010.jpeg)
এশিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেনঃ • ২০২৫ সালে বৈশ্বিক নতুন নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতার প্রায় ৭৫% এসেছে এশিয়া থেকে। • দক্ষিণ এশিয়ায় সৌরশক্তির বিস্তারের ফলে পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ২০১৮ সাল থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় করেছে। • নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার যথাক্রমে ৭০% ও ৬৪%-এ পৌঁছেছে। • বাংলাদেশে জাতীয় উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের জন্য নির্ধারিত ২০% জ্বালানি দক্ষতার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জিত হয়েছে; ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।
তিনি সর্বশেষে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসা শুধু পরিবেশগত প্রয়োজন নয়, বরং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার একটি কৌশলগত পথ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট একটি “নতুন বাস্তবতা” তৈরি করেছে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির যুগের অবসানের সূচনা নির্দেশ করে। এশিয়ার দেশগুলো এখন পরিকল্পিত, ন্যায্য এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নসমৃদ্ধ উপায়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ধাপে ধাপে অবসানের আহ্বান জানাচ্ছে।
এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে হবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ওপর- যা আসবে ঘরের ছাদ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে, কয়লা, তেল বা গ্যাস থেকে নয়। এশিয়ার জন্য “ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর” শুধু একটি জলবায়ু লক্ষ্য নয়; এটি টিকে থাকা, স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির দূষণ ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার বোঝা থেকে মুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার একমাত্র কার্যকর পথ। পিপলস সামিটের প্লেনারি অধিবেশনে জলবায়ু ন্যায্যতা আন্দোলনের বৈশ্বিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন কলম্বিয়া সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী লুজ ড্যারি কারমোনা; এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি)-এর সমন্বয়ক লিডি ন্যাকপিল; ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্যান) ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক তাসনিম এসপ এবং পিপলস সামিট ফর এ ফসিল ফ্রি ফিউচারের সহ-আহ্বায়ক আমারিলিস নাভারো।

একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এশিয়ার দেশগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক শরীফ জামিল। ২৭ এপ্রিল ২০২৬ কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় মাগদালিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “People’s Summit for a Fossil Free Future”-এর প্ল্যানারি অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট (APMDD)-এর প্রতিনিধি হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করে কলম্বিয়া ও নেদারল্যান্ড।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রূপান্তর হবে কি না এখন সে প্রশ্ন নয়; বরং প্রশ্ন হলো, আমাদের টিকে থাকার সময়সীমা ফুরিয়ে যাওয়ার আগে কত দ্রুত এই রূপান্তর সম্ভব। এশিয়ার জন্য এটি কেবল একটি কূটনৈতিক ইস্যু নয়, বরং বেঁচে থাকার দ্বিমুখী সংগ্রাম। একদিকে জলবায়ু সংকটের তীব্র প্রভাব, অন্যদিকে বারবার ব্যর্থ প্রমাণিত অস্থির জ্বালানি ব্যবস্থার পতন, এই দুইয়ের মাঝে এশিয়ার অঞ্চলটি আটকে রয়েছে।

সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে, বিশেষ করে হরমুজ প্রনালী অবরোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিকে “নির্ভরযোগ্য” শক্তির উৎস হিসেবে যে ধারণা ছিল তা ভেঙে পড়েছে। তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এখন শুধু অর্থনৈতিক উদ্বেগ নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই বহুমাত্রিক সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এশিয়া এখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। তবে তিনি কয়লায় ফিরে যাওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, এটি কেবল জলবায়ু বিপর্যয় যেমন সুপার টাইফুন, প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ বন্যা আরও তীব্র করে তুলবে। এক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আরেকটিতে সরে যাওয়া কোনো সমাধান নয়; বরং এটি একটি ঝুঁকির পরিবর্তে আরেকটি ঝুঁকি তৈরি করে। প্রকৃত জ্বালানি নিরাপত্তা নিহিত রয়েছে দেশীয়, নবায়নযোগ্য ও বিকেন্দ্রীভূত জ্বালানি ব্যবস্থায়, যা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও স্থিতিশীল থাকতে পারে।
-1777538661731-282095010.jpeg)
এশিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেনঃ • ২০২৫ সালে বৈশ্বিক নতুন নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতার প্রায় ৭৫% এসেছে এশিয়া থেকে। • দক্ষিণ এশিয়ায় সৌরশক্তির বিস্তারের ফলে পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ২০১৮ সাল থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় করেছে। • নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার যথাক্রমে ৭০% ও ৬৪%-এ পৌঁছেছে। • বাংলাদেশে জাতীয় উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের জন্য নির্ধারিত ২০% জ্বালানি দক্ষতার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জিত হয়েছে; ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।
তিনি সর্বশেষে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসা শুধু পরিবেশগত প্রয়োজন নয়, বরং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার একটি কৌশলগত পথ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট একটি “নতুন বাস্তবতা” তৈরি করেছে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির যুগের অবসানের সূচনা নির্দেশ করে। এশিয়ার দেশগুলো এখন পরিকল্পিত, ন্যায্য এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নসমৃদ্ধ উপায়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ধাপে ধাপে অবসানের আহ্বান জানাচ্ছে।
এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে হবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ওপর- যা আসবে ঘরের ছাদ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে, কয়লা, তেল বা গ্যাস থেকে নয়। এশিয়ার জন্য “ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর” শুধু একটি জলবায়ু লক্ষ্য নয়; এটি টিকে থাকা, স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির দূষণ ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার বোঝা থেকে মুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার একমাত্র কার্যকর পথ। পিপলস সামিটের প্লেনারি অধিবেশনে জলবায়ু ন্যায্যতা আন্দোলনের বৈশ্বিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন কলম্বিয়া সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী লুজ ড্যারি কারমোনা; এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি)-এর সমন্বয়ক লিডি ন্যাকপিল; ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্যান) ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক তাসনিম এসপ এবং পিপলস সামিট ফর এ ফসিল ফ্রি ফিউচারের সহ-আহ্বায়ক আমারিলিস নাভারো।

একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এশিয়ার দেশগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক শরীফ জামিল। ২৭ এপ্রিল ২০২৬ কলম্বিয়ার সান্তা মার্তায় মাগদালিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত “People’s Summit for a Fossil Free Future”-এর প্ল্যানারি অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট এন্ড ডেভেলপমেন্ট (APMDD)-এর প্রতিনিধি হিসেবে এ সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনটি যৌথভাবে আয়োজন করে কলম্বিয়া ও নেদারল্যান্ড।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, রূপান্তর হবে কি না এখন সে প্রশ্ন নয়; বরং প্রশ্ন হলো, আমাদের টিকে থাকার সময়সীমা ফুরিয়ে যাওয়ার আগে কত দ্রুত এই রূপান্তর সম্ভব। এশিয়ার জন্য এটি কেবল একটি কূটনৈতিক ইস্যু নয়, বরং বেঁচে থাকার দ্বিমুখী সংগ্রাম। একদিকে জলবায়ু সংকটের তীব্র প্রভাব, অন্যদিকে বারবার ব্যর্থ প্রমাণিত অস্থির জ্বালানি ব্যবস্থার পতন, এই দুইয়ের মাঝে এশিয়ার অঞ্চলটি আটকে রয়েছে।

সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গ টেনে, বিশেষ করে হরমুজ প্রনালী অবরোধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিকে “নির্ভরযোগ্য” শক্তির উৎস হিসেবে যে ধারণা ছিল তা ভেঙে পড়েছে। তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি এখন শুধু অর্থনৈতিক উদ্বেগ নয়, বরং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই বহুমাত্রিক সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এশিয়া এখন জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। তবে তিনি কয়লায় ফিরে যাওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, এটি কেবল জলবায়ু বিপর্যয় যেমন সুপার টাইফুন, প্রাণঘাতী তাপপ্রবাহ এবং ভয়াবহ বন্যা আরও তীব্র করে তুলবে। এক জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে আরেকটিতে সরে যাওয়া কোনো সমাধান নয়; বরং এটি একটি ঝুঁকির পরিবর্তে আরেকটি ঝুঁকি তৈরি করে। প্রকৃত জ্বালানি নিরাপত্তা নিহিত রয়েছে দেশীয়, নবায়নযোগ্য ও বিকেন্দ্রীভূত জ্বালানি ব্যবস্থায়, যা ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেও স্থিতিশীল থাকতে পারে।
-1777538661731-282095010.jpeg)
এশিয়ার অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেনঃ • ২০২৫ সালে বৈশ্বিক নতুন নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতার প্রায় ৭৫% এসেছে এশিয়া থেকে। • দক্ষিণ এশিয়ায় সৌরশক্তির বিস্তারের ফলে পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ২০১৮ সাল থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় করেছে। • নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার যথাক্রমে ৭০% ও ৬৪%-এ পৌঁছেছে। • বাংলাদেশে জাতীয় উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের জন্য নির্ধারিত ২০% জ্বালানি দক্ষতার লক্ষ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জিত হয়েছে; ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে।
তিনি সর্বশেষে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসা শুধু পরিবেশগত প্রয়োজন নয়, বরং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার একটি কৌশলগত পথ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট একটি “নতুন বাস্তবতা” তৈরি করেছে, যা জীবাশ্ম জ্বালানির যুগের অবসানের সূচনা নির্দেশ করে। এশিয়ার দেশগুলো এখন পরিকল্পিত, ন্যায্য এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নসমৃদ্ধ উপায়ে জীবাশ্ম জ্বালানির ধাপে ধাপে অবসানের আহ্বান জানাচ্ছে।
এ অঞ্চলের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে হবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ওপর- যা আসবে ঘরের ছাদ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে, কয়লা, তেল বা গ্যাস থেকে নয়। এশিয়ার জন্য “ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর” শুধু একটি জলবায়ু লক্ষ্য নয়; এটি টিকে থাকা, স্থিতিশীলতা, টেকসই উন্নয়ন এবং জীবাশ্ম জ্বালানির দূষণ ও অর্থনৈতিক নির্ভরতার বোঝা থেকে মুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার একমাত্র কার্যকর পথ। পিপলস সামিটের প্লেনারি অধিবেশনে জলবায়ু ন্যায্যতা আন্দোলনের বৈশ্বিক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন কলম্বিয়া সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী লুজ ড্যারি কারমোনা; এশিয়ান পিপলস মুভমেন্ট অন ডেট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এপিএমডিডি)-এর সমন্বয়ক লিডি ন্যাকপিল; ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক (ক্যান) ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক তাসনিম এসপ এবং পিপলস সামিট ফর এ ফসিল ফ্রি ফিউচারের সহ-আহ্বায়ক আমারিলিস নাভারো।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!