সংগৃহীত ছবি
উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরে গভীর রাতে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বহিষ্কারের চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আতাউল্লাহ শাহকে গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সব পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
এর আগে গত ৫ জুলাই সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে হাজির করে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ আদালতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মিনি কক্সবাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের জন্য জড়ো হয়েছেন। পরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও আটক হন আতাউল্লাহ শাহ, শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদ।
এদিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার আতাউল্লাহ শাহসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় আটক অপর দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো
সংগৃহীত ছবি
উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরে গভীর রাতে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বহিষ্কারের চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আতাউল্লাহ শাহকে গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সব পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
এর আগে গত ৫ জুলাই সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে হাজির করে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ আদালতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মিনি কক্সবাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের জন্য জড়ো হয়েছেন। পরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও আটক হন আতাউল্লাহ শাহ, শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদ।
এদিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার আতাউল্লাহ শাহসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় আটক অপর দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো
সংগৃহীত ছবি
উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরে গভীর রাতে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বহিষ্কারের চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আতাউল্লাহ শাহকে গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সব পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
এর আগে গত ৫ জুলাই সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে হাজির করে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ আদালতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মিনি কক্সবাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের জন্য জড়ো হয়েছেন। পরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও আটক হন আতাউল্লাহ শাহ, শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদ।
এদিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার আতাউল্লাহ শাহসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় আটক অপর দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো
সংগৃহীত ছবি
উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর শাখার যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরে গভীর রাতে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বহিষ্কারের চিঠি প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আতাউল্লাহ শাহকে গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সব পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।
এর আগে গত ৫ জুলাই সকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের আদালতে হাজির করে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ আদালতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, মিনি কক্সবাজার এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তি উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের জন্য জড়ো হয়েছেন। পরে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও আটক হন আতাউল্লাহ শাহ, শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদ।
এদিকে তিন দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার আতাউল্লাহ শাহসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই ঘটনায় আটক অপর দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। সূত্র: প্রথম আলো
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!