
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে যানজটের সম্ভাব্য ৯৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদের আগে ও পরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঈদ প্রস্তুতি সংক্রান্ত সভার কার্যপত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে-ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৮টি এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১টি স্পট।
সোমবার (১১ মে) ঈদ প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদযাত্রায় গাজীপুর, আবদুল্লাহপুর, বাইপাইল ও চন্দ্রা এলাকা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। এসব এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অস্থায়ী কাউন্টার ও অনিয়মিত পরিবহন নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, এবার বৃষ্টিপাত ঈদযাত্রার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বৃষ্টি হলে যানজট বাড়ে, পুলিশের তৎপরতা ব্যাহত হয় এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে কোরবানির পশু পরিবহনের বাড়তি চাপও যুক্ত হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একই দিনে বাড়ি ফেরার চেষ্টায় সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি হয়েছিল। বিজিএমইএর সঙ্গে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও তা কার্যকর হয়নি। ফলে গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় এক দিনেই প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন। অনেক যাত্রী সরাসরি সড়কে নেমে যানবাহনে ওঠার চেষ্টা করায় তীব্র যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এবারও ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, মহাসড়কের পাশে বা ওপরে কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ফেরিতে বাস ওঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থার কথাও জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড বসানো হবে, যাতে ফেরি পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত কোনো যানবাহন এগোতে না পারে। ফেরির পন্টুনেও বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—২০ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে বিশেষ মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা। এ জন্য বিদ্যমান ১৯ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদের আগে ও পরে গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হবে। বিআরটিসি বিশেষ ঈদ সার্ভিস পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বাস প্রস্তুত রাখা হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ মহাসড়কে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ এবং চালকদের ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রেল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে যানজটের সম্ভাব্য ৯৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদের আগে ও পরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঈদ প্রস্তুতি সংক্রান্ত সভার কার্যপত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে-ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৮টি এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১টি স্পট।
সোমবার (১১ মে) ঈদ প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদযাত্রায় গাজীপুর, আবদুল্লাহপুর, বাইপাইল ও চন্দ্রা এলাকা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। এসব এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অস্থায়ী কাউন্টার ও অনিয়মিত পরিবহন নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, এবার বৃষ্টিপাত ঈদযাত্রার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বৃষ্টি হলে যানজট বাড়ে, পুলিশের তৎপরতা ব্যাহত হয় এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে কোরবানির পশু পরিবহনের বাড়তি চাপও যুক্ত হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একই দিনে বাড়ি ফেরার চেষ্টায় সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি হয়েছিল। বিজিএমইএর সঙ্গে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও তা কার্যকর হয়নি। ফলে গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় এক দিনেই প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন। অনেক যাত্রী সরাসরি সড়কে নেমে যানবাহনে ওঠার চেষ্টা করায় তীব্র যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এবারও ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, মহাসড়কের পাশে বা ওপরে কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ফেরিতে বাস ওঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থার কথাও জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড বসানো হবে, যাতে ফেরি পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত কোনো যানবাহন এগোতে না পারে। ফেরির পন্টুনেও বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—২০ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে বিশেষ মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা। এ জন্য বিদ্যমান ১৯ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদের আগে ও পরে গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হবে। বিআরটিসি বিশেষ ঈদ সার্ভিস পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বাস প্রস্তুত রাখা হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ মহাসড়কে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ এবং চালকদের ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রেল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে যানজটের সম্ভাব্য ৯৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদের আগে ও পরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঈদ প্রস্তুতি সংক্রান্ত সভার কার্যপত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে-ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৮টি এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১টি স্পট।
সোমবার (১১ মে) ঈদ প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদযাত্রায় গাজীপুর, আবদুল্লাহপুর, বাইপাইল ও চন্দ্রা এলাকা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। এসব এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অস্থায়ী কাউন্টার ও অনিয়মিত পরিবহন নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, এবার বৃষ্টিপাত ঈদযাত্রার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বৃষ্টি হলে যানজট বাড়ে, পুলিশের তৎপরতা ব্যাহত হয় এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে কোরবানির পশু পরিবহনের বাড়তি চাপও যুক্ত হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একই দিনে বাড়ি ফেরার চেষ্টায় সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি হয়েছিল। বিজিএমইএর সঙ্গে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও তা কার্যকর হয়নি। ফলে গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় এক দিনেই প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন। অনেক যাত্রী সরাসরি সড়কে নেমে যানবাহনে ওঠার চেষ্টা করায় তীব্র যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এবারও ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, মহাসড়কের পাশে বা ওপরে কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ফেরিতে বাস ওঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থার কথাও জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড বসানো হবে, যাতে ফেরি পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত কোনো যানবাহন এগোতে না পারে। ফেরির পন্টুনেও বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—২০ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে বিশেষ মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা। এ জন্য বিদ্যমান ১৯ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদের আগে ও পরে গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হবে। বিআরটিসি বিশেষ ঈদ সার্ভিস পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বাস প্রস্তুত রাখা হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ মহাসড়কে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ এবং চালকদের ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রেল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সারা দেশে যানজটের সম্ভাব্য ৯৪টি গুরুত্বপূর্ণ স্পট চিহ্নিত করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ঈদের আগে ও পরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ঈদ প্রস্তুতি সংক্রান্ত সভার কার্যপত্রে এ তথ্য উঠে এসেছে।
চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ স্পটগুলোর মধ্যে রয়েছে-ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-টাঙ্গাইল-রংপুর মহাসড়কে ২৫টি, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ৭টি, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ২১টি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ২৫টি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ৮টি এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে ১টি স্পট।
সোমবার (১১ মে) ঈদ প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ঈদযাত্রায় গাজীপুর, আবদুল্লাহপুর, বাইপাইল ও চন্দ্রা এলাকা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। এসব এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, অস্থায়ী কাউন্টার ও অনিয়মিত পরিবহন নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
তিনি বলেন, এবার বৃষ্টিপাত ঈদযাত্রার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বৃষ্টি হলে যানজট বাড়ে, পুলিশের তৎপরতা ব্যাহত হয় এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে কোরবানির পশু পরিবহনের বাড়তি চাপও যুক্ত হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, গত ঈদে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একই দিনে বাড়ি ফেরার চেষ্টায় সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি হয়েছিল। বিজিএমইএর সঙ্গে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও তা কার্যকর হয়নি। ফলে গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকায় এক দিনেই প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ মানুষ ঢাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন। অনেক যাত্রী সরাসরি সড়কে নেমে যানবাহনে ওঠার চেষ্টা করায় তীব্র যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। এবারও ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি জানান, মহাসড়কের পাশে বা ওপরে কোথাও পশুর হাট বসতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ফেরিতে বাস ওঠানোর ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থার কথাও জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ফেরিতে ওঠার আগে ব্যারিকেড বসানো হবে, যাতে ফেরি পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত কোনো যানবাহন এগোতে না পারে। ফেরির পন্টুনেও বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—২০ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিআরটিএ সদর কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে বিশেষ মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা। এ জন্য বিদ্যমান ১৯ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি আরও ৫০ জন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঈদের আগে ও পরে গুরুত্বপূর্ণ টোল প্লাজা ও যানজটপ্রবণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হবে। বিআরটিসি বিশেষ ঈদ সার্ভিস পরিচালনা করবে এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বাস প্রস্তুত রাখা হবে। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাপ্রবণ মহাসড়কে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ এবং চালকদের ডোপ টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে রেল এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!