
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকার আশুলিয়া ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ায় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে সাভারের পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শিল্প পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, সকালে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকায় শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে আশুলিয়া থানা-পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
অন্যদিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় নিউ এইজ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে কর্মবিরতি পালন করেন। পরে তারা বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে জড়ো হন। এ সময় নিট এশিয়া, আল-মুসলিম, টাউজার লাইন ও অনন্ত গার্মেন্টসসহ কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
পরে শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিক বলেন, তারা ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন। কিন্তু পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিচ্ছে। এ ছাড়া রোববার পুলিশ ওই কারখানার দুই শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। গ্রেপ্তার শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান ওই শ্রমিক।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, সকালে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। নিউ এইজ পোশাক কারখানার দুই শ্রমিককে রোববার পুলিশ আটক করেছে—এমন অভিযোগে ওই কারখানার শ্রমিকরা সোমবারও বিক্ষোভ করছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে আটকের ঘটনাকে নিন্দা জানান তিনি।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, সকালে পোশাক শ্রমিকরা নবীনগর-চন্দ্রা ও বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরে পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে রোববার নিউ এইজ পোশাক কারখানার একজন শ্রমিককে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, রোববার ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় সোমবার কতগুলো কারখানা চালু রয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি।
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলনের চতুর্থ দিনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজীপুরের কালিয়াকৈর। সোমবার সকাল থেকে সেখানে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।
এ অবস্থায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এক পাশে যানবাহন চলাচল করলেও অন্য পাশে অবরোধ সৃষ্টি করছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি থেকে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অবরোধের চেষ্টা চালান তারা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেন। পরে তারা যানবাহন ভাঙচুর শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
শিল্পাঞ্চলের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকাল থেকে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কে অবস্থান করছেন। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় গাজীপুরের সব কারখানা বন্ধ রয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা একবার ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পরে আবার মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ফিরে আসছেন। সকাল থেকেই এমন পরিস্থিতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকার আশুলিয়া ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ায় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে সাভারের পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শিল্প পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, সকালে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকায় শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে আশুলিয়া থানা-পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
অন্যদিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় নিউ এইজ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে কর্মবিরতি পালন করেন। পরে তারা বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে জড়ো হন। এ সময় নিট এশিয়া, আল-মুসলিম, টাউজার লাইন ও অনন্ত গার্মেন্টসসহ কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
পরে শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিক বলেন, তারা ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন। কিন্তু পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিচ্ছে। এ ছাড়া রোববার পুলিশ ওই কারখানার দুই শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। গ্রেপ্তার শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান ওই শ্রমিক।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, সকালে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। নিউ এইজ পোশাক কারখানার দুই শ্রমিককে রোববার পুলিশ আটক করেছে—এমন অভিযোগে ওই কারখানার শ্রমিকরা সোমবারও বিক্ষোভ করছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে আটকের ঘটনাকে নিন্দা জানান তিনি।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, সকালে পোশাক শ্রমিকরা নবীনগর-চন্দ্রা ও বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরে পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে রোববার নিউ এইজ পোশাক কারখানার একজন শ্রমিককে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, রোববার ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় সোমবার কতগুলো কারখানা চালু রয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি।
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলনের চতুর্থ দিনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজীপুরের কালিয়াকৈর। সোমবার সকাল থেকে সেখানে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।
এ অবস্থায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এক পাশে যানবাহন চলাচল করলেও অন্য পাশে অবরোধ সৃষ্টি করছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি থেকে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অবরোধের চেষ্টা চালান তারা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেন। পরে তারা যানবাহন ভাঙচুর শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
শিল্পাঞ্চলের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকাল থেকে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কে অবস্থান করছেন। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় গাজীপুরের সব কারখানা বন্ধ রয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা একবার ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পরে আবার মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ফিরে আসছেন। সকাল থেকেই এমন পরিস্থিতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকার আশুলিয়া ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ায় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে সাভারের পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শিল্প পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, সকালে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকায় শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে আশুলিয়া থানা-পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
অন্যদিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় নিউ এইজ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে কর্মবিরতি পালন করেন। পরে তারা বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে জড়ো হন। এ সময় নিট এশিয়া, আল-মুসলিম, টাউজার লাইন ও অনন্ত গার্মেন্টসসহ কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
পরে শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিক বলেন, তারা ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন। কিন্তু পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিচ্ছে। এ ছাড়া রোববার পুলিশ ওই কারখানার দুই শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। গ্রেপ্তার শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান ওই শ্রমিক।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, সকালে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। নিউ এইজ পোশাক কারখানার দুই শ্রমিককে রোববার পুলিশ আটক করেছে—এমন অভিযোগে ওই কারখানার শ্রমিকরা সোমবারও বিক্ষোভ করছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে আটকের ঘটনাকে নিন্দা জানান তিনি।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, সকালে পোশাক শ্রমিকরা নবীনগর-চন্দ্রা ও বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরে পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে রোববার নিউ এইজ পোশাক কারখানার একজন শ্রমিককে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, রোববার ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় সোমবার কতগুলো কারখানা চালু রয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি।
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলনের চতুর্থ দিনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজীপুরের কালিয়াকৈর। সোমবার সকাল থেকে সেখানে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।
এ অবস্থায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এক পাশে যানবাহন চলাচল করলেও অন্য পাশে অবরোধ সৃষ্টি করছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি থেকে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অবরোধের চেষ্টা চালান তারা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেন। পরে তারা যানবাহন ভাঙচুর শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
শিল্পাঞ্চলের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকাল থেকে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কে অবস্থান করছেন। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় গাজীপুরের সব কারখানা বন্ধ রয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা একবার ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পরে আবার মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ফিরে আসছেন। সকাল থেকেই এমন পরিস্থিতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঢাকার আশুলিয়া ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চল। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে আশুলিয়ায় পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শ্রমিক-পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে।
ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে সোমবার সকাল থেকেই আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় পোশাক শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তবে সাভারের পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
শিল্প পুলিশ ও শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, সকালে নবীনগর-চন্দ্রা সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকায় শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে আশুলিয়া থানা-পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
অন্যদিকে নিশ্চিন্তপুর এলাকায় নিউ এইজ পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে কর্মবিরতি পালন করেন। পরে তারা বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের অনন্ত গার্মেন্টসের সামনে জড়ো হন। এ সময় নিট এশিয়া, আল-মুসলিম, টাউজার লাইন ও অনন্ত গার্মেন্টসসহ কয়েকটি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
পরে শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউ এইজ পোশাক কারখানার এক শ্রমিক বলেন, তারা ন্যায্য দাবি আদায়ের লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন। কিন্তু পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিচ্ছে। এ ছাড়া রোববার পুলিশ ওই কারখানার দুই শ্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। গ্রেপ্তার শ্রমিকদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান ওই শ্রমিক।
বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড সোয়েটার শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, সকালে কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়ে কর্মবিরতি শুরু করেন। নিউ এইজ পোশাক কারখানার দুই শ্রমিককে রোববার পুলিশ আটক করেছে—এমন অভিযোগে ওই কারখানার শ্রমিকরা সোমবারও বিক্ষোভ করছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে আটকের ঘটনাকে নিন্দা জানান তিনি।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, সকালে পোশাক শ্রমিকরা নবীনগর-চন্দ্রা ও বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরে পুলিশ তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে রোববার নিউ এইজ পোশাক কারখানার একজন শ্রমিককে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, রোববার ১৭৭টি পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় সোমবার কতগুলো কারখানা চালু রয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি।
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে চলমান আন্দোলনের চতুর্থ দিনে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজীপুরের কালিয়াকৈর। সোমবার সকাল থেকে সেখানে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছে।
এ অবস্থায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এক পাশে যানবাহন চলাচল করলেও অন্য পাশে অবরোধ সৃষ্টি করছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কালিয়াকৈর উপজেলার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি থেকে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অবরোধের চেষ্টা চালান তারা।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লীবিদ্যুৎ, হরিণহাটি ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেন। পরে তারা যানবাহন ভাঙচুর শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শ্রমিকদের ধাওয়া দিলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়।
শিল্পাঞ্চলের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে সোমবার সকাল থেকে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সড়কে অবস্থান করছেন। পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ অবস্থায় গাজীপুরের সব কারখানা বন্ধ রয়েছে।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকরা একবার ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও পরে আবার মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য ফিরে আসছেন। সকাল থেকেই এমন পরিস্থিতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!