
দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে আজ সোমবার (২ নভেম্বর) থেকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধিত প্রতিটি রিকশার জন্য দেওয়া হবে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট। চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রং।
রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ই-রিকশা চলাচলের নতুন বিধিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আপাতত ১৩টি সিটি করপোরেশনে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। পৌরসভায় ব্যবস্থা চালু করতে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করতে হবে। এরপর অন্যান্য শহরের জন্য বিধিমালা করা হবে।
তিনি বলেন, ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে। এক অঞ্চলে নিবন্ধিত রিকশা অন্য অঞ্চলে চলতে পারবে না। কোন অঞ্চলে কতটি রিকশা চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ আলোচনা করে নির্ধারণ করবে।
একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন মিলিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রতিটি রিকশায় দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত নম্বরপ্লেট রাখতে হবে। এতে নিবন্ধন নম্বর, মালিক ও চালকের তথ্য, নিবন্ধনকারী সিটি করপোরেশন এবং চলাচলের অঞ্চলের পরিচয় থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ই-রিকশাচালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তাঁদের লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। আপাতত চালকদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।
নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রীর ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা। চার যাত্রীর ই-রিকশার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। নম্বরপ্লেটের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা।
প্রতিবছর ফিটনেস সনদ নিয়ে নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। এসব ফি চালকের পরিবর্তে মালিককে পরিশোধ করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধন ফি একবারই দিতে হবে, এরপর প্রতিবছর দিতে হবে নবায়ন ফি। নিবন্ধন পেতে বর্তমানে চলাচলকারী রিকশাগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মান ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত নকশা অনুযায়ী কাঠামোগত পরিবর্তনের পর অনুমোদন নিতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষরসহ ফিটনেস সনদ প্রয়োজন হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিধিমালা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় চলাচলকারী সব ই-রিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে অবৈধ ই-রিকশা অপসারণ করা হবে। বর্তমানে ই-রিকশা চালাচ্ছেন, এমন চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।
সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নতুন বিধিমালায় ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।
জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাস চলাচলের প্রধান সড়ক, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ করা সড়কে ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে সিটি করপোরেশন পার্কিংয়ের জায়গা নির্ধারণ করবে।
নিবন্ধন ছাড়া ই-রিকশা চালানো, অতিরিক্ত গতি ও যাত্রী বহন, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, অনুমোদন ছাড়া মোটর বা কাঠামো পরিবর্তন এবং নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া যাত্রীর পরিবর্তে মালামাল পরিবহন, ট্রাফিক সংকেত অমান্য এবং দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
ই-রিকশার কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে যৌক্তিক ভাড়া ঠিক করা হবে। ভাড়া নির্ধারণের আলোচনায় মালিকপক্ষ থাকলেও চালকদের ভূমিকা থাকবে না।
ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার কেন্দ্রগুলোও অনুমোদনের আওতায় আনা হবে। সৌরবিদ্যুতে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে পারবে, এমন কেন্দ্রকে সিটি করপোরেশন অনুমোদন বা ট্রেড লাইসেন্স দেবে।
চার্জিং স্টেশনে সৌরবিদ্যুৎ ও গ্রিডের বিদ্যুতের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হবে। এর মাধ্যমে দিনের বেলায় উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া এবং রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চার্জ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি খোলা জায়গা, মাটি, জলাশয় কিংবা সাধারণ বর্জ্যের মধ্যে ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় বিক্রেতাকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠাতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোও নিষিদ্ধ থাকবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধনের তারিখ থেকে একটি ই-রিকশার ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ হবে ১২ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নম্বরপ্লেটসহ নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।

দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে আজ সোমবার (২ নভেম্বর) থেকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধিত প্রতিটি রিকশার জন্য দেওয়া হবে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট। চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রং।
রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ই-রিকশা চলাচলের নতুন বিধিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আপাতত ১৩টি সিটি করপোরেশনে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। পৌরসভায় ব্যবস্থা চালু করতে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করতে হবে। এরপর অন্যান্য শহরের জন্য বিধিমালা করা হবে।
তিনি বলেন, ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে। এক অঞ্চলে নিবন্ধিত রিকশা অন্য অঞ্চলে চলতে পারবে না। কোন অঞ্চলে কতটি রিকশা চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ আলোচনা করে নির্ধারণ করবে।
একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন মিলিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রতিটি রিকশায় দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত নম্বরপ্লেট রাখতে হবে। এতে নিবন্ধন নম্বর, মালিক ও চালকের তথ্য, নিবন্ধনকারী সিটি করপোরেশন এবং চলাচলের অঞ্চলের পরিচয় থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ই-রিকশাচালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তাঁদের লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। আপাতত চালকদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।
নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রীর ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা। চার যাত্রীর ই-রিকশার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। নম্বরপ্লেটের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা।
প্রতিবছর ফিটনেস সনদ নিয়ে নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। এসব ফি চালকের পরিবর্তে মালিককে পরিশোধ করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধন ফি একবারই দিতে হবে, এরপর প্রতিবছর দিতে হবে নবায়ন ফি। নিবন্ধন পেতে বর্তমানে চলাচলকারী রিকশাগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মান ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত নকশা অনুযায়ী কাঠামোগত পরিবর্তনের পর অনুমোদন নিতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষরসহ ফিটনেস সনদ প্রয়োজন হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিধিমালা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় চলাচলকারী সব ই-রিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে অবৈধ ই-রিকশা অপসারণ করা হবে। বর্তমানে ই-রিকশা চালাচ্ছেন, এমন চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।
সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নতুন বিধিমালায় ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।
জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাস চলাচলের প্রধান সড়ক, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ করা সড়কে ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে সিটি করপোরেশন পার্কিংয়ের জায়গা নির্ধারণ করবে।
নিবন্ধন ছাড়া ই-রিকশা চালানো, অতিরিক্ত গতি ও যাত্রী বহন, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, অনুমোদন ছাড়া মোটর বা কাঠামো পরিবর্তন এবং নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া যাত্রীর পরিবর্তে মালামাল পরিবহন, ট্রাফিক সংকেত অমান্য এবং দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
ই-রিকশার কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে যৌক্তিক ভাড়া ঠিক করা হবে। ভাড়া নির্ধারণের আলোচনায় মালিকপক্ষ থাকলেও চালকদের ভূমিকা থাকবে না।
ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার কেন্দ্রগুলোও অনুমোদনের আওতায় আনা হবে। সৌরবিদ্যুতে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে পারবে, এমন কেন্দ্রকে সিটি করপোরেশন অনুমোদন বা ট্রেড লাইসেন্স দেবে।
চার্জিং স্টেশনে সৌরবিদ্যুৎ ও গ্রিডের বিদ্যুতের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হবে। এর মাধ্যমে দিনের বেলায় উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া এবং রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চার্জ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি খোলা জায়গা, মাটি, জলাশয় কিংবা সাধারণ বর্জ্যের মধ্যে ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় বিক্রেতাকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠাতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোও নিষিদ্ধ থাকবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধনের তারিখ থেকে একটি ই-রিকশার ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ হবে ১২ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নম্বরপ্লেটসহ নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।

দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে আজ সোমবার (২ নভেম্বর) থেকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধিত প্রতিটি রিকশার জন্য দেওয়া হবে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট। চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রং।
রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ই-রিকশা চলাচলের নতুন বিধিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আপাতত ১৩টি সিটি করপোরেশনে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। পৌরসভায় ব্যবস্থা চালু করতে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করতে হবে। এরপর অন্যান্য শহরের জন্য বিধিমালা করা হবে।
তিনি বলেন, ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে। এক অঞ্চলে নিবন্ধিত রিকশা অন্য অঞ্চলে চলতে পারবে না। কোন অঞ্চলে কতটি রিকশা চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ আলোচনা করে নির্ধারণ করবে।
একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন মিলিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রতিটি রিকশায় দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত নম্বরপ্লেট রাখতে হবে। এতে নিবন্ধন নম্বর, মালিক ও চালকের তথ্য, নিবন্ধনকারী সিটি করপোরেশন এবং চলাচলের অঞ্চলের পরিচয় থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ই-রিকশাচালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তাঁদের লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। আপাতত চালকদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।
নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রীর ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা। চার যাত্রীর ই-রিকশার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। নম্বরপ্লেটের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা।
প্রতিবছর ফিটনেস সনদ নিয়ে নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। এসব ফি চালকের পরিবর্তে মালিককে পরিশোধ করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধন ফি একবারই দিতে হবে, এরপর প্রতিবছর দিতে হবে নবায়ন ফি। নিবন্ধন পেতে বর্তমানে চলাচলকারী রিকশাগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মান ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত নকশা অনুযায়ী কাঠামোগত পরিবর্তনের পর অনুমোদন নিতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষরসহ ফিটনেস সনদ প্রয়োজন হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিধিমালা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় চলাচলকারী সব ই-রিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে অবৈধ ই-রিকশা অপসারণ করা হবে। বর্তমানে ই-রিকশা চালাচ্ছেন, এমন চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।
সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নতুন বিধিমালায় ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।
জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাস চলাচলের প্রধান সড়ক, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ করা সড়কে ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে সিটি করপোরেশন পার্কিংয়ের জায়গা নির্ধারণ করবে।
নিবন্ধন ছাড়া ই-রিকশা চালানো, অতিরিক্ত গতি ও যাত্রী বহন, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, অনুমোদন ছাড়া মোটর বা কাঠামো পরিবর্তন এবং নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া যাত্রীর পরিবর্তে মালামাল পরিবহন, ট্রাফিক সংকেত অমান্য এবং দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
ই-রিকশার কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে যৌক্তিক ভাড়া ঠিক করা হবে। ভাড়া নির্ধারণের আলোচনায় মালিকপক্ষ থাকলেও চালকদের ভূমিকা থাকবে না।
ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার কেন্দ্রগুলোও অনুমোদনের আওতায় আনা হবে। সৌরবিদ্যুতে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে পারবে, এমন কেন্দ্রকে সিটি করপোরেশন অনুমোদন বা ট্রেড লাইসেন্স দেবে।
চার্জিং স্টেশনে সৌরবিদ্যুৎ ও গ্রিডের বিদ্যুতের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হবে। এর মাধ্যমে দিনের বেলায় উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া এবং রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চার্জ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি খোলা জায়গা, মাটি, জলাশয় কিংবা সাধারণ বর্জ্যের মধ্যে ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় বিক্রেতাকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠাতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোও নিষিদ্ধ থাকবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধনের তারিখ থেকে একটি ই-রিকশার ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ হবে ১২ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নম্বরপ্লেটসহ নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।

দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে আজ সোমবার (২ নভেম্বর) থেকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধিত প্রতিটি রিকশার জন্য দেওয়া হবে কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নম্বরপ্লেট। চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য থাকবে আলাদা রং।
রোববার (১ নভেম্বর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ই-রিকশা চলাচলের নতুন বিধিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আপাতত ১৩টি সিটি করপোরেশনে এ বিধিমালা কার্যকর হবে। পৌরসভায় ব্যবস্থা চালু করতে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন করতে হবে। এরপর অন্যান্য শহরের জন্য বিধিমালা করা হবে।
তিনি বলেন, ঢাকাকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিটি অঞ্চলের ই-রিকশার জন্য আলাদা রং নির্ধারণ করা হবে। এক অঞ্চলে নিবন্ধিত রিকশা অন্য অঞ্চলে চলতে পারবে না। কোন অঞ্চলে কতটি রিকশা চলবে, তা সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ আলোচনা করে নির্ধারণ করবে।
একজন ব্যক্তি এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন মিলিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রতিটি রিকশায় দৃশ্যমান স্থানে কিউআর কোডযুক্ত নম্বরপ্লেট রাখতে হবে। এতে নিবন্ধন নম্বর, মালিক ও চালকের তথ্য, নিবন্ধনকারী সিটি করপোরেশন এবং চলাচলের অঞ্চলের পরিচয় থাকবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ই-রিকশাচালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। নিবন্ধন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে তাঁদের লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে। আপাতত চালকদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে।
নিবন্ধন ও নবায়ন ফি বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রীর ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা। চার যাত্রীর ই-রিকশার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। নম্বরপ্লেটের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা।
প্রতিবছর ফিটনেস সনদ নিয়ে নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। এসব ফি চালকের পরিবর্তে মালিককে পরিশোধ করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধন ফি একবারই দিতে হবে, এরপর প্রতিবছর দিতে হবে নবায়ন ফি। নিবন্ধন পেতে বর্তমানে চলাচলকারী রিকশাগুলোকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে। বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মান ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত নকশা অনুযায়ী কাঠামোগত পরিবর্তনের পর অনুমোদন নিতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষরসহ ফিটনেস সনদ প্রয়োজন হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিধিমালা প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় চলাচলকারী সব ই-রিকশা সরিয়ে দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে অবৈধ ই-রিকশা অপসারণ করা হবে। বর্তমানে ই-রিকশা চালাচ্ছেন, এমন চালকদের আতঙ্কিত না হওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।
সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নতুন বিধিমালায় ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় সর্বোচ্চ গতি হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।
জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বাস চলাচলের প্রধান সড়ক, ফুটপাত এবং প্রশাসনের নিষিদ্ধ করা সড়কে ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে সিটি করপোরেশন পার্কিংয়ের জায়গা নির্ধারণ করবে।
নিবন্ধন ছাড়া ই-রিকশা চালানো, অতিরিক্ত গতি ও যাত্রী বহন, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, অনুমোদন ছাড়া মোটর বা কাঠামো পরিবর্তন এবং নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ছাড়া যাত্রীর পরিবর্তে মালামাল পরিবহন, ট্রাফিক সংকেত অমান্য এবং দুর্ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
ই-রিকশার কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া মালিকপক্ষ, ট্রাফিক বিভাগ ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। পরিচালন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের মধ্যে যৌক্তিক ভাড়া ঠিক করা হবে। ভাড়া নির্ধারণের আলোচনায় মালিকপক্ষ থাকলেও চালকদের ভূমিকা থাকবে না।
ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার কেন্দ্রগুলোও অনুমোদনের আওতায় আনা হবে। সৌরবিদ্যুতে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে পারবে, এমন কেন্দ্রকে সিটি করপোরেশন অনুমোদন বা ট্রেড লাইসেন্স দেবে।
চার্জিং স্টেশনে সৌরবিদ্যুৎ ও গ্রিডের বিদ্যুতের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হবে। এর মাধ্যমে দিনের বেলায় উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে দেওয়া এবং রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ দিয়ে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে চার্জ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি খোলা জায়গা, মাটি, জলাশয় কিংবা সাধারণ বর্জ্যের মধ্যে ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় বিক্রেতাকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠাতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোও নিষিদ্ধ থাকবে।
বিধিমালা অনুযায়ী, নিবন্ধনের তারিখ থেকে একটি ই-রিকশার ব্যবহারযোগ্য মেয়াদ হবে ১২ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নম্বরপ্লেটসহ নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!