-1775471651014-441721210.jpeg&w=1920&q=75)
দেশে মানবাধিকার কমিশন গঠন ও গুম প্রতিরোধে প্রণীত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো দ্রুত আইনে পরিণত না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক বাধা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমলাতন্ত্র এখনো আগের মতোই বাংলাদেশে মূল নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করছে। মন্ত্রিপরিষদ ও জাতীয় সংসদ থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতন্ত্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপ নিতে দেরির পেছনে দুই ধরনের প্রতিরোধ কাজ করছে—রাজনৈতিক অঙ্গন এবং আমলাতন্ত্র। সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করে। পাশাপাশি কিছু অধ্যাদেশে উদ্দেশ্যমূলক দুর্বলতা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে সংস্থাটি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গত ২ এপ্রিল মোট ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু আইনে পরিণত করার জন্য সুপারিশ করেছে, যা সাধুবাদ পাবার যোগ্য। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) আইন ২০২৫, জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ)’ অধ্যাদেশও রয়েছে।
তবে আইনে পরিণত হতে যাওয়া সব অধ্যাদেশের সবই দুর্বলতাহীন নয়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে দুর্বল করা হয়েছে। যেমন- সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত চারটি সংশোধনী অধ্যাদেশও এরমধ্যে রয়েছে।
-1775471651014-441721210.jpeg&w=1920&q=75)
দেশে মানবাধিকার কমিশন গঠন ও গুম প্রতিরোধে প্রণীত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো দ্রুত আইনে পরিণত না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক বাধা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমলাতন্ত্র এখনো আগের মতোই বাংলাদেশে মূল নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করছে। মন্ত্রিপরিষদ ও জাতীয় সংসদ থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতন্ত্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপ নিতে দেরির পেছনে দুই ধরনের প্রতিরোধ কাজ করছে—রাজনৈতিক অঙ্গন এবং আমলাতন্ত্র। সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করে। পাশাপাশি কিছু অধ্যাদেশে উদ্দেশ্যমূলক দুর্বলতা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে সংস্থাটি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গত ২ এপ্রিল মোট ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু আইনে পরিণত করার জন্য সুপারিশ করেছে, যা সাধুবাদ পাবার যোগ্য। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) আইন ২০২৫, জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ)’ অধ্যাদেশও রয়েছে।
তবে আইনে পরিণত হতে যাওয়া সব অধ্যাদেশের সবই দুর্বলতাহীন নয়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে দুর্বল করা হয়েছে। যেমন- সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত চারটি সংশোধনী অধ্যাদেশও এরমধ্যে রয়েছে।
-1775471651014-441721210.jpeg&w=1920&q=75)
দেশে মানবাধিকার কমিশন গঠন ও গুম প্রতিরোধে প্রণীত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো দ্রুত আইনে পরিণত না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক বাধা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমলাতন্ত্র এখনো আগের মতোই বাংলাদেশে মূল নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করছে। মন্ত্রিপরিষদ ও জাতীয় সংসদ থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতন্ত্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপ নিতে দেরির পেছনে দুই ধরনের প্রতিরোধ কাজ করছে—রাজনৈতিক অঙ্গন এবং আমলাতন্ত্র। সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করে। পাশাপাশি কিছু অধ্যাদেশে উদ্দেশ্যমূলক দুর্বলতা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে সংস্থাটি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গত ২ এপ্রিল মোট ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু আইনে পরিণত করার জন্য সুপারিশ করেছে, যা সাধুবাদ পাবার যোগ্য। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) আইন ২০২৫, জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ)’ অধ্যাদেশও রয়েছে।
তবে আইনে পরিণত হতে যাওয়া সব অধ্যাদেশের সবই দুর্বলতাহীন নয়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে দুর্বল করা হয়েছে। যেমন- সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত চারটি সংশোধনী অধ্যাদেশও এরমধ্যে রয়েছে।
-1775471651014-441721210.jpeg&w=1920&q=75)
দেশে মানবাধিকার কমিশন গঠন ও গুম প্রতিরোধে প্রণীত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো দ্রুত আইনে পরিণত না হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক বাধা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমলাতন্ত্র এখনো আগের মতোই বাংলাদেশে মূল নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করছে। মন্ত্রিপরিষদ ও জাতীয় সংসদ থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমলাতন্ত্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে রাজধানীতে টিআইবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো আইনে রূপ নিতে দেরির পেছনে দুই ধরনের প্রতিরোধ কাজ করছে—রাজনৈতিক অঙ্গন এবং আমলাতন্ত্র। সরকারের সদিচ্ছা থাকলেও বাস্তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ ও জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করে। পাশাপাশি কিছু অধ্যাদেশে উদ্দেশ্যমূলক দুর্বলতা রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলে সংস্থাটি।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গত ২ এপ্রিল মোট ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু আইনে পরিণত করার জন্য সুপারিশ করেছে, যা সাধুবাদ পাবার যোগ্য। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) আইন ২০২৫, জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ)’ অধ্যাদেশও রয়েছে।
তবে আইনে পরিণত হতে যাওয়া সব অধ্যাদেশের সবই দুর্বলতাহীন নয়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে দুর্বল করা হয়েছে। যেমন- সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫, স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত চারটি সংশোধনী অধ্যাদেশও এরমধ্যে রয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!